০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরান কীভাবে একই দিনে দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করল

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬
  • 2


কেন
এটি
মার্কিনদের
জন্য
বড়
চ্যালেঞ্জ

এফ-১৫ই
বাএ-১০-এর
মতো
যুদ্ধবিমানকে
ইনফ্রারেড
বা
ইলেকট্রো-অপটিক্যাল
সেন্সর
দিয়ে
ট্র্যাক
করা
অত্যন্ত
কঠিন
কাজ।
কারণ,
এসব
বিমান
অত্যন্ত
দ্রুতগতিসম্পন্ন,
কৌশলী
এবং
এদের
উন্নত
আত্মরক্ষাব্যবস্থা
রয়েছে।

আবার
আধুনিক
যুদ্ধবিমানের
ইঞ্জিনে
তাপ
কমানোর
নজেল
এবং
বিশেষ
কোটিং
থাকে,
যা
তাদের
তাপীয়
অস্তিত্ব
কমিয়ে
দেয়।


ছাড়া
কুয়াশা
বা
খারাপ
আবহাওয়ায়
ইলেকট্রো-অপটিক্যাল
ক্যামেরা
খুব
একটা
কার্যকর
হয়
না।
যুদ্ধবিমান
থেকে
ছোড়া
‘ফ্লেয়ার’
(একধরনের
অগ্নিপিণ্ড)
ক্ষেপণাস্ত্রের
মাথাকে
বিভ্রান্ত
করার
জন্য
ডিজাইন
করা
হয়েছে।

ইরান
সম্ভবত
তখনই
সফল
হয়েছে,
যখন
এসব
বিমান
খুব
কাছাকাছি
এবং
কম
উচ্চতায়
অবস্থান
করছিল।
অর্থাৎ
যখন
বিমানের
পাল্টা
ব্যবস্থাগুলো
ফুরিয়ে
গিয়েছিল
বা
পাইলটরা
অন্যমনস্ক
ছিলেন—এমন
সংক্ষিপ্ত
মুহূর্তকে
কাজে
লাগিয়েই
ইরান
এই
বিরল
সাফল্য
পেয়েছে।

এত
দিন
ইসরায়েল

যুক্তরাষ্ট্র
দাবি
করে
আসছিল,
ইরানি
আকাশসীমায়
তাদের
পূর্ণ
নিয়ন্ত্রণ
রয়েছে।
গতকাল
শুক্রবার
ইরানের
আকাশে
একটি
মার্কিন
এফ-১৫ই
ভূপাতিত
হওয়ার
ঘটনা
তাদের
সেই
দাবিকে
সরাসরি
চ্যালেঞ্জ
জানিয়ে
দিল।

কয়েক
সপ্তাহ
ধরে
মার্কিন
জোটের
ব্যাপক
অভিযান

ধ্বংসযজ্ঞ
চালানো
সত্ত্বেও
ইরানি
আকাশ
প্রতিরক্ষাব্যবস্থা
শত্রুর
সীমানার
গভীরে
ঢুকে
উন্নত
যুদ্ধবিমানকে
আঘাত
করতে
সক্ষম
হয়েছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

ইরান কীভাবে একই দিনে দুই মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করল

আপডেট সময়ঃ ১২:০০:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬


কেন
এটি
মার্কিনদের
জন্য
বড়
চ্যালেঞ্জ

এফ-১৫ই
বাএ-১০-এর
মতো
যুদ্ধবিমানকে
ইনফ্রারেড
বা
ইলেকট্রো-অপটিক্যাল
সেন্সর
দিয়ে
ট্র্যাক
করা
অত্যন্ত
কঠিন
কাজ।
কারণ,
এসব
বিমান
অত্যন্ত
দ্রুতগতিসম্পন্ন,
কৌশলী
এবং
এদের
উন্নত
আত্মরক্ষাব্যবস্থা
রয়েছে।

আবার
আধুনিক
যুদ্ধবিমানের
ইঞ্জিনে
তাপ
কমানোর
নজেল
এবং
বিশেষ
কোটিং
থাকে,
যা
তাদের
তাপীয়
অস্তিত্ব
কমিয়ে
দেয়।


ছাড়া
কুয়াশা
বা
খারাপ
আবহাওয়ায়
ইলেকট্রো-অপটিক্যাল
ক্যামেরা
খুব
একটা
কার্যকর
হয়
না।
যুদ্ধবিমান
থেকে
ছোড়া
‘ফ্লেয়ার’
(একধরনের
অগ্নিপিণ্ড)
ক্ষেপণাস্ত্রের
মাথাকে
বিভ্রান্ত
করার
জন্য
ডিজাইন
করা
হয়েছে।

ইরান
সম্ভবত
তখনই
সফল
হয়েছে,
যখন
এসব
বিমান
খুব
কাছাকাছি
এবং
কম
উচ্চতায়
অবস্থান
করছিল।
অর্থাৎ
যখন
বিমানের
পাল্টা
ব্যবস্থাগুলো
ফুরিয়ে
গিয়েছিল
বা
পাইলটরা
অন্যমনস্ক
ছিলেন—এমন
সংক্ষিপ্ত
মুহূর্তকে
কাজে
লাগিয়েই
ইরান
এই
বিরল
সাফল্য
পেয়েছে।

এত
দিন
ইসরায়েল

যুক্তরাষ্ট্র
দাবি
করে
আসছিল,
ইরানি
আকাশসীমায়
তাদের
পূর্ণ
নিয়ন্ত্রণ
রয়েছে।
গতকাল
শুক্রবার
ইরানের
আকাশে
একটি
মার্কিন
এফ-১৫ই
ভূপাতিত
হওয়ার
ঘটনা
তাদের
সেই
দাবিকে
সরাসরি
চ্যালেঞ্জ
জানিয়ে
দিল।

কয়েক
সপ্তাহ
ধরে
মার্কিন
জোটের
ব্যাপক
অভিযান

ধ্বংসযজ্ঞ
চালানো
সত্ত্বেও
ইরানি
আকাশ
প্রতিরক্ষাব্যবস্থা
শত্রুর
সীমানার
গভীরে
ঢুকে
উন্নত
যুদ্ধবিমানকে
আঘাত
করতে
সক্ষম
হয়েছে।