বিবৃতিতে
বলা
হয়,
যে
চারটি
অধ্যাদেশ
বাতিল
ও
১৬টি
অনুমোদনের
বিষয়টি
সংসদের
ওপর
ছেড়ে
দেওয়া
হয়েছে,
সেগুলো
অন্তর্বর্তী
সরকারের
সময়ে
জারি
করা
সবচেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ
অধ্যাদেশ।
এর
মধ্যে
রয়েছে
সুপ্রিম
কোর্টের
বিচারক
নিয়োগসংক্রান্ত
একটি,
সুপ্রিম
কোর্ট
সচিবালয়সংক্রান্ত
দুটি,
জাতীয়
মানবাধিকার
কমিশনসংক্রান্ত
তিনটি,
গুম
প্রতিরোধসংক্রান্ত
দুটি
ও
দুর্নীতি
দমন
কমিশন–সংক্রান্ত
একটি
অধ্যাদেশ।
সুজন
মনে
করে,
১৬টি
অধ্যাদেশের
অনুমোদন
সংসদের
ওপর
ছেড়ে
দেওয়ার
তাৎপর্য
হলো,
সংসদে
দুই–তৃতীয়াংশের
বেশি
সংখ্যাগরিষ্ঠতার
জোরে
এগুলো
অতি
সহজেই
বাদ
দেওয়া
যাবে,
যা
হবে
অত্যন্ত
দুঃখজনক।
এর
মাধ্যমে
চব্বিশের
গণ–অভ্যুত্থানের
মাধ্যমে
জনমনে
কতগুলো
গুরুত্বপূর্ণ
সংস্কারের
যে
আকাঙ্ক্ষা
সৃষ্টি
হয়েছিল,
তা
ভেস্তে
যাবে
এবং
সাংবিধানিক
ও
প্রাতিষ্ঠানিক
সংস্কারের
উদ্যোগ
হোঁচট
খাবে।
বিবৃতিতে
আরও
বলা
হয়,
গণভোটের
মাধ্যমে
জনগণের
সম্মতি
পাওয়া
জুলাই
জাতীয়
সনদে
বর্ণিত
কতগুলো
মৌলিক
সংস্কার
নিয়ে
সরকারের
টালবাহানার
পর
অনেকগুলো
গুরুত্বপূর্ণ
অধ্যাদেশের
অনুমোদন
নিয়ে
টানাপোড়েন
জাতির
জন্য
কোনো
কল্যাণ
বয়ে
আনবে
না।
এডমিন 













