০৯:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুই আসনে ভোটগ্রহণ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে, নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১১:৪৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • 3

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচনে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি); মাঠে থাকছে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সদস্য, পাশাপাশি নিয়োজিত রয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট ও পর্যবেক্ষকরা। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্নে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে ইসি।

বুধবার (৮ এপ্রিল) এ দুই আসনের নির্বাচনে সার্বিক বিষয় তুলে ধরে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, এ দুই আসনে ভোটের সব কিছু ঠিক আছে। আশা করি যে, আমরা যে বেঞ্চমার্কটা জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচনে আপনাদের সকলের সহযোগিতায় পেয়েছি, সেটা থেকে বেশি হবে।

বগুড়া-৬ আসনের প্রার্থী ৩ জন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপি’র মো. রেজাউল করিম বাদশা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল-আমিন তালুকদার। ভোটকেন্দ্র ১৫০, ভোটকক্ষ ৮৩৫ মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৯ জন। এ আসনে সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে ২৫০ জন, বিজিবি ৮ প্লাটুন (১৮৯ জন), র‌্যাব ১০টিম (৭০ জন), পুলিশ ১ হাজার ৩২৭ জন ও আনসার ভিডিপি ১ হাজার ৯৯০ জন।

শেরপুর-৩ আসন প্রার্থী ৩ জন প্রতিবেদন অনুযায়ী এ আসনে প্রার্থী তিন জন। বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাসদ (মার্কসবাদী) প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান। ভোটকেন্দ্র ১২৮, ভোটকক্ষ ৭৫১; ভোটার ৪ লাখ ৯ হাজার ৮০৬ জন। সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে ১৪০ জন, বিজিবি ১৬ প্লাটুন (৩২৮ জন), র‌্যাব ১৪টিম (১৩৫ জন), পুলিশ ১ হাজার ১৫৫ জন ও আনসার ভিডিপি ১ হাজার ৭০৪ জন।

ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপ সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান,ভোটকেন্দ্রে গুরুত্ব বিবেচনায়

১৮ থেকে ২০ জন নিরাপত্তা সদস্য থাকছে। দুই আসনে সব মিলিয়ে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে ৩৬ জন নির্বাহী ও বিচারিক হাকিম নিয়োজিত রয়েছে। এছাড়া চার শতাধিক স্থানীয় পর্যবেক্ষক ও ইসির নিজস্ব ১৮ পর্যবেক্ষক থাকবে ভোটের মাঠে। এছাড়া পোস্টাল ভোট রয়েছে এ দুটি আসনে।

তিনি আরও জানান, এ দুই আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা,প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার পোলিং এজেন্টসহ ভোটেরগ্রহণের সঙ্গে দায়িত্ব পালন রয়েছেন ৫ হাজারের মতো কর্মকর্তা।

সংসদ নির্বাচনের সময় ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয় হওয়ায় শেরপুর-৩ আসনে গণভোটের আর প্রয়োজন হচ্ছে না।

১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনের ভোট হয়। এসময় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দুটি আসনে নির্বাচিত হন। এর মধ্যে বগুড়া-৬ আসন তিনি ছেড়ে দেওয়ায় এখন উপ নির্বাচন হচ্ছে। আর তফসিল ঘোষণার পর প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের এখন সাধারণ নির্বাচন হচ্ছে।

মাসুম/সাএ

ট্যাগঃ

কালো মোজা পরলে বিমানে ঝুঁকি বাড়ে, জানুন কীভাবে এড়াবেন

দুই আসনে ভোটগ্রহণ সকাল সাড়ে ৭টা থেকে, নিরাপত্তায় কঠোর ব্যবস্থা

আপডেট সময়ঃ ১১:৪৫:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন ও শেরপুর-৩ আসনের সাধারণ নির্বাচনে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ভোটকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি); মাঠে থাকছে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সদস্য, পাশাপাশি নিয়োজিত রয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট ও পর্যবেক্ষকরা। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্নে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে ইসি।

বুধবার (৮ এপ্রিল) এ দুই আসনের নির্বাচনে সার্বিক বিষয় তুলে ধরে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, এ দুই আসনে ভোটের সব কিছু ঠিক আছে। আশা করি যে, আমরা যে বেঞ্চমার্কটা জাতীয় পর্যায়ের নির্বাচনে আপনাদের সকলের সহযোগিতায় পেয়েছি, সেটা থেকে বেশি হবে।

বগুড়া-৬ আসনের প্রার্থী ৩ জন- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপি’র মো. রেজাউল করিম বাদশা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান ও বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল-আমিন তালুকদার। ভোটকেন্দ্র ১৫০, ভোটকক্ষ ৮৩৫ মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৩০৯ জন। এ আসনে সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে ২৫০ জন, বিজিবি ৮ প্লাটুন (১৮৯ জন), র‌্যাব ১০টিম (৭০ জন), পুলিশ ১ হাজার ৩২৭ জন ও আনসার ভিডিপি ১ হাজার ৯৯০ জন।

শেরপুর-৩ আসন প্রার্থী ৩ জন প্রতিবেদন অনুযায়ী এ আসনে প্রার্থী তিন জন। বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল, জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান মাসুদ এবং বাসদ (মার্কসবাদী) প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান। ভোটকেন্দ্র ১২৮, ভোটকক্ষ ৭৫১; ভোটার ৪ লাখ ৯ হাজার ৮০৬ জন। সেনাবাহিনী স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে ১৪০ জন, বিজিবি ১৬ প্লাটুন (৩২৮ জন), র‌্যাব ১৪টিম (১৩৫ জন), পুলিশ ১ হাজার ১৫৫ জন ও আনসার ভিডিপি ১ হাজার ৭০৪ জন।

ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপ সচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন জানান,ভোটকেন্দ্রে গুরুত্ব বিবেচনায়

১৮ থেকে ২০ জন নিরাপত্তা সদস্য থাকছে। দুই আসনে সব মিলিয়ে আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ ও ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু রাখতে ৩৬ জন নির্বাহী ও বিচারিক হাকিম নিয়োজিত রয়েছে। এছাড়া চার শতাধিক স্থানীয় পর্যবেক্ষক ও ইসির নিজস্ব ১৮ পর্যবেক্ষক থাকবে ভোটের মাঠে। এছাড়া পোস্টাল ভোট রয়েছে এ দুটি আসনে।

তিনি আরও জানান, এ দুই আসনে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা,প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার পোলিং এজেন্টসহ ভোটেরগ্রহণের সঙ্গে দায়িত্ব পালন রয়েছেন ৫ হাজারের মতো কর্মকর্তা।

সংসদ নির্বাচনের সময় ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয় হওয়ায় শেরপুর-৩ আসনে গণভোটের আর প্রয়োজন হচ্ছে না।

১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনের ভোট হয়। এসময় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান দুটি আসনে নির্বাচিত হন। এর মধ্যে বগুড়া-৬ আসন তিনি ছেড়ে দেওয়ায় এখন উপ নির্বাচন হচ্ছে। আর তফসিল ঘোষণার পর প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের এখন সাধারণ নির্বাচন হচ্ছে।

মাসুম/সাএ