০৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আশুলিয়ায় নারীর মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি ডেকে নিয়ে হত্যা

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১১:৫৫:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • 2

সাভারের আশুলিয়ায় সবজি বাগান থেকে রুকমা খাতুন (২৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকার শ্রমিক কলোনীর পাশের সবজি বাগান থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক মোয়াজ্জেম হোসন।

নিহত রুকমা খাতুন আশুলিয়ার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় একটি পোশাক কারখানা শ্রমিক ছিলেন। তার বাড়ি জামালপুরের মাদারগঞ্জ থানার মাথাভাঙ্গা গ্রামে। স্বামী গ্রামের বাড়িতে কৃষি পেশার সঙ্গে জড়িত বলে জানান স্বজনরা।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ভোরে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকার রমজান মণ্ডলের শ্রমিক কলোনীর পাশের সবজি বাগানে রুমানার মরদেহ পাওয়া যায়। পরে খবর পেয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

শ্রমিক কলোনির মালিক জানান, গত তিনদিন আগে মণ্ডল কলোনিতে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে দাদি ও দুই সন্তানসহ বসবাস করছিলেন রুকমা।

রুকমার দাদি জানান, রাতে কোনো এক ছেলে তাকে ফোন দেন কিস্তিতে মোবাইল কিনে দেবে বলে। এরপর রাত গভীর হলেও রুকমা বাসায় ফিরে আসেনি। সকালে রুকমার নিথর দেহ বাসার পাশেই সবজি বাগানে দেখতে পান স্থানীয়রা। রুকমার দাদির ধারণা, রুকমাকে ফোন কিনে দেয়ার লোভ দেখিয়ে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায় কোনো এক যুবক।

তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাস্থলে রুকমার পরনের জামা কাপড় ঠিকঠাক না থাকার কারণে তারা ধারণা করছেন, ওই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্নও রয়েছে।

এব্যাপারে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক মোয়াজ্জেম হোসন জানান, প্রাথমিক তদন্ত শেষে মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রুকমাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে কিনা; এ বিষয়ে কোনো আলামত পাওয়া গিয়েছে কিনা তা জানতে চাইলে তিনি কোনো কথা বলতেই রাজি হননি।

তবে উপ-পরিদর্শক মোয়াজ্জেম বলেন, প্রাথমিক রিপোর্ট তৈরি হচ্ছে। আমি এ ব্যাপারে বক্তব্য দেয়ার এখতিয়ার রাখি না। তদন্ত শেষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বিষয়ে বক্তব্য দেবেন বলে জানান তিনি।

মাসুম/সাএ

ট্যাগঃ

কালো মোজা পরলে বিমানে ঝুঁকি বাড়ে, জানুন কীভাবে এড়াবেন

আশুলিয়ায় নারীর মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি ডেকে নিয়ে হত্যা

আপডেট সময়ঃ ১১:৫৫:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

সাভারের আশুলিয়ায় সবজি বাগান থেকে রুকমা খাতুন (২৫) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার (৮ এপ্রিল) ভোরে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকার শ্রমিক কলোনীর পাশের সবজি বাগান থেকে ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক মোয়াজ্জেম হোসন।

নিহত রুকমা খাতুন আশুলিয়ার পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় একটি পোশাক কারখানা শ্রমিক ছিলেন। তার বাড়ি জামালপুরের মাদারগঞ্জ থানার মাথাভাঙ্গা গ্রামে। স্বামী গ্রামের বাড়িতে কৃষি পেশার সঙ্গে জড়িত বলে জানান স্বজনরা।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ভোরে আশুলিয়ার বাইপাইল এলাকার রমজান মণ্ডলের শ্রমিক কলোনীর পাশের সবজি বাগানে রুমানার মরদেহ পাওয়া যায়। পরে খবর পেয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

শ্রমিক কলোনির মালিক জানান, গত তিনদিন আগে মণ্ডল কলোনিতে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে দাদি ও দুই সন্তানসহ বসবাস করছিলেন রুকমা।

রুকমার দাদি জানান, রাতে কোনো এক ছেলে তাকে ফোন দেন কিস্তিতে মোবাইল কিনে দেবে বলে। এরপর রাত গভীর হলেও রুকমা বাসায় ফিরে আসেনি। সকালে রুকমার নিথর দেহ বাসার পাশেই সবজি বাগানে দেখতে পান স্থানীয়রা। রুকমার দাদির ধারণা, রুকমাকে ফোন কিনে দেয়ার লোভ দেখিয়ে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায় কোনো এক যুবক।

তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনাস্থলে রুকমার পরনের জামা কাপড় ঠিকঠাক না থাকার কারণে তারা ধারণা করছেন, ওই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। তার শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্নও রয়েছে।

এব্যাপারে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক মোয়াজ্জেম হোসন জানান, প্রাথমিক তদন্ত শেষে মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। রুকমাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে কিনা; এ বিষয়ে কোনো আলামত পাওয়া গিয়েছে কিনা তা জানতে চাইলে তিনি কোনো কথা বলতেই রাজি হননি।

তবে উপ-পরিদর্শক মোয়াজ্জেম বলেন, প্রাথমিক রিপোর্ট তৈরি হচ্ছে। আমি এ ব্যাপারে বক্তব্য দেয়ার এখতিয়ার রাখি না। তদন্ত শেষে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বিষয়ে বক্তব্য দেবেন বলে জানান তিনি।

মাসুম/সাএ