স্থানীয়
বাসিন্দা
ও
আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী
বাহিনীর
কর্মকর্তাদের
সঙ্গে
কথা
বলে
জানা
গেছে,
রাউজানে
২০
মাস
ধরেই
একের
পর
এক
খুনের
ঘটনা
ঘটে
আসছে।
কখনো
প্রকাশ্যে
গুলি
চালিয়ে,
আবার
কখনো
ছুরিকাঘাত
বা
পিটিয়ে
খুনের
ঘটনা
ঘটেছে।
এ
সময়
২২
জন
খুন
হওয়া
ছাড়া
শতাধিক
মানুষ
গুলিবিদ্ধ
হয়েছেন।
নিহত
২২
জনের
মধ্যে
অন্তত
১৬
জন
রাজনীতিতে
সক্রিয়
ছিলেন।
পুলিশ
জানিয়েছে,
এসব
হত্যাকাণ্ডের
ঘটনায়
এ
পর্যন্ত
শতাধিক
মানুষ
গ্রেপ্তার
হয়েছেন।
উদ্ধার
হয়েছে
অর্ধশতাধিক
আগ্নেয়াস্ত্র।
আধিপত্য
বিস্তারের
পাশাপাশি
চাঁদাবাজি
ও
মাটি–বালুর
ব্যবসাকে
কেন্দ্র
করে
খুনোখুনি
ও
হানাহানির
ঘটনা
ঘটছে
বলে
দাবি
পুলিশের।
রাউজান
থানার
ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা
(ওসি)
সাজেদুল
ইসলাম
প্রথম
আলোকে
বলেন,
কাউসারুজ্জামানকে
মূলত
সন্ত্রাসীরা
লক্ষ্যবস্তু
করেছে
তিনি
আইনশৃঙ্খলা
রক্ষাকারী
বাহিনীকে
তথ্য
দিতেন
বলে।
প্রাথমিক
তদন্তেও
এটি
উঠে
এসেছে।
তিনি
বলেন,
সন্ত্রাসী
ও
অস্ত্রধারীদের
বিরুদ্ধে
রাউজানে
নিয়মিত
অভিযান
পরিচালনা
করা
হচ্ছে।
শুক্রবার
রাতে
কাউসারুজ্জামানকে
খুনের
ঘটনায়
জড়িত
ব্যক্তিদের
চিহ্নিত
করা
হয়েছে।
মামলার
এজাহারভুক্ত
দুজনকে
গ্রেপ্তার
করে
আদালতে
পাঠানো
হয়েছে।
এডমিন 









