০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা নতুন দেশে গেলে কি বাংলাদেশি কমিউনিটিতেই থাকা উচিত

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • 12

আমি
এমফিলের
সময়
দুই
বছর
অস্ট্রেলিয়ায়
থাকলেও
কুইন্সল্যান্ডে
কখনো
যাওয়া
হয়নি।
পিএইচডির
জন্য
যখন
গ্রিফিথ
ইউনিভার্সিটিতে—কুইন্সল্যান্ড
স্টেটের
গোল্ডকোস্ট
শহরে
অফার
পেলাম—তখন
প্রথম
চিন্তা
ছিল,
কোথায়
থাকব?

গোল্ডকোস্ট
ট্যুরিস্ট
এলাকা,
ভাড়া
অনেক
বেশি
আর
শিক্ষার্থীদের
জন্য
অপশনও
সীমিত।
পরিকল্পনা
ছিল,
কয়েক
দিন
এয়ারবিএনবিতে
থেকে
বাসা
খুঁজব।

ঠিক
তখনই
একজন
বাংলাদেশি
পরিচিত
ভাই
খুব
আন্তরিকভাবে
বললেন,
আমি
যেন
তাঁর
বাসায়
উঠি,
তারপর
বাসা
খুঁজি।
তাঁর
কথায়
নিশ্চিন্ত
হলাম।

কিন্তু
অস্ট্রেলিয়ায়
আসার
সময়
যত
ঘনিয়ে
এল,
উনি
ধীরে
ধীরে
যোগাযোগ
বন্ধ
করে
দিলেন।
ফোন
ধরেন
না,
মেসেজের
উত্তর
নেই।
তখনো
ভাবছি,
হয়তো
ব্যস্ত
আছেন।

মেলবোর্নে
পৌঁছানোর
পরদিনই
আমার
গোল্ডকোস্ট
ফ্লাইট।
তখনো
তাঁকে
পাচ্ছি
না।
শেষমেশ
অনেক
চেষ্টা
করে
যোগাযোগ
করতে
পারলাম।
তিনি
জানালেন,
তিনি
‘একটা
ঝামেলায়’
আছেন,
আমি
যেন
এয়ারবিএনবি
দেখি।

আমার
হাতে
তখন
২৪
ঘণ্টা
সময়ও
নেই,
রাত
১০টায়
আমার
ফ্লাইট
ল্যান্ড
করবে,
আর
আমি
হন্যে
হয়ে
তখন
এয়ারবিএনবি
খুঁজছি।


পরিস্থিতি
আমার
কাছে
যতটা
না
খারাপ
লেগেছিল,
তার
চেয়ে
বেশি
খারাপ
লেগেছিল
এই
অনুভূতিটা—যে
মানুষটা
নিজে
থেকে
আশ্বাস
দিয়েছিলেন,
তিনি
যে
কথা
রাখতে
পারছেন
না,
তা
বিন্দুমাত্র
জানানোর
প্রয়োজনও
মনে
করলেন
না!

পরে
বুঝেছি
যে
‘ঝামেলায়’
তিনি
ছিলেন,
তা
তাঁর
অনেক
আগের
পরিকল্পনায়
ছিল।
তিনি
যেহেতু
জানতেনই
অন্তত
সময়
থাকতে
জানালে
আমি
নিজেকে
প্রস্তুত
করতে
পারতাম।
তারপর
বাসা
পাওয়ার
আগপর্যন্ত
আমি
কী
কী
ঘটনার
মধ্য
দিয়ে
গেছি,
সে
গল্প
তোলা
থাক।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

শহীদ জিয়ার শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁতীদলের আলোচনা সভা

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা নতুন দেশে গেলে কি বাংলাদেশি কমিউনিটিতেই থাকা উচিত

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

আমি
এমফিলের
সময়
দুই
বছর
অস্ট্রেলিয়ায়
থাকলেও
কুইন্সল্যান্ডে
কখনো
যাওয়া
হয়নি।
পিএইচডির
জন্য
যখন
গ্রিফিথ
ইউনিভার্সিটিতে—কুইন্সল্যান্ড
স্টেটের
গোল্ডকোস্ট
শহরে
অফার
পেলাম—তখন
প্রথম
চিন্তা
ছিল,
কোথায়
থাকব?

গোল্ডকোস্ট
ট্যুরিস্ট
এলাকা,
ভাড়া
অনেক
বেশি
আর
শিক্ষার্থীদের
জন্য
অপশনও
সীমিত।
পরিকল্পনা
ছিল,
কয়েক
দিন
এয়ারবিএনবিতে
থেকে
বাসা
খুঁজব।

ঠিক
তখনই
একজন
বাংলাদেশি
পরিচিত
ভাই
খুব
আন্তরিকভাবে
বললেন,
আমি
যেন
তাঁর
বাসায়
উঠি,
তারপর
বাসা
খুঁজি।
তাঁর
কথায়
নিশ্চিন্ত
হলাম।

কিন্তু
অস্ট্রেলিয়ায়
আসার
সময়
যত
ঘনিয়ে
এল,
উনি
ধীরে
ধীরে
যোগাযোগ
বন্ধ
করে
দিলেন।
ফোন
ধরেন
না,
মেসেজের
উত্তর
নেই।
তখনো
ভাবছি,
হয়তো
ব্যস্ত
আছেন।

মেলবোর্নে
পৌঁছানোর
পরদিনই
আমার
গোল্ডকোস্ট
ফ্লাইট।
তখনো
তাঁকে
পাচ্ছি
না।
শেষমেশ
অনেক
চেষ্টা
করে
যোগাযোগ
করতে
পারলাম।
তিনি
জানালেন,
তিনি
‘একটা
ঝামেলায়’
আছেন,
আমি
যেন
এয়ারবিএনবি
দেখি।

আমার
হাতে
তখন
২৪
ঘণ্টা
সময়ও
নেই,
রাত
১০টায়
আমার
ফ্লাইট
ল্যান্ড
করবে,
আর
আমি
হন্যে
হয়ে
তখন
এয়ারবিএনবি
খুঁজছি।


পরিস্থিতি
আমার
কাছে
যতটা
না
খারাপ
লেগেছিল,
তার
চেয়ে
বেশি
খারাপ
লেগেছিল
এই
অনুভূতিটা—যে
মানুষটা
নিজে
থেকে
আশ্বাস
দিয়েছিলেন,
তিনি
যে
কথা
রাখতে
পারছেন
না,
তা
বিন্দুমাত্র
জানানোর
প্রয়োজনও
মনে
করলেন
না!

পরে
বুঝেছি
যে
‘ঝামেলায়’
তিনি
ছিলেন,
তা
তাঁর
অনেক
আগের
পরিকল্পনায়
ছিল।
তিনি
যেহেতু
জানতেনই
অন্তত
সময়
থাকতে
জানালে
আমি
নিজেকে
প্রস্তুত
করতে
পারতাম।
তারপর
বাসা
পাওয়ার
আগপর্যন্ত
আমি
কী
কী
ঘটনার
মধ্য
দিয়ে
গেছি,
সে
গল্প
তোলা
থাক।