জামসাপুরের
বাসিন্দা
আবদুল
মতিন
বলেন,
‘ছয়-সাত
বছর
ধরে
ভাঙন
হলেও
গত
দুই-তিন
বছরে
তা
বেড়েছে।
রাস্তা
সংকুচিত
হয়ে
আমার
বাড়ির
গা
ঘেঁষে
এসেছে।
বর্ষায়
কয়েক
দিনের
জন্য
বস্তা
ফেললেও
পরে
আবার
আগের
অবস্থায়
ফিরে
যায়।’
আবদুল
মতিন
অভিযোগ
করে
বলেন,
নদীর
অপর
পাড়ে
মাগুরার
শ্রীপুরের
গোয়ালদা-ঘষিয়াল
চরে
সারা
বছর
বালু
উত্তোলনে
নদীর
তলদেশ
দুর্বল
হয়ে
ভাঙন
বাড়ছে।
এ
গ্রামের
অর্ধশতাধিক
পরিবার
ভাঙনঝুঁকিতে
আছে।
ভ্যানচালক
সোরাব
শেখ
বলেন,
রাস্তাটা
ভেঙে
একেবারে
নিচে
নেমে
যাচ্ছে।
বস্তা
দিয়ে
ঠেকিয়েও
এখন
ভ্যান
চলা
কঠিন।
মাঝেমাঝে
গাড়ি
উল্টে
যায়।
এডমিন 














