০৫:৩৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুড়ীতে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১১:৩৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • 9

মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৬ মে) উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কাদির নামের একজন ভোক্তভোগী। এ ঘটনায় উপজেলা জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মো. মনিরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে জুড়ী উপজেলায় কর্মরত থাকার সুবাদে হাকালুকি হাওর ও মৎস্য খেকোদের নিয়ে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করে হাওর লুটপাট করে আসছে এবং নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণে অর্থ লোপাট করেছে।

বিভিন্ন বিলে সরকারি জলমহাল নীতিমালা অমান্য করে সেচ মেশিন দিয়ে বিল শুকিয়ে মাছ আহরণের মাধ্যমে মৎস্য সম্পদ ধ্বংস করে আসছেন। বছরের পর বছর হাকালুকি হাওরের চাতলা, তুরল ও নাগুয়াবিলসহ বিভিন্ন বিলে প্রকাশ্যে ১০ থেকে ১৫ টি মেশিন দিয়ে বিল শুকিয়ে মৎস্য আহরণ করার অভিযোগ উঠলেও রহস্যজনক কারণে প্রশাসন নেয়নি কোন ব্যবস্থা। যার ফলে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠেন মৎস্য কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান।

তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর অবৈধ মৎস্য শিকার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পরিবর্তে ব্যক্তিগত সুবিধার বিনিময়ে তা পরোক্ষভাবে প্রশ্রয় দিয়ে আসছেন। বিশেষ করে অবৈধ কারেন্ট জালের ব্যবহার, প্রজনন মৌসুমে নির্বিচারে মাছ আহরণ এবং নিষিদ্ধ পদ্ধতিতে বিল সেচে মাছ শিকার- এ ধরনের কার্যক্রম চলমান থাকা সত্ত্বেও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। এসব বিষয় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

হাকালুকি হাওরের বিভিন্ন বিলে সরকারি বিধি অনুযায়ী মাছের সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক বংশবিস্তার নিশ্চিত করার কথা থাকলেও বাস্তবে তা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না। তদুপরি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামানের সহযোগিতায় ইজারাকৃত বিলগুলোতে নিয়মবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত মাছ আহরণ, সেচ/পাম্প মেশিন ব্যবহার করে পানি নিষ্কাশনের মাধ্যমে নির্বিচারে মাছ ধরা, এবং প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা গ্রহণের মতো অনিয়ম সংঘটিত হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে একদিকে যেমন সরকারের রাজস্ব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে হাওরের প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য ও মাছের প্রজনন প্রক্রিয়া মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে—যা পরিবেশ ও স্থানীয় মৎস্যসম্পদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

এছাড়া সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও এনজিও’র মাধ্যমে জুড়ীতে পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রমে ব্যাপক ও নিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। হাকালুকি হাওরের তোরল বিলের ইজারাদার ফয়েজ আহমেদ, জমির ও ছবির সম্প্রতি একাধিক শ্যালো মেশিন ব্যবহার করে বিল সেচ দিয়ে মাছ আহরণ করেছেন। এ কার্যক্রমটি সংশ্লিষ্ট মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতেই পরিচালিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে আহরিত মাছ জুড়ী শহরের বিভিন্ন বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয় এবং অনেকে মনে করছেন—এ ধরনের কার্যক্রম জলাশয় সংরক্ষণ নীতিমালা ও বিদ্যমান আইনবিধির পরিপন্থী।

অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও দোকানে অবাধে অবৈধ কারেন্ট জাল বিক্রি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এসব দোকান থেকে নিয়মিতভাবে মাসোয়ারা আদায় করা হয় এবং কেউ তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জাল জব্দের ঘটনা দেখান চতুর মৎস্য কর্মকর্তা। ‌একই সঙ্গে হাকালুকি হাওরে অবৈধ টানা জাল ব্যবহারকারী মৎস্য শিকারীদের কাছ থেকেও নিয়মিত অর্থ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে। এছাড়া কয়েক মাস আগে বাস্তবায়িত শুটকি প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ নিয়েও তার বিরুদ্ধে সমালোচনা রয়েছে, যা স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

উপজেলা পরিষদে কেবলমাত্র উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরেই শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) সুবিধা বিদ্যমান, অন্য কোনো কর্মকর্তার কক্ষে এ ধরনের সুবিধা নেই। এমন প্রেক্ষাপটে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান বিলের এক ইজারাদার জমিরের কাছ থেকে উৎকোচ হিসেবে একটি এসি গ্রহণ করেছেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। অনেকেই মনে করছেন, এ ধরনের অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ সরকারি দায়িত্বের স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার পরিপন্থী এবং প্রশাসনের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর।

গত ৫ মে জুড়ী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তাদের কে নিয়ে আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ নেতা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার আসামি হিসেবে পরিচিত এক বিলের ইজারাদার জমিরের ছোট বোন জামাই ফয়েজের বাড়িতে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ ভূরিভোজে অংশগ্রহণ করেন।

অভিযোগের বিষয়ে বিল সংশ্লিষ্ট ফয়েজ আহমেদ, জমির উদ্দিন ও ছবির মিয়া বলেন, জলমহাল নীতিমালা অনুযায়ী আমরা বিল পরিচালনা করে আসছি। আমাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয়।

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুঠোফোনে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি এসব অভিযোগের বিষয়ে অবগত নই।

অভিযোগের বিষয়ে মৌলভীবাজারের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক রুবেল মাহমুদ বলেন, মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাসুম/সাএ

ট্যাগঃ

জুড়ীতে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময়ঃ ১১:৩৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৬ মে) উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মনিরুজ্জামানের নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন কাদির নামের একজন ভোক্তভোগী। এ ঘটনায় উপজেলা জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মো. মনিরুজ্জামান দীর্ঘদিন ধরে জুড়ী উপজেলায় কর্মরত থাকার সুবাদে হাকালুকি হাওর ও মৎস্য খেকোদের নিয়ে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করে হাওর লুটপাট করে আসছে এবং নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণে অর্থ লোপাট করেছে।

বিভিন্ন বিলে সরকারি জলমহাল নীতিমালা অমান্য করে সেচ মেশিন দিয়ে বিল শুকিয়ে মাছ আহরণের মাধ্যমে মৎস্য সম্পদ ধ্বংস করে আসছেন। বছরের পর বছর হাকালুকি হাওরের চাতলা, তুরল ও নাগুয়াবিলসহ বিভিন্ন বিলে প্রকাশ্যে ১০ থেকে ১৫ টি মেশিন দিয়ে বিল শুকিয়ে মৎস্য আহরণ করার অভিযোগ উঠলেও রহস্যজনক কারণে প্রশাসন নেয়নি কোন ব্যবস্থা। যার ফলে আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠেন মৎস্য কর্মকর্তা মো: মনিরুজ্জামান।

তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর অবৈধ মৎস্য শিকার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পরিবর্তে ব্যক্তিগত সুবিধার বিনিময়ে তা পরোক্ষভাবে প্রশ্রয় দিয়ে আসছেন। বিশেষ করে অবৈধ কারেন্ট জালের ব্যবহার, প্রজনন মৌসুমে নির্বিচারে মাছ আহরণ এবং নিষিদ্ধ পদ্ধতিতে বিল সেচে মাছ শিকার- এ ধরনের কার্যক্রম চলমান থাকা সত্ত্বেও যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। এসব বিষয় প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

হাকালুকি হাওরের বিভিন্ন বিলে সরকারি বিধি অনুযায়ী মাছের সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক বংশবিস্তার নিশ্চিত করার কথা থাকলেও বাস্তবে তা যথাযথভাবে মানা হচ্ছে না। তদুপরি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামানের সহযোগিতায় ইজারাকৃত বিলগুলোতে নিয়মবহির্ভূতভাবে অতিরিক্ত মাছ আহরণ, সেচ/পাম্প মেশিন ব্যবহার করে পানি নিষ্কাশনের মাধ্যমে নির্বিচারে মাছ ধরা, এবং প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা গ্রহণের মতো অনিয়ম সংঘটিত হচ্ছে। এসব কর্মকাণ্ডের ফলে একদিকে যেমন সরকারের রাজস্ব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অন্যদিকে হাওরের প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্য ও মাছের প্রজনন প্রক্রিয়া মারাত্মক হুমকির মুখে পড়ছে—যা পরিবেশ ও স্থানীয় মৎস্যসম্পদের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

এছাড়া সরকারি বরাদ্দের পাশাপাশি বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও এনজিও’র মাধ্যমে জুড়ীতে পরিচালিত বিভিন্ন কার্যক্রমে ব্যাপক ও নিয়ম দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। হাকালুকি হাওরের তোরল বিলের ইজারাদার ফয়েজ আহমেদ, জমির ও ছবির সম্প্রতি একাধিক শ্যালো মেশিন ব্যবহার করে বিল সেচ দিয়ে মাছ আহরণ করেছেন। এ কার্যক্রমটি সংশ্লিষ্ট মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতেই পরিচালিত হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে আহরিত মাছ জুড়ী শহরের বিভিন্ন বাজারে প্রকাশ্যে বিক্রি করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয় এবং অনেকে মনে করছেন—এ ধরনের কার্যক্রম জলাশয় সংরক্ষণ নীতিমালা ও বিদ্যমান আইনবিধির পরিপন্থী।

অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, জুড়ী উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও দোকানে অবাধে অবৈধ কারেন্ট জাল বিক্রি হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এসব দোকান থেকে নিয়মিতভাবে মাসোয়ারা আদায় করা হয় এবং কেউ তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জাল জব্দের ঘটনা দেখান চতুর মৎস্য কর্মকর্তা। ‌একই সঙ্গে হাকালুকি হাওরে অবৈধ টানা জাল ব্যবহারকারী মৎস্য শিকারীদের কাছ থেকেও নিয়মিত অর্থ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামানের বিরুদ্ধে। এছাড়া কয়েক মাস আগে বাস্তবায়িত শুটকি প্রকল্পের অর্থ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও আত্মসাতের অভিযোগ নিয়েও তার বিরুদ্ধে সমালোচনা রয়েছে, যা স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

উপজেলা পরিষদে কেবলমাত্র উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দপ্তরেই শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) সুবিধা বিদ্যমান, অন্য কোনো কর্মকর্তার কক্ষে এ ধরনের সুবিধা নেই। এমন প্রেক্ষাপটে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান বিলের এক ইজারাদার জমিরের কাছ থেকে উৎকোচ হিসেবে একটি এসি গ্রহণ করেছেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। অনেকেই মনে করছেন, এ ধরনের অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ সরকারি দায়িত্বের স্বচ্ছতা ও নৈতিকতার পরিপন্থী এবং প্রশাসনের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর।

গত ৫ মে জুড়ী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তাদের কে নিয়ে আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ নেতা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলার আসামি হিসেবে পরিচিত এক বিলের ইজারাদার জমিরের ছোট বোন জামাই ফয়েজের বাড়িতে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ ভূরিভোজে অংশগ্রহণ করেন।

অভিযোগের বিষয়ে বিল সংশ্লিষ্ট ফয়েজ আহমেদ, জমির উদ্দিন ও ছবির মিয়া বলেন, জলমহাল নীতিমালা অনুযায়ী আমরা বিল পরিচালনা করে আসছি। আমাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয়।

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মুঠোফোনে বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি এসব অভিযোগের বিষয়ে অবগত নই।

অভিযোগের বিষয়ে মৌলভীবাজারের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক রুবেল মাহমুদ বলেন, মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মাসুম/সাএ