০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নেপালে পার্লামেন্ট পুনর্বহালের দাবি শীর্ষস্থানীয় আট দলের

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০০:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 28

নেপালের
প্রথম
সারির
আটটি
রাজনৈতিক
দল
দেশটির
সদ্য
বিলুপ্ত
পার্লামেন্ট
পুনর্বহালের
দাবি
জানিয়েছে।
তাঁদের
মতে,
প্রেসিডেন্টের
পার্লামেন্ট
বিলুপ্ত
ঘোষণা
অসাংবিধানিক।
এটা
করার
এখতিয়ার
তাঁর
নেই।
তা
করতে
হলে
জনগণের
ভোটে
নির্বাচিত
কোনো
প্রতিষ্ঠানের
মাধ্যমেই
তা
করতে
হবে।

শনিবারে
এক
যৌথ
বিবৃতিতে
দলগুলো
এই
দাবি
জানায়।
এতে
নেপাল
কংগ্রেস,
সিপিএন-ইউএমএল
এবং
মাওয়িস্ট
সেন্টারসহ
মোট
আটটি
দলের
প্রধান
হুইপ
সই
করেন।

পার্লামেন্ট
বিলুপ্ত
ঘোষণা
বিক্ষোভকারীদের
অন্যতম
প্রধান
দাবি
ছিল।
শেষ
খবর
পাওয়া
পর্যন্ত
প্রেসিডেন্ট
রামচন্দ্র
পাওদেল
রাজনৈতিক
দলগুলোর
দাবি
নিয়ে
প্রকাশ্যে
কোনো
মন্তব্য
করেননি।

নেপালের
ক্ষমতাচ্যুত
প্রধানমন্ত্রী
কে
পি
শর্মা
অলির
সরকার
গত

সেপ্টেম্বর
২৬টি
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম

বার্তা
আদান-প্রদানের
অ্যাপ
নিষিদ্ধ
করে।
সরকারের
দাবি
ছিল,
নির্দিষ্ট
সময়ের
মধ্যে
শর্ত
মেনে
কোম্পানিগুলো
নিবন্ধন
করেনি।
তাই
তাদের
বন্ধ
করে
দেওয়া
হয়েছে।
বন্ধ
হয়ে
যাওয়া
অ্যাপগুলোর
মধ্যে
ফেসবুক,
ইনস্টাগ্রাম,
ইউটিউব,
এক্স
এবং
লিঙ্কডইন
অন্যতম।
তবে
নিবন্ধন
করায়
টিকটক

ভাইভারসহ
পাঁচটি
অ্যাপ
চালু
ছিল।

ট্যাগঃ

সহিংসতায় উসকানির মামলায় ইউটিউবার-সাংবাদিকসহ ৭ জনের ‘ডাবল’ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

নেপালে পার্লামেন্ট পুনর্বহালের দাবি শীর্ষস্থানীয় আট দলের

আপডেট সময়ঃ ১২:০০:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নেপালের
প্রথম
সারির
আটটি
রাজনৈতিক
দল
দেশটির
সদ্য
বিলুপ্ত
পার্লামেন্ট
পুনর্বহালের
দাবি
জানিয়েছে।
তাঁদের
মতে,
প্রেসিডেন্টের
পার্লামেন্ট
বিলুপ্ত
ঘোষণা
অসাংবিধানিক।
এটা
করার
এখতিয়ার
তাঁর
নেই।
তা
করতে
হলে
জনগণের
ভোটে
নির্বাচিত
কোনো
প্রতিষ্ঠানের
মাধ্যমেই
তা
করতে
হবে।

শনিবারে
এক
যৌথ
বিবৃতিতে
দলগুলো
এই
দাবি
জানায়।
এতে
নেপাল
কংগ্রেস,
সিপিএন-ইউএমএল
এবং
মাওয়িস্ট
সেন্টারসহ
মোট
আটটি
দলের
প্রধান
হুইপ
সই
করেন।

পার্লামেন্ট
বিলুপ্ত
ঘোষণা
বিক্ষোভকারীদের
অন্যতম
প্রধান
দাবি
ছিল।
শেষ
খবর
পাওয়া
পর্যন্ত
প্রেসিডেন্ট
রামচন্দ্র
পাওদেল
রাজনৈতিক
দলগুলোর
দাবি
নিয়ে
প্রকাশ্যে
কোনো
মন্তব্য
করেননি।

নেপালের
ক্ষমতাচ্যুত
প্রধানমন্ত্রী
কে
পি
শর্মা
অলির
সরকার
গত

সেপ্টেম্বর
২৬টি
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম

বার্তা
আদান-প্রদানের
অ্যাপ
নিষিদ্ধ
করে।
সরকারের
দাবি
ছিল,
নির্দিষ্ট
সময়ের
মধ্যে
শর্ত
মেনে
কোম্পানিগুলো
নিবন্ধন
করেনি।
তাই
তাদের
বন্ধ
করে
দেওয়া
হয়েছে।
বন্ধ
হয়ে
যাওয়া
অ্যাপগুলোর
মধ্যে
ফেসবুক,
ইনস্টাগ্রাম,
ইউটিউব,
এক্স
এবং
লিঙ্কডইন
অন্যতম।
তবে
নিবন্ধন
করায়
টিকটক

ভাইভারসহ
পাঁচটি
অ্যাপ
চালু
ছিল।