০৪:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চার আসনে বিক্ষোভ, ফরিদপুরে সংঘর্ষ, আহত ২৩

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০১:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • 13

প্রত্যক্ষদর্শী
কয়েকজন
বলেন,
বিপ্লব

সংহতি
দিবস
উপলক্ষে
বেলা
তিনটার
দিকে
শামসুদ্দীন
মিয়ার
সমর্থকেরা
ওয়াপদার
মোড়
এলাকায়

নাসিরুল
ইসলামের
সমর্থকেরা
প্রায়
এক
কিলোমিটার
দূরে
কাজী
সিরাজুল
ইসলাম
মহিলা
কলেজ
মোড়ে
জড়ো
হন।
তাঁদের
হাতে
বাঁশের
লাঠির
মাথায়
ধানের
শীষ
বাঁধা
ছিল।
বিকেল
চারটার
দিকে
নাসিরুল
ইসলামের
অনুসারীরা
মিছিল
নিয়ে
ওয়াপদার
মোড়ের
দিকে
এগোতে
থাকেন।
তখন
শামসুদ্দীনের
সমর্থকেরা
কলেজের
দিকে
যেতে
থাকেন।
উভয়
পক্ষ
বোয়ালমারী
পৌরসভার
সামনে
এলে
পরস্পরের
দিকে
ইট-পাটকেল
নিক্ষেপ
করতে
শুরু
করে।
একপর্যায়ে
শামসুদ্দীনের
সমর্থকেরা
পিছু
হটে
ওয়াপদার
মোড়ে
হারুন
শপিং
কমপ্লেক্সের
সামনে
অবস্থান
নেন।

শামসুদ্দীন
মিয়া
প্রথম
আলোর
কাছে
দাবি
করেন,
নাসিরুলের
লোকজন
আওয়ামী
লীগের
লোকদের
সঙ্গে
নিয়ে
অতর্কিতে
তাদের
ওপর
হামলা
চালিয়েছে।
১০টি
মোটরসাইকেলে
আগুন
দিয়েছে।
এতে
তাঁর
১৫
জন
সমর্থক
আহত
হয়েছেন।
তাদের
কার্যালয়ে
থাকা
বেগম
খালেদা
জিয়ার
ছবি
ভাঙচুর
করা
হয়েছে।

তবে
খন্দকার
নাসিরুল
ইসলাম
প্রথম
আলোকে
বলেন,
‘আমি
ছিলাম
মধুখালী।
আমাদের
লোকজনের
ওপর
হামলা
করা
হয়েছে।
একজনকে
কুপিয়ে
জখম
করেছে।
ওরা
হারুন
শপিং
কমপ্লেক্সের
ওপরে
উঠে
আমার
সমর্থদের
ওপর
ইট
ছুড়ে
মারলে
চার-পাঁচজন
আহত
হন।
এতে
জনতা
ক্ষিপ্ত
হয়ে
শপিং
কমপ্লেক্সে
হামলা
করে।’

বোয়ালমারী
থানার
ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা
(ওসি)
মাহমুদুল
হাসান
সন্ধ্যা
ছয়টার
দিকে
প্রথম
আলোকে
বলেন,
বর্তমানে
পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে
আছে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

টঙ্গীতে দুই পোশাক কারখানার শতাধিক শ্রমিক হঠাৎ অসুস্থ

চার আসনে বিক্ষোভ, ফরিদপুরে সংঘর্ষ, আহত ২৩

আপডেট সময়ঃ ১২:০১:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

প্রত্যক্ষদর্শী
কয়েকজন
বলেন,
বিপ্লব

সংহতি
দিবস
উপলক্ষে
বেলা
তিনটার
দিকে
শামসুদ্দীন
মিয়ার
সমর্থকেরা
ওয়াপদার
মোড়
এলাকায়

নাসিরুল
ইসলামের
সমর্থকেরা
প্রায়
এক
কিলোমিটার
দূরে
কাজী
সিরাজুল
ইসলাম
মহিলা
কলেজ
মোড়ে
জড়ো
হন।
তাঁদের
হাতে
বাঁশের
লাঠির
মাথায়
ধানের
শীষ
বাঁধা
ছিল।
বিকেল
চারটার
দিকে
নাসিরুল
ইসলামের
অনুসারীরা
মিছিল
নিয়ে
ওয়াপদার
মোড়ের
দিকে
এগোতে
থাকেন।
তখন
শামসুদ্দীনের
সমর্থকেরা
কলেজের
দিকে
যেতে
থাকেন।
উভয়
পক্ষ
বোয়ালমারী
পৌরসভার
সামনে
এলে
পরস্পরের
দিকে
ইট-পাটকেল
নিক্ষেপ
করতে
শুরু
করে।
একপর্যায়ে
শামসুদ্দীনের
সমর্থকেরা
পিছু
হটে
ওয়াপদার
মোড়ে
হারুন
শপিং
কমপ্লেক্সের
সামনে
অবস্থান
নেন।

শামসুদ্দীন
মিয়া
প্রথম
আলোর
কাছে
দাবি
করেন,
নাসিরুলের
লোকজন
আওয়ামী
লীগের
লোকদের
সঙ্গে
নিয়ে
অতর্কিতে
তাদের
ওপর
হামলা
চালিয়েছে।
১০টি
মোটরসাইকেলে
আগুন
দিয়েছে।
এতে
তাঁর
১৫
জন
সমর্থক
আহত
হয়েছেন।
তাদের
কার্যালয়ে
থাকা
বেগম
খালেদা
জিয়ার
ছবি
ভাঙচুর
করা
হয়েছে।

তবে
খন্দকার
নাসিরুল
ইসলাম
প্রথম
আলোকে
বলেন,
‘আমি
ছিলাম
মধুখালী।
আমাদের
লোকজনের
ওপর
হামলা
করা
হয়েছে।
একজনকে
কুপিয়ে
জখম
করেছে।
ওরা
হারুন
শপিং
কমপ্লেক্সের
ওপরে
উঠে
আমার
সমর্থদের
ওপর
ইট
ছুড়ে
মারলে
চার-পাঁচজন
আহত
হন।
এতে
জনতা
ক্ষিপ্ত
হয়ে
শপিং
কমপ্লেক্সে
হামলা
করে।’

বোয়ালমারী
থানার
ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা
(ওসি)
মাহমুদুল
হাসান
সন্ধ্যা
ছয়টার
দিকে
প্রথম
আলোকে
বলেন,
বর্তমানে
পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণে
আছে।