শহরে
সবে
সন্ধ্যা
নেমেছে।
বাইরে
আলো-আঁধারির
মিতালি,
ভেতরে
প্রস্তুত
অন্য
আলোয়
ভেসে
যাওয়ার
আয়োজন।
হঠাৎ
মঞ্চের
আলোকচ্ছটা
বদলে
গেল।
ভেসে
এল
সুরের
মূর্ছনা।
শুরু
হলো
রং,
নকশা
আর
তারুণ্যের
এক
বর্ণিল
উপস্থাপনা।
এই
উপস্থাপনা
দেখা
গেল
গতকাল
সোমবার।
চট্টগ্রাম
নগরের
হোটেল
র্যাডিসন
ব্লু
বে
ভিউর
মেজবান
হলে
বসেছিল
‘আদি
মোহিনী
মোহন
কাঞ্জিলাল-প্রথম
আলো
ঈদ
ফ্যাশন’
আয়োজন।
দুই
ঘণ্টার
এই
আয়োজনে
সুর,
নৃত্য
ও
ফ্যাশন
মিলে
তৈরি
করে
উৎসবের
আবহ।
ঈদ
সামনে
রেখে
নতুন
পোশাকের
ধারা
দেখতে
সেখানে
ভিড়
করেন
বন্দরনগরের
ফ্যাশনপ্রেমীরা।
চট্টগ্রামে
এ
আয়োজন
নতুন
নয়।
১৯৯৮
সালে
শুরুর
পর
থেকে
নিয়মিতভাবেই
ঈদকে
ঘিরে
এই
ফ্যাশন
আসর
বসছে।
এবার
ছিল
২৫তম
আয়োজন।
অংশ
নেন
সাতজন
নির্বাচিত
ডিজাইনার।
তাঁরা
হলেন
ফারজানা
মালিক,
সুলতানা
নুরজাহান
রোজী,
সায়মা
সুলতানা,
এইচ
এম
ইলিয়াছ,
আইভি
হাসান,
নূজহাত
নূয়েরী
কৃষ্টি
ও
নাসরিন
সরওয়ার
মেঘলা।
তাঁদের
নকশায়
ফুটে
ওঠে
আসন্ন
ঈদের
আবহ,
সময়ের
ধারা
আর
ঐতিহ্যের
ছোঁয়া।
অনুষ্ঠানের
শুরুতে
স্বাগত
বক্তব্য
দেন
প্রথম
আলোর
যুগ্ম
সম্পাদক
বিশ্বজিৎ
চৌধুরী।
তিনি
বলেন,
‘সমাজে
ইতিবাচক
উদ্যোগের
অংশ
হিসেবেই
প্রথম
আলো
নানা
আয়োজন
করে
থাকে।
কৃতী
শিক্ষার্থী
সংবর্ধনা,
শিক্ষক
সম্মাননাসহ
বিভিন্ন
উদ্যোগ
তার
উদাহরণ।
ঈদ
ফ্যাশনও
সেই
ধারার
একটি
আয়োজন।
প্রতিবছর
এই
অনুষ্ঠানের
জন্য
চট্টগ্রামের
ফ্যাশনপ্রেমীরা
অপেক্ষা
করেন।
এই
মঞ্চ
থেকেই
অনেক
ডিজাইনারের
পথচলা
শুরু
হয়েছে।
নতুনদের
অনুপ্রেরণা
জোগানোই
আমাদের
মূল
লক্ষ্য।’
এডমিন 














