এর
আগে
শাহবাগ
থানার
পুলিশ
পরিদর্শক
আসাদুজ্জামান
গত
বছরের
১
জানুয়ারি
২১
জনকে
অভিযুক্ত
করে
আদালতে
অভিযোগপত্র
জমা
দেন।
অপর
আসামিদের
জবানবন্দিতে
নাম
আসা
আটজনকে
এ
মামলা
থেকে
অব্যাহতি
দেওয়ায়
মামলার
বাদী
নারাজি
দেন।
আদালত
বাদীর
নারাজির
ওপর
শুনানি
নিয়ে
গত
বছরের
২৬
ফেব্রুয়ারি
অধিকতর
তদন্তের
জন্য
নির্দেশ
দেন।
সম্পূরক
অভিযোগপত্রে
নাম
আসা
আসামিরা
হলেন
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের
পদার্থবিজ্ঞান
বিভাগের
শিক্ষার্থী
জালাল
মিয়া
(২৬);
মৃত্তিকা,
পানি
ও
পরিবেশ
বিভাগের
সুমন
মিয়া
(২১);
পুষ্টি
ও
খাদ্যবিজ্ঞান
ইনস্টিটিউটের
মোত্তাকিন
সাকিন
শাহ
(২৪);
ভূগোল
বিভাগের
আল
হোসেন
সাজ্জাদ
(২৩);
ফজলুল
হক
মুসলিম
হলের
আবাসিক
শিক্ষার্থী
আহসান
উল্লাহ
ওরফে
বিপুল
শেখ
(২৪),
ওয়াজিবুল
আলম
(২২),
ফিরোজ
কবির
(২৩),
আব্দুস
সামাদ
(২৪),
সাকিব
রায়হান
(২২),
ইয়াছিন
আলী
গাইন
(২১),
ইয়ামুজ্জামান
ওরফে
ইয়াম
(২২),
ফজলে
রাব্বি
(২৪),
শাহরিয়ার
কবির
শোভন
(২৪),
মেহেদী
হাসান
ইমরান
(২৫),
রাতুল
হাসান
(২০),
সুলতান
মিয়া
(২৪),
নাসির
উদ্দীন
(২৩),
মোবাশ্বের
বিল্লাহ
(২৫),
শিশির
আহমেদ
(২২),
মহসিন
উদ্দিন
ওরফে
শাফি
(২৩),
আব্দুল্লাহিল
কাফি
(২১),
শেখ
রমজান
আলী
(২৫),
রাশেদ
কামাল
অনিক
(২৩),
মো.
মনিরুজ্জামান
সোহাগ
(২৪),
আবু
রায়হান
(২৩),
রেদোয়ানুর
রহমান
পারভেজ
(২৪),
রাব্বিকুল
রিয়াদ
(২৩)
ও
আশরাফ
আলী
মুন্সী
(২৬)।
এডমিন 













