আয়োজক
কানিজ
আহমেদের
পরিকল্পনা
ও
ব্যবস্থাপনায়
অনুষ্ঠানটি
ছিল
ছিমছাম
ও
গোছানো।
সময়ানুবর্তিতা,
মঞ্চসজ্জা
ও
আলোক
ব্যবস্থাপনায়
ছিল
পেশাদারত্বের
ছাপ।
অতিরিক্ত
আড়ম্বরের
পরিবর্তে
সংগীতকেই
প্রাধান্য
দেওয়া
হয়েছে
পুরো
আয়োজনে।
অনুষ্ঠান
শেষে
দর্শকসারিতে
থাকা
সিডনিপ্রবাসী
জ্যেষ্ঠ
প্রযুক্তিবিদ
মোস্তফা
আবদুল্লাহ
বলেন,
‘পুরোনো
দিনের
গানগুলো
শুনে
মনে
হচ্ছিল
যেন
শৈশবে
ফিরে
গেছি।
এহসানের
গায়কি
ও
মঞ্চে
তাঁর
উপস্থিতি
অসাধারণ।
এমন
গোছানো
অনুষ্ঠান
অনেক
দিন
দেখিনি।’
প্রবাসের
মাটিতে
এমন
আয়োজন
শুধু
বিনোদনের
পরিসর
তৈরি
করে
না,
বরং
সাংস্কৃতিক
বন্ধনও
দৃঢ়
করে—এমনটাই
মনে
করছেন
আয়োজকেরা।
তাঁদের
ভাষ্য,
প্রবাসে
বেড়ে
ওঠা
নতুন
প্রজন্মকে
বাংলা
গান
ও
সংস্কৃতির
সঙ্গে
পরিচিত
রাখাই
এ
ধরনের
অনুষ্ঠানের
বড়
উদ্দেশ্য।
এডমিন 















