বিজ্ঞানী
উইকেলস্কি
বলেন,
এই
পর্যবেক্ষণ
সম্মিলিত
আচরণ
তত্ত্বের
সঙ্গে
সামঞ্জস্যপূর্ণ।
কোনো
এলাকায়
যখন
স্তন্যপায়ী
প্রাণী,
পাখি,
পোকামাকড়
ও
মাছ
একসঙ্গে
থাকে,
তখন
তাদের
মধ্যে
তথ্য
আদান–প্রদান
ঘটে।
সম্মিলিতভাবে
বেঁচে
থাকার
দক্ষতা
উন্নত
করে
প্রাণীরা।
এমন
আচরণ
একই
প্রজাতি
বা
বিভিন্ন
প্রজাতির
মধ্যে
দেখা
যায়।
খামারে
থাকা
প্রাণীদের
কম্পনের
১
থেকে
২০
ঘণ্টা
আগেই
অনুমান
করতে
দেখা
যায়।
উৎসের
যত
কাছাকাছি
ছিল,
তারা
তত
তাড়াতাড়ি
প্রতিক্রিয়া
দেখায়।
বিজ্ঞানীরা
দাবি
করেছেন,
প্রাণীরা
কোনোভাবে
একটি
সংকেত
অনুভব
করে,
যা
বাইরে
ছড়িয়ে
পড়ে।
২০১০
সালের
এক
গবেষণার
তথ্যমতে,
ভূকম্পনের
সময়
শিলা
থেকে
খনিজ
পদার্থ
মুক্ত
হয়ে
বাতাসে
আয়ন
নির্গত
করে।
প্রাণীরা
তখন
এই
নতুন
সংবেদনের
প্রতি
প্রতিক্রিয়া
জানায়।
বিভিন্ন
গবেষণাপত্র
বিশ্লেষণ
করে
দেখা
যায়,
ভূমিকম্প
বা
যেকোনো
প্রাকৃতিক
দুর্যোগের
সময়
প্রাণীর
আচরণের
ভিন্নতার
সম্পর্ক
পাওয়া
যায়।
এসব
বিষয়
এখনো
পুরোপুরি
প্রমাণিত
নয়,
তবুও
অনেক
বিজ্ঞানী
এমন
আচরণকে
ভূমিকম্পের
পূর্বাভাস
বোঝার
ক্ষেত্রে
একটি
গুরুত্বপূর্ণ
পদক্ষেপ
হিসেবে
দেখছেন।
সূত্র:
সায়েন্টিফিক
আমেরিকান
এডমিন 
















