১২:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঢাকায় রানি এলিজাবেথ

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 17

অনুষ্ঠান
শেষে
বাইরে
বেরিয়ে
আসেন
সাইদা
খানম।
রানিকে
দেখার
জন্য
তখন
সমুদ্রের
ঢেউয়ের
মতো
মানুষ
ছুটে
আসছে।
রানি
ততক্ষণে
উধাও।
মানুষের
ধাক্কায়
নিচে
পড়ে
গেলেন
সাইদা
খানম।
একজন
ফটোসাংবাদিক
দ্রুত
এসে
তাঁকে
উঠতে
সাহায্য
না
করলে
তিনি
সেদিন
পদপিষ্ট
হয়ে
মারা
যেতেন।

পরদিন
রানি
গেলেন
চট্টগ্রামে।
সেখান
থেকে
ফিরে
বের
হলেন
নৌভ্রমণে।
তখন
বুড়িগঙ্গা

শীতলক্ষ্যার
সৌন্দর্য
ছিল
অন্যরকম।
বুড়িগঙ্গার
নির্মল
ঢেউ
দুই
পারের
সবুজ
ছুঁয়ে
যেত।
পালতোলা
নাওয়ের
ওপর
দিয়ে
উড়ে
যেত
বকের
সারি।
‘মেরী
এন্ডারসন’
নামে
যে
স্টিমারে
যাচ্ছিলেন
রানি,
তার
পাশের
লঞ্চে
ছিলেন
সাইদা
খানমসহ
অন্য
আলোকচিত্রীরা।
নদীর
দুই
তীরে
অগণিত
মানুষ
হাত
নেড়ে,
ঢোল
বাজিয়ে
রানিকে
অভিনন্দন
জানাচ্ছে।
রানিও
মাঝেমধ্যে
হাত
নাড়ছেন।
ভ্রমণ
শেষে
রানি
যান
আদমজী
জুট
মিলে।
সেখানে
একটা
বিশেষ
জায়গা
বেছে
নেন;
যেখান
থেকে
রানিকে
কাছাকাছি
ফ্রেমে
ধরা
যাবে।
রানি
তাঁর
সামনে
দিয়েই
হেঁটে
গেলেন।
এত
কাছ
থেকে
ছবি
তুলতে
পারবেন,
ভাবতেও
পারেননি
সাইদা
খানম।

বিদায়ের
আগের
দিন
রানিকে
দেখা
গেল
অন্য
মাধুর্যে।
রাতে
গভর্নর
হাউসে
ছিল
রানির
ডিনার
পার্টি।
সন্ধ্যার
আগে
আগে
রাস্তার
দুই
পাশে
মালার
মতো
আলো
জ্বলে
উঠল।
হোম
ইকোনমিকস
কলেজের
আমেরিকান
উপদেষ্টা
ডরিস
হ্যানসনকে
সঙ্গে
নিয়ে
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের
কার্জন
হলের
সামনে
দাঁড়িয়ে
ছিলেন
সাইদা
খানম।
রানির
হুড
খোলা
গাড়ি
ধীরে
ধীরে
সামনের
দিকে
আসছে।
রানি
মাথায়
হীরা
বসানো
সরু
রাজকীয়
মুকুট
আর
গলায়
হীরার
নেকলেস।
রানিকে
রানির
সাজে
দেখলেন
সবাই।
আর
সেই
দৃশ্য
বন্দী
হলো
সাইদা
খানমের
ক্যামেরায়।

ট্যাগঃ

যুক্তরাষ্ট্রে ডেনিম রপ্তানিতে বাংলাদেশের রেকর্ড প্রবৃদ্ধি

ঢাকায় রানি এলিজাবেথ

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

অনুষ্ঠান
শেষে
বাইরে
বেরিয়ে
আসেন
সাইদা
খানম।
রানিকে
দেখার
জন্য
তখন
সমুদ্রের
ঢেউয়ের
মতো
মানুষ
ছুটে
আসছে।
রানি
ততক্ষণে
উধাও।
মানুষের
ধাক্কায়
নিচে
পড়ে
গেলেন
সাইদা
খানম।
একজন
ফটোসাংবাদিক
দ্রুত
এসে
তাঁকে
উঠতে
সাহায্য
না
করলে
তিনি
সেদিন
পদপিষ্ট
হয়ে
মারা
যেতেন।

পরদিন
রানি
গেলেন
চট্টগ্রামে।
সেখান
থেকে
ফিরে
বের
হলেন
নৌভ্রমণে।
তখন
বুড়িগঙ্গা

শীতলক্ষ্যার
সৌন্দর্য
ছিল
অন্যরকম।
বুড়িগঙ্গার
নির্মল
ঢেউ
দুই
পারের
সবুজ
ছুঁয়ে
যেত।
পালতোলা
নাওয়ের
ওপর
দিয়ে
উড়ে
যেত
বকের
সারি।
‘মেরী
এন্ডারসন’
নামে
যে
স্টিমারে
যাচ্ছিলেন
রানি,
তার
পাশের
লঞ্চে
ছিলেন
সাইদা
খানমসহ
অন্য
আলোকচিত্রীরা।
নদীর
দুই
তীরে
অগণিত
মানুষ
হাত
নেড়ে,
ঢোল
বাজিয়ে
রানিকে
অভিনন্দন
জানাচ্ছে।
রানিও
মাঝেমধ্যে
হাত
নাড়ছেন।
ভ্রমণ
শেষে
রানি
যান
আদমজী
জুট
মিলে।
সেখানে
একটা
বিশেষ
জায়গা
বেছে
নেন;
যেখান
থেকে
রানিকে
কাছাকাছি
ফ্রেমে
ধরা
যাবে।
রানি
তাঁর
সামনে
দিয়েই
হেঁটে
গেলেন।
এত
কাছ
থেকে
ছবি
তুলতে
পারবেন,
ভাবতেও
পারেননি
সাইদা
খানম।

বিদায়ের
আগের
দিন
রানিকে
দেখা
গেল
অন্য
মাধুর্যে।
রাতে
গভর্নর
হাউসে
ছিল
রানির
ডিনার
পার্টি।
সন্ধ্যার
আগে
আগে
রাস্তার
দুই
পাশে
মালার
মতো
আলো
জ্বলে
উঠল।
হোম
ইকোনমিকস
কলেজের
আমেরিকান
উপদেষ্টা
ডরিস
হ্যানসনকে
সঙ্গে
নিয়ে
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের
কার্জন
হলের
সামনে
দাঁড়িয়ে
ছিলেন
সাইদা
খানম।
রানির
হুড
খোলা
গাড়ি
ধীরে
ধীরে
সামনের
দিকে
আসছে।
রানি
মাথায়
হীরা
বসানো
সরু
রাজকীয়
মুকুট
আর
গলায়
হীরার
নেকলেস।
রানিকে
রানির
সাজে
দেখলেন
সবাই।
আর
সেই
দৃশ্য
বন্দী
হলো
সাইদা
খানমের
ক্যামেরায়।