আমাদের
রোজা
কেবল
না
খেয়ে
থাকা
নয়।
যদি
আমাদের
আচরণ
বা
আদব
সুন্দর
না
হয়,
তবে
সেই
রোজার
আধ্যাত্মিক
মূল্য
কমে
যায়।
রাসুলুল্লাহ
(সা.)
বলেছেন,
‘যে
ব্যক্তি
মিথ্যা
কথা
বলা
এবং
সে
অনুযায়ী
কাজ
করা
বর্জন
করেনি,
তার
পানাহার
ত্যাগ
করায়
আল্লাহর
কোনো
প্রয়োজন
নেই’
(সহিহ
বুখারি
৬০৫৭)।
-
রাগ
নিয়ন্ত্রণ:
আপনার
যদি
অল্পতেই
রেগে
যাওয়ার
প্রবণতা
থাকে,
তবে
আজ
থেকেই
তা
নিয়ন্ত্রণের
প্র্যাকটিস
শুরু
করুন। -
মুখের
হেফাজত:
গিবত
(পরনিন্দা),
মন্দ
কথা
এবং
মিথ্যা
থেকে
জবানকে
পবিত্র
রাখুন। -
নবীজির
আদর্শ:
রাসুলুল্লাহ
(সা.)
কীভাবে
মানুষের
সঙ্গে
কথা
বলতেন
এবং
রাগ
নিয়ন্ত্রণ
করতেন,
তা
নিয়ে
পড়াশোনা
করুন।
রমজানের
প্রস্তুতির
জন্য
খুব
বড়
কোনো
আনুষ্ঠানিকতার
প্রয়োজন
নেই।
বরং
আমাদের
দৈনন্দিন
ইবাদতের
মৌলিক
বিষয়গুলোতে
(সততা,
মনোযোগ,
নিয়ত
ও
সুন্দর
আচরণ)
ফিরে
আসাই
হলো
আসল
প্রস্তুতি।
আল্লাহ
আমাদের
সবাইকে
সুস্থতার
সঙ্গে
রমজান
পর্যন্ত
পৌঁছে
দিন
এবং
আমাদের
সকল
ইবাদত
কবুল
করুন।
আমিন।
এডমিন 














