ট্রাম্প
আরও
বলেন,
কিউবা
বহু
বছর
ধরে
ভেনেজুয়েলার
বিপুল
পরিমাণ
তেল
ও
অর্থের
ওপর
নির্ভর
করে
টিকে
ছিল।
এর
বিনিময়ে
দেশটি
ভেনেজুয়েলার
‘স্বৈরশাসকদের’
নিরাপত্তা
দিয়ে
আসছিল।
তবে
চলতি
বছরের
শুরুতে
মার্কিন
বাহিনীর
হাতে
ভেনেজুয়েলার
প্রেসিডেন্ট
নিকোলা
মাদুরো
আটক
হওয়ার
পর
থেকে
দেশটিতে
কিউবার
তেলের
সরবরাহ
পুরোপুরি
বন্ধ
হয়ে
গেছে।
ট্রাম্পের
এই
হুমকির
জবাবে
কিউবার
প্রেসিডেন্ট
দিয়াজ-ক্যানেল
এক্সে
(সাবেক
টুইটার)
বলেন,
‘কিউবা
একটি
মুক্ত,
স্বাধীন
ও
সার্বভৌম
রাষ্ট্র।
আমরা
কী
করব
না
করব,
তা
কেউ
বলে
দিতে
পারে
না।
৬৬
বছর
ধরে
কিউবা
মার্কিন
আক্রমণের
শিকার
হয়েছে।
কিউবা
কাউকে
হুমকি
দেয়
না,
তবে
মাতৃভূমি
রক্ষায়
শেষ
রক্তবিন্দু
দিয়ে
লড়তে
প্রস্তুত।’
একই
সুরে
কথা
বলেছেন
দেশটির
পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্রুনো
রদ্রিগেজও।
তিনি
বলেন,
বিশ্বের
যেকোনো
দেশের
কাছ
থেকে
জ্বালানি
আমদানির
অধিকার
কিউবার
আছে
এবং
কোনো
সামরিক
চাপের
কাছে
তারা
নতি
স্বীকার
করবে
না।
এডমিন 














