শুনানিতে
রাষ্ট্রপক্ষের
আইনজীবী
বলেন,
‘আসামি
মালয়েশিয়ায়
আমাদের
দেশের
ভাবমূর্তি
ক্ষুণ্ন
করেছে।
তাঁর
কারণে
আমাদের
দেশের
শ্রমবাজারে
সমস্যা
হয়েছে।
তিনি
জঙ্গি
কার্যক্রমের
সঙ্গে
জড়িত
থাকার
কারণে
ওই
দেশে
জেল
খেটেছেন।
মালয়েশিয়ায়
তাঁর
কার্যক্রম
সম্পর্কে
জানার
জন্য
পাঁচ
দিনের
রিমান্ড
চাইছি।’
পরে
বিচারক
আসামির
উদ্দেশে
বলেন,
‘মালয়েশিয়ায়
কী
কাজ
করতেন?’
আসামি
বলেন,
‘কোম্পানির
কাজ
করতাম।’
মালয়েশিয়ায়
কারও
সঙ্গে
যোগাযোগ
আছে
কি
না
জানতে
চান
বিচারক।
তখন
আসামি
বলেন,
‘না,
না।
আমি
শুধু
(সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে)
পোস্ট
করতাম।’
‘কেন
পোস্ট
করতেন’—বিচারকের
এমন
প্রশ্নে
আসামি
কোনো
উত্তর
দিতে
পারেননি।
পরে
বিচারক
দুদিনের
রিমান্ড
মঞ্জুর
করেন
বিচারক।
এডমিন 


















