০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভেনেজুয়েলা থেকে বেড়েছে ভারতের তেল আমদানি, ভূরাজনীতিতে কিসের ইঙ্গিত

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬
  • 7


কেন
ভেনেজুয়েলার
দিকে
ঝুঁকছে
যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন
জ্বালানি
তথ্য
প্রশাসনের
(ইআইএ)
তথ্য
অনুযায়ী,
ভেনেজুয়েলায়
৩০৩
বিলিয়ন
ব্যারেল
প্রমাণিত
তেলের
মজুত
রয়েছে।
কিন্তু
দীর্ঘদিনের
মার্কিন
নিষেধাজ্ঞার
কারণে
দেশটি
বর্তমানে
বৈশ্বিক
সরবরাহের

শতাংশেরও
কম
তেল
উৎপাদন
করে।

২০০৭
সালে
সাবেক
প্রেসিডেন্ট
হুগো
চাভেজ
ভেনেজুয়েলার
তেল
খাতের
বড়
অংশ
জাতীয়করণ
করেন।
বিদেশি
করপোরেশনের
মুনাফা
কমিয়ে
সামাজিক
ব্যয়
বাড়ানোর
উদ্যোগ
নেন
তিনি।
এর
জবাবে
ওয়াশিংটন
সময়-সময়
কঠোর
নিষেধাজ্ঞা
আরোপ
করে।
ফলে
ভেনেজুয়েলার
তেল
রপ্তানি

আন্তর্জাতিক
অর্থায়ন
পাওয়া
অত্যন্ত
কঠিন
হয়ে
পড়ে।

বর্তমানে
ভেনেজুয়েলায়
কার্যক্রম
চালানো
একমাত্র
বড়
মার্কিন
তেল
কোম্পানি
শেভরন।
রাষ্ট্রীয়
তেল
কোম্পানি
পিডিভিএসএর
সঙ্গে
যৌথ
উদ্যোগে
তারা
প্রতিদিন
প্রায়
আড়াই
লাখ
ব্যারেল
তেল
উৎপাদন
করছে।

নিউইয়র্ক
টাইমসের
তথ্য
অনুযায়ী,
প্রায়
দুই
দশক
পর
এক্সনমোবিল
ভেনেজুয়েলায়
ফিরছে।

নিয়ে
চুক্তি
প্রায়
হলো
বলে।

সমালোচকেরা
বলছেন,
মাদুরোর
বিরুদ্ধে
যুক্তরাষ্ট্রের
অভিযান
কেবল
গণতন্ত্র
বা
মানবাধিকারের
প্রশ্ন
ছিল
না;
বরং
এর
পেছনে
রয়েছে
আরও
নিগূঢ়
ভূরাজনীতি

অর্থনীতি।
বিষয়টি
হলো,
বিশ্বের
সবচেয়ে
বড়
তেল
মজুতের
ওপর
পুনরায়
প্রভাব
প্রতিষ্ঠা
এবং
ইরানি
তেলের
বিকল্প
হিসেবে
ভেনেজুয়েলার
তেল
সামনে
আনা—এই
কৌশল
নিয়ে
খেলেছে
যুক্তরাষ্ট্র।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

ভেনেজুয়েলা থেকে বেড়েছে ভারতের তেল আমদানি, ভূরাজনীতিতে কিসের ইঙ্গিত

আপডেট সময়ঃ ১২:০৭:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬


কেন
ভেনেজুয়েলার
দিকে
ঝুঁকছে
যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন
জ্বালানি
তথ্য
প্রশাসনের
(ইআইএ)
তথ্য
অনুযায়ী,
ভেনেজুয়েলায়
৩০৩
বিলিয়ন
ব্যারেল
প্রমাণিত
তেলের
মজুত
রয়েছে।
কিন্তু
দীর্ঘদিনের
মার্কিন
নিষেধাজ্ঞার
কারণে
দেশটি
বর্তমানে
বৈশ্বিক
সরবরাহের

শতাংশেরও
কম
তেল
উৎপাদন
করে।

২০০৭
সালে
সাবেক
প্রেসিডেন্ট
হুগো
চাভেজ
ভেনেজুয়েলার
তেল
খাতের
বড়
অংশ
জাতীয়করণ
করেন।
বিদেশি
করপোরেশনের
মুনাফা
কমিয়ে
সামাজিক
ব্যয়
বাড়ানোর
উদ্যোগ
নেন
তিনি।
এর
জবাবে
ওয়াশিংটন
সময়-সময়
কঠোর
নিষেধাজ্ঞা
আরোপ
করে।
ফলে
ভেনেজুয়েলার
তেল
রপ্তানি

আন্তর্জাতিক
অর্থায়ন
পাওয়া
অত্যন্ত
কঠিন
হয়ে
পড়ে।

বর্তমানে
ভেনেজুয়েলায়
কার্যক্রম
চালানো
একমাত্র
বড়
মার্কিন
তেল
কোম্পানি
শেভরন।
রাষ্ট্রীয়
তেল
কোম্পানি
পিডিভিএসএর
সঙ্গে
যৌথ
উদ্যোগে
তারা
প্রতিদিন
প্রায়
আড়াই
লাখ
ব্যারেল
তেল
উৎপাদন
করছে।

নিউইয়র্ক
টাইমসের
তথ্য
অনুযায়ী,
প্রায়
দুই
দশক
পর
এক্সনমোবিল
ভেনেজুয়েলায়
ফিরছে।

নিয়ে
চুক্তি
প্রায়
হলো
বলে।

সমালোচকেরা
বলছেন,
মাদুরোর
বিরুদ্ধে
যুক্তরাষ্ট্রের
অভিযান
কেবল
গণতন্ত্র
বা
মানবাধিকারের
প্রশ্ন
ছিল
না;
বরং
এর
পেছনে
রয়েছে
আরও
নিগূঢ়
ভূরাজনীতি

অর্থনীতি।
বিষয়টি
হলো,
বিশ্বের
সবচেয়ে
বড়
তেল
মজুতের
ওপর
পুনরায়
প্রভাব
প্রতিষ্ঠা
এবং
ইরানি
তেলের
বিকল্প
হিসেবে
ভেনেজুয়েলার
তেল
সামনে
আনা—এই
কৌশল
নিয়ে
খেলেছে
যুক্তরাষ্ট্র।