মামলার
অভিযোগে
বলা
হয়,
সর্বশেষ
গত
বছরের
২
নভেম্বর
ওই
বাসায়
তিনি
সন্তানকে
সুস্থ
অবস্থায়
দেখে
আসেন।
তবে
এরপর
তিনি
সন্তানের
সঙ্গে
দেখা
করতে
গেলেও
পরিবারটি
নানা
অজুহাতে
দেখা
করতে
দেয়নি।
গত
৩১
জানুয়ারি
বেলা
দেড়টার
দিকে
বীথি
তাঁকে
ফোন
করে
জানান,
তাঁর
মেয়েটি
অসুস্থ।
তাকে
নিয়ে
যেতে।
তিনি
বেলা
দুইটার
দিকে
মেয়েকে
আনতে
যান।
তখন
বীথিকে
ফোন
করলে
তিনি
বাইরে
আছেন
জানিয়ে
তাঁকে
অপেক্ষা
করতে
বলেন।
পরে
বীথি
সন্ধ্যা
সাতটার
দিকে
বাড়ির
বাইরে
তাঁর
কাছে
মেয়েকে
বুঝিয়ে
দেন।
মামলায়
উল্লেখ
করা
হয়,
বাদী
তখন
দেখেন
তাঁর
মেয়ের
দুই
হাতসহ
শরীরের
বিভিন্ন
স্থানে
গুরুতর
জখম।
মেয়েটি
ভালোভাবে
কথাও
বলতে
পারে
না।
কীভাবে
এমন
হলো,
জানতে
চাইলে
বীথি
সদুত্তর
দিতে
পারেননি।
পরে
তিনি
মেয়েকে
গাজীপুরের
শহীদ
তাজউদ্দীন
আহমদ
মেডিকেল
কলেজ
হাসপাতালে
ভর্তি
করান।
মেয়ে
তাঁকে
জানায়,
২
নভেম্বর
তিনি
দেখা
করে
যাওয়ার
পর
থেকে
বিভিন্ন
সময়ে
অকারণে
সাফিকুর
রহমান,
বীথিসহ
অজ্ঞাতনামা
আসামিরা
তাকে
মারধর
ও
খুন্তি
গরম
করে
তার
শরীরের
বিভিন্ন
স্থানে
ছেঁকা
দিয়ে
গুরুতর
জখম
করেন।
এডমিন 



















