ওই
নেতাদের
ভাষ্য,
অনেক
হিসাব-নিকাশ
করেই
জামায়াতের
সঙ্গে
সমঝোতায়
যাওয়ার
সিদ্ধান্ত
নিয়েছেন
এনসিপির
শীর্ষ
নেতৃত্ব।
কিন্তু
দলের
একটি
অংশের
কাছে
এ–সংক্রান্ত
যুক্তিগুলো
সঠিকভাবে
পৌঁছানো
সম্ভব
হয়নি।
ফলে
কেউ
কেউ
পদত্যাগের
সিদ্ধান্ত
নিয়েছেন।
এটাকে
তাঁদের
তাৎক্ষণিক
প্রতিক্রিয়া
হিসেবে
দেখছেন
এনসিপি
নেতৃত্ব।
কারও
পদত্যাগপত্রই
এখনো
গ্রহণ
করা
হয়নি।
শীর্ষ
নেতৃত্ব
তাঁদের
সঙ্গে
কথা
বলে
যুক্তিগুলো
তুলে
ধরে
দলে
ফেরার
অনুরোধ
করতে
চান।
সে
জন্য
তাঁদের
সঙ্গে
আলোচনার
চেষ্টা
করা
হচ্ছে।
জানতে
চাইলে
এনসিপির
জ্যেষ্ঠ
যুগ্ম
আহ্বায়ক
ও
ঢাকা-১৮
আসনের
প্রার্থী
আরিফুল
ইসলাম
আদীব
প্রথম
আলোকে
বলেন,
‘যাঁরা
পদত্যাগ
করেছেন,
তাঁদের
সঙ্গে
বিভিন্ন
মাধ্যমে
দলের
পক্ষ
থেকে
কথা
বলার
চেষ্টা
করা
হচ্ছে।
আমরা
আশা
করি,
তাঁদের
অনেকে
দলে
ফিরবেন।’
সূত্র
জানিয়েছে,
গত
শুক্রবার
পদত্যাগকারী
নেতাদের
সঙ্গে
এনসিপির
নেতৃত্বের
এমন
একটি
আলোচনার
উদ্যোগ
নেওয়া
হয়েছিল।
তবে
শেষ
পর্যন্ত
সেই
আলোচনা
হয়ে
ওঠেনি।
পদত্যাগকারী
একজন
নেতা
নাম
প্রকাশ
না
করার
শর্তে
বলেন,
‘বৈঠকের
বিষয়টি
আগেই
ফাঁস
হয়ে
যায়।
ফেসবুকে
এ
নিয়ে
অপপ্রচারও
করা
হয়।’
তিনি
বলেন,
‘আমাদের
কাছে
মনে
হচ্ছে,
দলের
একটা
অংশ
আমাদের
ফেরার
প্রক্রিয়াটা
ঠেকানোর
চেষ্টা
করছে।
তারা
চায়
দল
থেকে
জামায়াতবিরোধী
সবাই
বের
হয়ে
যাক।’
এডমিন 













