০৭:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিউইয়র্কে করোনা মহামারি তহবিল আত্মসাৎ, ৮ বাংলাদেশির দোষ স্বীকার

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 0

আসামিদের
নাম

ঠিকানা
প্রকাশ
করেছে
কর্তৃপক্ষ।
তবে
ছবি
প্রকাশ
করা
হয়নি।
তাঁরা
হলেন
মাহবুব
মালিক
(৪১),
তোফায়েল
আহমেদ
(৫০),
ইউসুফ
এমডি
(৪৫),
মোহাম্মদ
চৌধুরী
ওরফে
খোকন
আশরাফ
(৬৮),
জাকির
চৌধুরী
(৫৯),
মোহাম্মদ
খান
(৪৯),
তানভীর
মিলন
(৫৫),
জুনেদ
খান
(৫৬)
এবং
পাকিস্তানি
বংশোদ্ভূত
নাদিম
শেখ
(৫৬)।

সরকারি
তদন্তে
জানা
গেছে,
২০২০
সালের
জুন
মাস
থেকে
আসামিরা
নিউইয়র্ক
স্টেটের
‘এম্পায়ার
স্টেট
ডেভেলপমেন্ট
প্যান্ডেমিক
স্মল
বিজনেস
রিকভারি
গ্র্যান্ট
প্রোগ্রাম’-এর
আওতায়
একাধিক
ভুয়া
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের
নামে
আবেদন
করেন।

করোনা
তহবিলের
ত্রাণ
পেতে
আবেদনকারীরা
আবেদনে
উল্লেখ
করেন,
সরকার
থেকে
পাওয়া
অর্থ
ব্যবসায়
কর্মচারীদের
বেতন,
অফিস
ভাড়া,
গ্যাস-বিদ্যুৎ
বিল

সরঞ্জাম
কেনার
জন্য
প্রয়োজন।

নিউইয়র্ক
স্টেট
ইন্সপেক্টর
জেনারেলের
অফিসে
তদন্তে
উঠে
আসে,
সরকারি
অর্থ
পাওয়ার
পরপরই
অধিকাংশ
টাকা
তাঁদের
ব্যক্তিগত
ব্যাংক
হিসাবে
স্থানান্তর
করা
হয়।
ব্যাংক
রেকর্ড

ট্যাক্স
নথি
পর্যালোচনায়
দেখা
যায়,
তহবিল
পাওয়ার
আগে
এসব
প্রতিষ্ঠানের
কোনো
ব্যবসায়িক
কার্যকলাপ
ছিল
না।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

নিউইয়র্কে করোনা মহামারি তহবিল আত্মসাৎ, ৮ বাংলাদেশির দোষ স্বীকার

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসামিদের
নাম

ঠিকানা
প্রকাশ
করেছে
কর্তৃপক্ষ।
তবে
ছবি
প্রকাশ
করা
হয়নি।
তাঁরা
হলেন
মাহবুব
মালিক
(৪১),
তোফায়েল
আহমেদ
(৫০),
ইউসুফ
এমডি
(৪৫),
মোহাম্মদ
চৌধুরী
ওরফে
খোকন
আশরাফ
(৬৮),
জাকির
চৌধুরী
(৫৯),
মোহাম্মদ
খান
(৪৯),
তানভীর
মিলন
(৫৫),
জুনেদ
খান
(৫৬)
এবং
পাকিস্তানি
বংশোদ্ভূত
নাদিম
শেখ
(৫৬)।

সরকারি
তদন্তে
জানা
গেছে,
২০২০
সালের
জুন
মাস
থেকে
আসামিরা
নিউইয়র্ক
স্টেটের
‘এম্পায়ার
স্টেট
ডেভেলপমেন্ট
প্যান্ডেমিক
স্মল
বিজনেস
রিকভারি
গ্র্যান্ট
প্রোগ্রাম’-এর
আওতায়
একাধিক
ভুয়া
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের
নামে
আবেদন
করেন।

করোনা
তহবিলের
ত্রাণ
পেতে
আবেদনকারীরা
আবেদনে
উল্লেখ
করেন,
সরকার
থেকে
পাওয়া
অর্থ
ব্যবসায়
কর্মচারীদের
বেতন,
অফিস
ভাড়া,
গ্যাস-বিদ্যুৎ
বিল

সরঞ্জাম
কেনার
জন্য
প্রয়োজন।

নিউইয়র্ক
স্টেট
ইন্সপেক্টর
জেনারেলের
অফিসে
তদন্তে
উঠে
আসে,
সরকারি
অর্থ
পাওয়ার
পরপরই
অধিকাংশ
টাকা
তাঁদের
ব্যক্তিগত
ব্যাংক
হিসাবে
স্থানান্তর
করা
হয়।
ব্যাংক
রেকর্ড

ট্যাক্স
নথি
পর্যালোচনায়
দেখা
যায়,
তহবিল
পাওয়ার
আগে
এসব
প্রতিষ্ঠানের
কোনো
ব্যবসায়িক
কার্যকলাপ
ছিল
না।