রংপুর
মহানগর
পুলিশের
সাবেক
উপকমিশনার
মোহাম্মদ
শিবলী
কায়সারের
বিরুদ্ধে
ঘুষ–বাণিজ্যের
অভিযোগে
থানায়
মামলা
করতে
আসা
বাদী
মো.
পলাশ
হাসানকে
মারধরের
প্রমাণ
পেয়েছে
তদন্ত
কমিটি।
পাশাপাশি
মারধরের
সময়
থানায়
কর্মরত
পুলিশ
সদস্য
মোছা.
মৌসুমি
আক্তারের
কাছ
থেকে
রাইফেল
কেড়ে
নেওয়ার
চেষ্টা,
পুলিশ
পাঠিয়ে
বাবা–ছেলেকে
থানায়
নিয়ে
যাওয়া
ও
মুচলেকা
নিয়ে
ছেড়ে
দেওয়ার
যে
অভিযোগ
ছিল,
সেটারও
সত্যতা
পাওয়া
গেছে।
তবে
প্রতিবেশীর
বিরুদ্ধে
চাঁদাবাজির
অভিযোগ
নিয়ে
উপকমিশনারের
কার্যালয়ে
যাওয়া
বাবা
মো.
মাহবুব
আহমেদ
ও
ছেলে
হাবিবুর
রহমানকে
গালাগালি,
পুলিশ
সদস্যকে
লাঠি
আনার
নির্দেশ
ও
তাঁদের
মারতে
উদ্যত
হওয়ার
অভিযোগের
আংশিক
সত্যতা
পেয়েছে
পুলিশ
সদর
দপ্তরের
তদন্ত
কমিটি।
গত
১৩
মার্চ
বৃহস্পতিবার
বিকেলে
নগরের
কোতোয়ালি
থানায়
ঘুষ–বাণিজ্যের
অভিযোগে
সাবেক
উপকমিশনার
শিবলী
কায়সারসহ
কয়েকজনের
বিরুদ্ধে
মামলা
করতে
গেলে
এ
ঘটনা
ঘটে।
এ
ঘটনায়
একটি
অভ্যন্তরীণ
সাধারণ
ডায়েরি
(জিডি)
করা
হয়েছে।
ঘটনার
পর
থানা-পুলিশ
চাঁদাবাজির
অভিযোগে
ভুক্তভোগী
ব্যক্তির
একটি
মামলা
নিলেও
আসামির
তালিকায়
ওই
পুলিশ
কর্মকর্তাকে
রাখা
হয়নি।
এডমিন 











