সরকারি,
বেসরকারি
ও
কমিউনিটি
পর্যায়ে
প্রাতিষ্ঠানিক
ও
অংশীদারত্বমূলক
কার্যক্রম
বৃদ্ধির
মাধ্যমে
জলবায়ু
সংকটের
বুদ্ধিদীপ্ত
সমাধান
করতে
পারে
বাংলাদেশ।
যা
শুধু
জলবায়ু
ঝুঁকিই
কমাবে
না
বরং
টেকসই
সমাধান
দেবে।
সোমবার
বিশ্বব্যাংক
প্রকাশিত
‘ফ্রম
রিস্ক
টু
রেজিলিয়েন্স:
হেলপিং
পিপল
অ্যান্ড
ফার্মস
অ্যাডাপ্ট
ইন
সাউথ
এশিয়া’
শীর্ষক
প্রতিবেদনে
প্রতিবেদনে
এ
কথা
বলা
হয়েছে।
প্রতিবেদনে
বিশ্বব্যাংক
বলেছে,
এই
অংশীদারত্বমূলক
কাজকে
অগ্রাধিকার
দিলে
পরিবার
ও
ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো
আরও
বেশি
শক্তিশালী
হবে,
দীর্ঘ
মেয়াদে
যার
অগ্রগতি
হবে
আরও
স্থিতিশীল
ও
অন্তর্ভুক্তিমূলক।
বেসরকারি
খাতের
সম্পদ
ও
বিনিয়োগ
উপযুক্ত
স্থানে
সরিয়ে
নেওয়া
হলে
জলবায়ু
সংকটজনিত
ক্ষয়ক্ষতি
এক-তৃতীয়াংশ
কমানো
সম্ভব
বলে
প্রতিবেদনে
দাবি
করা
হয়েছে।
বাজেট
সংকটের
মধ্যেও
দক্ষিণ
এশিয়ার
দেশগুলো
অর্থায়নে
প্রবেশাধিকার
বৃদ্ধি,
পরিবহন
ও
ডিজিটাল
নেটওয়ার্কের
উন্নয়ন
ও
নমনীয়
সামাজিক
সুরক্ষা
কাঠামো
প্রবর্তনের
মাধ্যমে
বেসরকারি
খাতকে
সহায়ক
পরিবেশ
তৈরি
করে
দিতে
পারে
বলেও
প্রতিবেদনে
বলা
হয়।
এডমিন 
















