০৩:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশের আরও শক্তিশালী অংশীদারত্ব প্রয়োজন: বিশ্বব্যাংক

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
  • 12

সরকারি,
বেসরকারি

কমিউনিটি
পর্যায়ে
প্রাতিষ্ঠানিক

অংশীদারত্বমূলক
কার্যক্রম
বৃদ্ধির
মাধ্যমে
জলবায়ু
সংকটের
বুদ্ধিদীপ্ত
সমাধান
করতে
পারে
বাংলাদেশ।
যা
শুধু
জলবায়ু
ঝুঁকিই
কমাবে
না
বরং
টেকসই
সমাধান
দেবে।

সোমবার
বিশ্বব্যাংক
প্রকাশিত
‘ফ্রম
রিস্ক
টু
রেজিলিয়েন্স:
হেলপিং
পিপল
অ্যান্ড
ফার্মস
অ্যাডাপ্ট
ইন
সাউথ
এশিয়া’
শীর্ষক
প্রতিবেদনে
প্রতিবেদনে

কথা
বলা
হয়েছে।

প্রতিবেদনে
বিশ্বব্যাংক
বলেছে,
এই
অংশীদারত্বমূলক
কাজকে
অগ্রাধিকার
দিলে
পরিবার

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো
আরও
বেশি
শক্তিশালী
হবে,
দীর্ঘ
মেয়াদে
যার
অগ্রগতি
হবে
আরও
স্থিতিশীল

অন্তর্ভুক্তিমূলক।

বেসরকারি
খাতের
সম্পদ

বিনিয়োগ
উপযুক্ত
স্থানে
সরিয়ে
নেওয়া
হলে
জলবায়ু
সংকটজনিত
ক্ষয়ক্ষতি
এক-তৃতীয়াংশ
কমানো
সম্ভব
বলে
প্রতিবেদনে
দাবি
করা
হয়েছে।
বাজেট
সংকটের
মধ্যেও
দক্ষিণ
এশিয়ার
দেশগুলো
অর্থায়নে
প্রবেশাধিকার
বৃদ্ধি,
পরিবহন

ডিজিটাল
নেটওয়ার্কের
উন্নয়ন

নমনীয়
সামাজিক
সুরক্ষা
কাঠামো
প্রবর্তনের
মাধ্যমে
বেসরকারি
খাতকে
সহায়ক
পরিবেশ
তৈরি
করে
দিতে
পারে
বলেও
প্রতিবেদনে
বলা
হয়।

ট্যাগঃ

জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় বাংলাদেশের আরও শক্তিশালী অংশীদারত্ব প্রয়োজন: বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময়ঃ ১২:০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

সরকারি,
বেসরকারি

কমিউনিটি
পর্যায়ে
প্রাতিষ্ঠানিক

অংশীদারত্বমূলক
কার্যক্রম
বৃদ্ধির
মাধ্যমে
জলবায়ু
সংকটের
বুদ্ধিদীপ্ত
সমাধান
করতে
পারে
বাংলাদেশ।
যা
শুধু
জলবায়ু
ঝুঁকিই
কমাবে
না
বরং
টেকসই
সমাধান
দেবে।

সোমবার
বিশ্বব্যাংক
প্রকাশিত
‘ফ্রম
রিস্ক
টু
রেজিলিয়েন্স:
হেলপিং
পিপল
অ্যান্ড
ফার্মস
অ্যাডাপ্ট
ইন
সাউথ
এশিয়া’
শীর্ষক
প্রতিবেদনে
প্রতিবেদনে

কথা
বলা
হয়েছে।

প্রতিবেদনে
বিশ্বব্যাংক
বলেছে,
এই
অংশীদারত্বমূলক
কাজকে
অগ্রাধিকার
দিলে
পরিবার

ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো
আরও
বেশি
শক্তিশালী
হবে,
দীর্ঘ
মেয়াদে
যার
অগ্রগতি
হবে
আরও
স্থিতিশীল

অন্তর্ভুক্তিমূলক।

বেসরকারি
খাতের
সম্পদ

বিনিয়োগ
উপযুক্ত
স্থানে
সরিয়ে
নেওয়া
হলে
জলবায়ু
সংকটজনিত
ক্ষয়ক্ষতি
এক-তৃতীয়াংশ
কমানো
সম্ভব
বলে
প্রতিবেদনে
দাবি
করা
হয়েছে।
বাজেট
সংকটের
মধ্যেও
দক্ষিণ
এশিয়ার
দেশগুলো
অর্থায়নে
প্রবেশাধিকার
বৃদ্ধি,
পরিবহন

ডিজিটাল
নেটওয়ার্কের
উন্নয়ন

নমনীয়
সামাজিক
সুরক্ষা
কাঠামো
প্রবর্তনের
মাধ্যমে
বেসরকারি
খাতকে
সহায়ক
পরিবেশ
তৈরি
করে
দিতে
পারে
বলেও
প্রতিবেদনে
বলা
হয়।