জাগ্রত
অবস্থায়
দেখার
দাবি
যদি
সত্য
হতো,
তবে
ইসলামের
ইতিহাসের
শ্রেষ্ঠ
মানব
সাহাবিরা
এর
সবচেয়ে
বড়
হকদার
ছিলেন।
হজরত
আবু
বকর,
ওমর,
উসমান,
আলী
(রা.)-সহ
জান্নাতের
সুসংবাদপ্রাপ্ত
সাহাবিগণ
এবং
আহলে
বাইতের
সদস্যগণ
অনেক
কঠিন
সংকটে
পতিত
হয়েছিলেন।
অনেক
যুদ্ধে
তাঁরা
বড়
বিপর্যয়ের
মুখে
পড়েছিলেন।
তাঁরা
কখনও
এমন
দাবি
করেননি
যে
নবীজি
(সা.)
সশরীরে
এসে
তাঁদের
সঙ্গে
মুসাফাহা
করেছেন
বা
সমাধান
দিয়েছেন।
সাহাবিরা
হলেন
শ্রেষ্ঠ
‘আউলিয়া’।
তাঁদের
চেয়ে
বড়
কোনো
ওলি
পরবর্তীতে
পৃথিবীতে
আসেননি।
নবীজির
ইন্তেকালের
পরে
যখন
তাঁরা
তাঁকে
জাগ্রত
অবস্থায়
পাননি,
তখন
পরবর্তীতে
কোনো
সুফি
বা
ব্যক্তির
এই
দাবি
করা
বাস্তবতাবিবর্জিত।
ইমাম
নববি
(রহ.)
বলেন,
“স্বপ্নে
নবীজিকে
দেখা
সত্য
এবং
তা
একটি
সুসংবাদ।
কিন্তু
কোরআন-সুন্নাহর
অকাট্য
বিধানের
বিপরীতে
স্বপ্নের
কোনো
বিষয়
গ্রহণ
করা
যাবে
না।”
(শারহুন
নাবাবি
আলা
সহিহি
মুসলিম,
১/১১৫,
দারু
ইহয়াইত
তুরাসিল
আরাবি,
বৈরুত,
১৩৯২
হিজরি)
উদাহরণস্বরূপ,
কেউ
যদি
স্বপ্নে
দেখে
নবীজি
তাকে
বলছেন
যে
আগামীকাল
রমজান
শুরু
হবে
(অথচ
চাঁদ
দেখা
যায়নি),
তবে
তার
সেই
দেখা
অনুযায়ী
রোজা
রাখা
জায়েজ
হবে
না।
একইভাবে
স্বপ্নে
কেউ
কাউকে
চোর
বললে
বা
কোনো
আইনি
ফয়সালা
দিলে
তা
আদালতের
সাক্ষ্য
হিসেবে
গ্রহণযোগ্য
হবে
না।
কারণ
নবীজির
মৃত্যুর
পর
ওহির
দরজা
বন্ধ
হয়ে
গেছে।
জাগ্রত
অবস্থায়
নবীজি
(সা.)-কে
দেখার
সুযোগ
কেবল
কেয়ামতের
দিন
হাউজে
কাউসারে
এবং
জান্নাতে
হবে—এই
বিশ্বাসই
আকিদাগতভাবে
বিশুদ্ধ।
এডমিন 



















