খোঁজ
নিয়ে
জানা
যায়,
স্থানীয়
পল্লিচিকিৎসক
উপজেলা
কৃষক
দলের
যুগ্ম
আহ্বায়ক
মো.
তছলিম
উদ্দিন
ও
স্থানীয়
বাসিন্দা
আলা
উদ্দিন
মাঝি
এ
সালিস
পরিচালনা
করেন।
মো.
তছলিম
উদ্দিনই
বেত্রাঘাত
করেছেন
বলে
কনের
পরিবারের
অভিযোগ।
জানতে
চেয়ে
তছলিম
উদ্দিনের
মুঠোফোনে
একাধিকবার
কল
করা
হলেও
তিনি
ধরেননি।
পরে
আলা
উদ্দিন
মাঝি
সালিসের
জরিমানার
বিষয়টি
স্বীকার
করেন।
তবে
বেত্রাঘাত
করা
হয়নি
বলে
দাবি
করেন।
জানতে
চাইলে
আলা
উদ্দিন
প্রথম
আলোকে
বলেন,
বিয়েবাড়িতে
গান
বাজানোর
ঘটনায়
স্থানীয়
এক
রিকশাচালক
প্রতিবাদ
করেছিলেন।
পরে
কনের
বাড়ির
লোকজন
ওই
রিকশাচালক
ও
আফছারের
ওপর
হামলা
করেছেন।
এ
নিয়ে
সালিস
হয়েছিল।
এতে
বিয়েবাড়ির
লোকজনের
কারণে
আফছারের
৫০
হাজার
টাকা
হারানোর
কারণে
তাঁদের
ওই
টাকা
জরিমানা
করা
হয়।
জানতে
চাইলে
হাতিয়া
থানার
ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা
এ
কে
এম
আজমল
হুদা
প্রথম
আলোকে
বলেন,
বিষয়টি
তিনি
বিভিন্ন
মাধ্যমে
জেনেছেন।
কিন্তু
এ
বিষয়ে
পরিবারের
কেউ
থানায়
অভিযোগ
করেনি।
অভিযোগ
পেলে
তদন্ত
করে
আইনগত
ব্যবস্থা
নেওয়া
হবে।
এডমিন 















