০৭:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফিলিং স্টেশনে তৃষ্ণার্তদের কাছে যুবক এসে বলছেন, ‘ঠান্ডা পানি লাগবে নাকি’

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • 1

কাজল
হোসেন
ওই
এলাকার
প্রয়াত
বীর
মুক্তিযোদ্ধা
নজরুল
ইসলামের
ছেলে।
তিনি
পেশায়
একজন
মাংস
ব্যবসায়ী।
কাঠফাটা
রোদে
পাম্পে
পেট্রল
কিনতে
এসে
রোদে
পুড়ে
ক্লান্ত

তৃষ্ণার্তদের
ঠান্ডা
পানি
পান
করানোর
মতো
এক
মহৎ

ব্যতিক্রমধর্মী
উদ্যোগকে
স্বাগত

সাধুবাদ
জানাচ্ছেন
সাধারণ
মানুষ।

সরেজমিনে
জানা
যায়,
সারা
দেশের
মতো
বিরামপুরে
তিনটি
ফিলিং
স্টেশনে
জ্বালানি
তেলের
সংকট
চলছে।

জন্য
ফিলিং
স্টেশনে
রেশনিং
পদ্ধতিতে
তেল
বিক্রি
হচ্ছে।
তেল
কিনতে
প্রতিদিন
ভোর
থেকে
ফিলিং
স্টেশনের
সামনে
মহাসড়কের
পাশে
হচ্ছে
মোটরসাইকেল
চালকদের
দীর্ঘ
সারি।
ফিলিং
স্টেশনে
তেল
নিতে
কেউ
কেউ
তিন
থেকে
সাড়ে
তিন
ঘণ্টা
ধরে
অপেক্ষা
করছেন।
রোদ

ভ্যাপসা
গরমে
অনেকের
শরীর
থেকে
ঘাম
ঝরছে।

সময়
স্থানীয়
যুবক
কাজল
হোসেন
মহাসড়কের
পাশের
এক
বাড়ির
নলকূপ
থেকে
আনা
জগভর্তি
ঠান্ডা
পানি
আনছেন।
আর
গ্লাসে
সেই
পানি
ঢেলে
তৃষ্ণার্ত
সেই
মোটরসাইকেলচালকদের
পান
করাচ্ছেন।

আলাপচারিতায়
কাজল
হোসেন
বলেন,
‘পাম্পে
তেল
নিতে
আসা
মানুষগুলো
রোদে
পুড়ছে।
দীর্ঘক্ষণ
ধরে
রোদে
দাঁড়িয়ে
থেকে
তাঁরা
তৃষ্ণার্ত
হচ্ছেন।
আশপাশে
কোথাও
পানি
পান
করতে
যাবেন,
সেই
সুযোগও
তাঁরা
পাচ্ছেন
না।
তাঁদের

কষ্ট
দেখে
আমার
খুব
খারাপ
লেগেছে।
তাই
তাঁদের
ঠান্ডা
পানি
পান
করাচ্ছি।
যত
দিন
বিরামপুরে
তেলসংকটের
কারণে
ক্রেতারা
এভাবে
রোদে
পুড়ে
তৃষ্ণার্ত
হবেন,
তত
দিন
তাঁদের
পানি
পান
করানো
হবে।’

ট্যাগঃ

কালো মোজা পরলে বিমানে ঝুঁকি বাড়ে, জানুন কীভাবে এড়াবেন

ফিলিং স্টেশনে তৃষ্ণার্তদের কাছে যুবক এসে বলছেন, ‘ঠান্ডা পানি লাগবে নাকি’

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

কাজল
হোসেন
ওই
এলাকার
প্রয়াত
বীর
মুক্তিযোদ্ধা
নজরুল
ইসলামের
ছেলে।
তিনি
পেশায়
একজন
মাংস
ব্যবসায়ী।
কাঠফাটা
রোদে
পাম্পে
পেট্রল
কিনতে
এসে
রোদে
পুড়ে
ক্লান্ত

তৃষ্ণার্তদের
ঠান্ডা
পানি
পান
করানোর
মতো
এক
মহৎ

ব্যতিক্রমধর্মী
উদ্যোগকে
স্বাগত

সাধুবাদ
জানাচ্ছেন
সাধারণ
মানুষ।

সরেজমিনে
জানা
যায়,
সারা
দেশের
মতো
বিরামপুরে
তিনটি
ফিলিং
স্টেশনে
জ্বালানি
তেলের
সংকট
চলছে।

জন্য
ফিলিং
স্টেশনে
রেশনিং
পদ্ধতিতে
তেল
বিক্রি
হচ্ছে।
তেল
কিনতে
প্রতিদিন
ভোর
থেকে
ফিলিং
স্টেশনের
সামনে
মহাসড়কের
পাশে
হচ্ছে
মোটরসাইকেল
চালকদের
দীর্ঘ
সারি।
ফিলিং
স্টেশনে
তেল
নিতে
কেউ
কেউ
তিন
থেকে
সাড়ে
তিন
ঘণ্টা
ধরে
অপেক্ষা
করছেন।
রোদ

ভ্যাপসা
গরমে
অনেকের
শরীর
থেকে
ঘাম
ঝরছে।

সময়
স্থানীয়
যুবক
কাজল
হোসেন
মহাসড়কের
পাশের
এক
বাড়ির
নলকূপ
থেকে
আনা
জগভর্তি
ঠান্ডা
পানি
আনছেন।
আর
গ্লাসে
সেই
পানি
ঢেলে
তৃষ্ণার্ত
সেই
মোটরসাইকেলচালকদের
পান
করাচ্ছেন।

আলাপচারিতায়
কাজল
হোসেন
বলেন,
‘পাম্পে
তেল
নিতে
আসা
মানুষগুলো
রোদে
পুড়ছে।
দীর্ঘক্ষণ
ধরে
রোদে
দাঁড়িয়ে
থেকে
তাঁরা
তৃষ্ণার্ত
হচ্ছেন।
আশপাশে
কোথাও
পানি
পান
করতে
যাবেন,
সেই
সুযোগও
তাঁরা
পাচ্ছেন
না।
তাঁদের

কষ্ট
দেখে
আমার
খুব
খারাপ
লেগেছে।
তাই
তাঁদের
ঠান্ডা
পানি
পান
করাচ্ছি।
যত
দিন
বিরামপুরে
তেলসংকটের
কারণে
ক্রেতারা
এভাবে
রোদে
পুড়ে
তৃষ্ণার্ত
হবেন,
তত
দিন
তাঁদের
পানি
পান
করানো
হবে।’