দীর্ঘদিন
ধরে
জাতিসংঘের
জলবায়ু
সম্মেলনে
ঠিক
এমনটাই
ঘটে
আসছে।
এ
জন্য
প্রশ্ন
ওঠা
স্বাভাবিক
যে
পৃথিবীর
গ্রিনহাউস
গ্যাস
কমানোর
লক্ষ্যে
যে
সম্মেলন
অনুষ্ঠিত
হয়,
তার
ফলে
ঠিক
কত
পরিমাণ
গ্রিনহাউস
গ্যাস
নির্গমন
হয়?
কারণ,
প্রতিবারই
তেমন
কোনো
উল্লেখযোগ্য
অগ্রগতি
ছাড়াই
এ
সম্মেলন
শেষ
হয়।
সে
হিসেবে
এবারের
সম্মেলন
গুরুত্বপূর্ণ
এ
জন্য
যে
অত্যন্ত
ব্যর্থতা
স্বীকার
করা
হচ্ছে।
এত
দিন
যে
কাজের
কাজ
কিছু
হয়নি,
সেই
স্বীকৃতি
হয়তো
নতুন
করে
শুরু
করতে
সাহায্য
করবে।
তবে
মূলমন্ত্র
একটাই।
পৃথিবীকে
রক্ষা
করতে
হলে
মানুষের
মধ্যে
সহযোগিতার
বিকল্প
নেই।
সে
জন্য
আমাদের
ফিকশনাল
রিয়েলিটি
তৈরি
করতেই
হবে।
হারারি
যেমনটি
বলেছেন
যে
মানুষের
শরীরে
অনেক
অঙ্গপ্রত্যঙ্গ
আছে,
অধিকার
বলে
তো
কিছু
নেই।
তাই
মানবাধিকার
একটি
ফিকশনাল
রিয়েলিটি।
কিন্তু
তবু
মানুষ
নীতিগতভাবে
হলেও
মানবাধিকারে
বিশ্বাস
করে।
যদিও
নিজের
স্বার্থ
অনুযায়ী
এর
লঙ্ঘন
করতে
বেশির
ভাগই
পিছপা
হয়
না।
তবে
মানুষের
পক্ষে
সহযোগিতা
অসম্ভব
নয়।
একে
অপরের
সঙ্গে
সহযোগিতা
করে
বলেই
মানুষ
পৃথিবীকে
তার
মতো
করে
পরিচালিত
করতে
পেরেছে।
কিন্তু
এ
পরিচালনা
সঠিক
পথে
না
হওয়ার
ফলেই
আজ
জলবায়ু
পরিবর্তনের
মতো
বড়
বড়
সংকট
দেখা
দিচ্ছে।
প্রশ্ন
হলো,
সবার
সহযোগিতার
নীতি
গ্রহণে
আর
কত
দিন
লাগবে?
এদিকে
বাংলাদেশের
দ্বীপ
ইউনিয়ন
গাবুরার
শিরীন
খাতুন
ঘূর্ণিঝড়ে
ঘরবাড়ি
হারিয়েছেন
তিন
বছর
আগে।
দুই
ছেলেমেয়ে
নিয়ে
উদ্বাস্তু
হয়ে
সাতক্ষীরা
শহরের
এক
বস্তিতে
আশ্রয়
নিয়েছেন
তিনি।
বিশ্বনেতারা
যখন
জাঁকজমকপূর্ণ
সম্মেলনে
ঐকমত্যে
পৌঁছাতে
নানা
কসরত
করছেন,
শিরীন
খাতুনরা
তখন
কষ্টে
ভরা
এ
জীবনে
আর
কতগুলো
দিন
বাকি,
সেই
হিসাব
করে
দিন
গুনে
চলেছেন।
এডমিন 

















