০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৬ মাসে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ৪৫ জন

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 2

প্রতিবেদনে
আরও
বলা
হয়েছে,
গত
এক
বছরে
কারাগারে
১০২
জনের
মৃত্যু
হয়েছে।
তাঁদের
মধ্যে
একজনকে
পিটিয়ে
হত্যা
করা
হয়েছে।
বাকি
১০১
জন
অসুস্থতাজনিত
কারণে
মারা
গেছেন।
সবচেয়ে
বেশি
১৪
জন
মারা
গেছেন
গত
বছরের
নভেম্বরে।
আর
এই
সময়ে
মৃত্যুদণ্ডের
আদেশ
দেওয়া
হয়েছে
২২৩
জনের।

প্রতিবেদনে
বলা
হয়েছে,
গত
এক
বছরে
১০
জন
পুলিশের
হাতে,

জন
সেনাবাহিনীর
হাতে,

জন
বিমানবাহিনীর
হাতে,

জন
র‍্যাবের
হাতে,

জন
গোয়েন্দা
পুলিশের
(ডিবি)
হাতে,

জন
বর্ডার
গার্ড
বাংলাদেশের
(বিজিবি)
হাতে,

জন
কোস্টগার্ড
এবং
১৩
জন
যৌথ
বাহিনীর
হাতে
হত্যার
শিকার
হয়েছেন।
নিহত
ব্যক্তিদের
মধ্যে
১১
জনকে
নির্যাতন,
১৬
জনকে
গুলি
করে
এবং

জনকে
পিটিয়ে
হত্যা
করা
হয়েছে।

অধিকার
বলেছে,
২০২৫
সালে
দেশের
আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণ
করতে
সরকার
যৌথ
বাহিনী
মাঠে
নামালেও
পরিস্থিতির
বিশেষ
উন্নতি
হয়নি।

সময়ে
আইন
প্রয়োগকারী
সংস্থার
সদস্যদের
বিরুদ্ধে
নির্যাতন

বিচারবহির্ভূত
হত্যার
অভিযোগ
পাওয়া
গেছে।

সংঘবদ্ধ
পিটুনিতে
(মব)
হত্যার
বিষয়ে
বলা
হয়েছে,
গত
এক
বছরে
ব্যাপকভাবে
দলবদ্ধ
বিশৃঙ্খলা

সহিংসতা
করে
আইন
নিজের
হাতে
তুলে
নেওয়ার
প্রবণতা
লক্ষ
করা
গেছে।
গণপিটুনি
দিয়ে
হত্যার
অধিকাংশ
ঘটনাই
ঘটেছে
চোর
সন্দেহে।
মানসিক
প্রতিবন্ধী

কিশোরেরাও
এই
সহিংসতা
থেকে
রেহাই
পায়নি।
এক
বছরে
সারা
দেশে
১২৫
জন
গণপিটুনিতে
নিহত
হয়েছেন।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

টাঙ্গাইল-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর দুই কর্মীকে জরিমানা

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৬ মাসে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ৪৫ জন

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রতিবেদনে
আরও
বলা
হয়েছে,
গত
এক
বছরে
কারাগারে
১০২
জনের
মৃত্যু
হয়েছে।
তাঁদের
মধ্যে
একজনকে
পিটিয়ে
হত্যা
করা
হয়েছে।
বাকি
১০১
জন
অসুস্থতাজনিত
কারণে
মারা
গেছেন।
সবচেয়ে
বেশি
১৪
জন
মারা
গেছেন
গত
বছরের
নভেম্বরে।
আর
এই
সময়ে
মৃত্যুদণ্ডের
আদেশ
দেওয়া
হয়েছে
২২৩
জনের।

প্রতিবেদনে
বলা
হয়েছে,
গত
এক
বছরে
১০
জন
পুলিশের
হাতে,

জন
সেনাবাহিনীর
হাতে,

জন
বিমানবাহিনীর
হাতে,

জন
র‍্যাবের
হাতে,

জন
গোয়েন্দা
পুলিশের
(ডিবি)
হাতে,

জন
বর্ডার
গার্ড
বাংলাদেশের
(বিজিবি)
হাতে,

জন
কোস্টগার্ড
এবং
১৩
জন
যৌথ
বাহিনীর
হাতে
হত্যার
শিকার
হয়েছেন।
নিহত
ব্যক্তিদের
মধ্যে
১১
জনকে
নির্যাতন,
১৬
জনকে
গুলি
করে
এবং

জনকে
পিটিয়ে
হত্যা
করা
হয়েছে।

অধিকার
বলেছে,
২০২৫
সালে
দেশের
আইনশৃঙ্খলা
পরিস্থিতি
নিয়ন্ত্রণ
করতে
সরকার
যৌথ
বাহিনী
মাঠে
নামালেও
পরিস্থিতির
বিশেষ
উন্নতি
হয়নি।

সময়ে
আইন
প্রয়োগকারী
সংস্থার
সদস্যদের
বিরুদ্ধে
নির্যাতন

বিচারবহির্ভূত
হত্যার
অভিযোগ
পাওয়া
গেছে।

সংঘবদ্ধ
পিটুনিতে
(মব)
হত্যার
বিষয়ে
বলা
হয়েছে,
গত
এক
বছরে
ব্যাপকভাবে
দলবদ্ধ
বিশৃঙ্খলা

সহিংসতা
করে
আইন
নিজের
হাতে
তুলে
নেওয়ার
প্রবণতা
লক্ষ
করা
গেছে।
গণপিটুনি
দিয়ে
হত্যার
অধিকাংশ
ঘটনাই
ঘটেছে
চোর
সন্দেহে।
মানসিক
প্রতিবন্ধী

কিশোরেরাও
এই
সহিংসতা
থেকে
রেহাই
পায়নি।
এক
বছরে
সারা
দেশে
১২৫
জন
গণপিটুনিতে
নিহত
হয়েছেন।