দুপুরে
যখন
উত্তর
সৈকতে
জানাজা
হয়,
তখন
দেখা
যায়
লোকে
লোকারণ্য।
শেষবিদায়
জানাতে
ও
জানাজায়
শরিক
হতে
দ্বীপের
মানুষের
পাশাপাশি
দ্বীপের
বাইরে
থেকেও
পরিচিত
ও
শুভাকাঙ্ক্ষীরা
এসেছিলেন।
গ্রামের
মা-বোনেরাও
জানাজা
দেখতে
দ্বীপের
বিভিন্ন
প্রান্ত
থেকে
ছুটে
আসেন।
জীবিত
মালেকের
চেয়ে
মৃত
মালেক
হয়ে
উঠেছিলেন
দ্বীপের
কিংবদন্তি!
লাশ
দেখতে
আসা
বা
জানাজায়
আসা
প্রায়
সব
মানুষের
চোখে
জল
আটকানো
কঠিন
হয়ে
গিয়েছিল
সেদিন।
সেন্ট
মার্টিনের
ইতিহাসে
এযাবৎকালে
সবচেয়ে
বড়
জানাজা
হয়েছিল
মালেকের।
মাত্র
৩৩
বছর
বয়সে
আবদুল
মালেকের
এমন
‘অর্জন’
মানুষের
মুখে
মুখে।
মালেক
নিজের
ফেসবুকের
বায়োতে
লিখেছিলেন,
‘মৃত্যুর
পর
আমার
লাশটি
জন্মভূমি
সেন্ট
মার্টিনে
বাবা–মায়ের
কবরের
পাশে
শায়িত
করিও।’
কে
জানত,
তাঁর
অন্তিম
ইচ্ছা
পূরণ
হয়ে
যাবে
এভাবে।
এডমিন 


















