০৭:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুখোমুখি শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদ

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 22

নাসির
আলী
মামুন
:


শামসুর
রাহমান-আল
মাহমুদ
নাম
দুটি
যখন
একসঙ্গে
আসে
তখন
কেমন
লাগে?



আল
মাহমুদ:

এই
বলতে
আমি
লজ্জা
পাই,
আমি
শামসুর
রাহমানের
সমতুল্য
লোক
নই।
কবিতায়ও
যদি
কোথাও
কোথাও
একসঙ্গে
নাম
এসে
থাকে,
তবে
বুঝতে
হবে
যে
আমার
কবিতায়
কিছু
কাজ
আছে।
শামসুর
রাহমানের
সমান
আমি
দাবি
করেছি
কোনো
সময়?



শামসুর
রাহমান:

শোনেন,
যদি
কেউ
মনে
করে
আপনি
তো
না
করতে
পারবেন
না।
আমি
কিন্তু
এটা
নিয়ে
মাথা
ঘামাই
না।



আল
মাহমুদ:

আপনি
মাথা
ঘামান
না।
কিন্তু
আমাকে
তো
জিজ্ঞেস
করা
হয়।
যেমন

জিজ্ঞেস
করল,
জবাবটা
দিতে
হয়।
আমি
কী
জানি
সেটা?
আমি
তো
শামসুর
রাহমানের
কাছে
পড়ার
মতো
ক্ষমতাই
রাখি
না।



শামসুর
রাহমান:

আপনি
হয়তো
আমার
চেয়ে
ভালোই
লেখেন।
যার
যা
প্রাপ্য,
সেটা
তো
সে
পাবেই।



আল
মাহমুদ:

আপনি
একটা
কথা
অন্তত
স্বীকার
করবেন
যে
আমার
কবিতা

পর্যন্ত
এসে
উপস্থিত
হয়েছে
অন্তত
আপনাদের
কাছে—এটা
সহ্য
করার
কোনো
ক্ষমতা
বাংলাদেশের
কোনো
কবির
ছিল
না।
আপনার
অনেক
বন্ধু।
আমিও
আপনার
বন্ধু।
শহীদ
কাদরী,
হাসান
হাফিজুর
রহমান,
আমি
ছাড়া
আর
কারও
সে
পরিশ্রম
ছিল
না।
আমি
সেটা
করছি।
এই
যে
আপনার
বাসায়
ডেকে
আমাকে
ইফতার
করালেন,
দুজন
কথা
বলছি
পাশাপাশি
বসে—এটা
আমার
কবিতা
দিয়ে
আমি
আদায়
করে
নিয়েছি।
আপনার
বড়ত্বটা
বোঝার
ক্ষমতা
আমার
আছে।
আমি
যা
যা
লিখেছি
পাঠ
করেছেন।
তরুণদের
কথায়
আপনি
কোনো
দিন
দ্বিধায়
থাকবেন
না।
আপনি
অনেক
বড়
কবি।
আমি
সাক্ষ্য
দিচ্ছি।
আপনার
সমর্থক
কেউ
নাই।
আমি
আপনাকে
আশ্বাস
দিচ্ছি।
এত
কাজ
কে
করেছে?
কেউ
করেনি।
আমাকে
যতই
বলা
হোক
আমি
একমুখী।
আমি
পল্লির
প্রকৃতির
মধ্যে
কাজ
করেছি।
কিন্তু
আপনি
অনেক
কাজ
করেছেন।



শামসুর
রাহমান:

আপনিও
ভালো
জায়গায়
কাজ
করেছেন।
এতে
কোনো
সন্দেহ
নেই।

ট্যাগঃ

সংবিধানের অনেক কিছু ছাড়াই আমরা এ পর্যন্ত এসেছি: শফিকুর রহমান

মুখোমুখি শামসুর রাহমান ও আল মাহমুদ

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নাসির
আলী
মামুন
:


শামসুর
রাহমান-আল
মাহমুদ
নাম
দুটি
যখন
একসঙ্গে
আসে
তখন
কেমন
লাগে?



আল
মাহমুদ:

এই
বলতে
আমি
লজ্জা
পাই,
আমি
শামসুর
রাহমানের
সমতুল্য
লোক
নই।
কবিতায়ও
যদি
কোথাও
কোথাও
একসঙ্গে
নাম
এসে
থাকে,
তবে
বুঝতে
হবে
যে
আমার
কবিতায়
কিছু
কাজ
আছে।
শামসুর
রাহমানের
সমান
আমি
দাবি
করেছি
কোনো
সময়?



শামসুর
রাহমান:

শোনেন,
যদি
কেউ
মনে
করে
আপনি
তো
না
করতে
পারবেন
না।
আমি
কিন্তু
এটা
নিয়ে
মাথা
ঘামাই
না।



আল
মাহমুদ:

আপনি
মাথা
ঘামান
না।
কিন্তু
আমাকে
তো
জিজ্ঞেস
করা
হয়।
যেমন

জিজ্ঞেস
করল,
জবাবটা
দিতে
হয়।
আমি
কী
জানি
সেটা?
আমি
তো
শামসুর
রাহমানের
কাছে
পড়ার
মতো
ক্ষমতাই
রাখি
না।



শামসুর
রাহমান:

আপনি
হয়তো
আমার
চেয়ে
ভালোই
লেখেন।
যার
যা
প্রাপ্য,
সেটা
তো
সে
পাবেই।



আল
মাহমুদ:

আপনি
একটা
কথা
অন্তত
স্বীকার
করবেন
যে
আমার
কবিতা

পর্যন্ত
এসে
উপস্থিত
হয়েছে
অন্তত
আপনাদের
কাছে—এটা
সহ্য
করার
কোনো
ক্ষমতা
বাংলাদেশের
কোনো
কবির
ছিল
না।
আপনার
অনেক
বন্ধু।
আমিও
আপনার
বন্ধু।
শহীদ
কাদরী,
হাসান
হাফিজুর
রহমান,
আমি
ছাড়া
আর
কারও
সে
পরিশ্রম
ছিল
না।
আমি
সেটা
করছি।
এই
যে
আপনার
বাসায়
ডেকে
আমাকে
ইফতার
করালেন,
দুজন
কথা
বলছি
পাশাপাশি
বসে—এটা
আমার
কবিতা
দিয়ে
আমি
আদায়
করে
নিয়েছি।
আপনার
বড়ত্বটা
বোঝার
ক্ষমতা
আমার
আছে।
আমি
যা
যা
লিখেছি
পাঠ
করেছেন।
তরুণদের
কথায়
আপনি
কোনো
দিন
দ্বিধায়
থাকবেন
না।
আপনি
অনেক
বড়
কবি।
আমি
সাক্ষ্য
দিচ্ছি।
আপনার
সমর্থক
কেউ
নাই।
আমি
আপনাকে
আশ্বাস
দিচ্ছি।
এত
কাজ
কে
করেছে?
কেউ
করেনি।
আমাকে
যতই
বলা
হোক
আমি
একমুখী।
আমি
পল্লির
প্রকৃতির
মধ্যে
কাজ
করেছি।
কিন্তু
আপনি
অনেক
কাজ
করেছেন।



শামসুর
রাহমান:

আপনিও
ভালো
জায়গায়
কাজ
করেছেন।
এতে
কোনো
সন্দেহ
নেই।