মূল
উপস্থাপনায়
ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়ের
স্বাস্থ্য
অর্থনীতি
ইনস্টিটিউটের
অধ্যাপক
সৈয়দ
আবদুল
হামিদ
বলেন,
ওষুধের
৮৫
শতাংশ
কাঁচামাল
বিদেশ
থেকে
আমদানি
করতে
হয়।
এর
জন্য
১
দশমিক
৩
বিলিয়ন
ডলার
দেশের
বাইরে
চলে
যায়।
প্রয়োজনীয়
কাঁচামাল
দেশে
তৈরি
করা
সম্ভব
না
হলে
দেশের
ওষুধনিরাপত্তা
নিশ্চিত
হবে
না।
তিনি
বলেন,
‘সরকার
পোশাকশিল্পকে
যে
সুযোগ
দিয়েছে,
তা
যদি
এপিআই
(অ্যাকটিভ
ফার্মাসিউটিক্যাল
ইনগ্রেডিয়েন্ট)
শিল্পকে
দেয়,
তা
হলে
দৃশ্যপট
পাল্টে
যাবে।’
ইনসেপ্টা
ফার্মাসিউটিক্যালের
প্রেসিডেন্ট
ও
বাংলাদেশ
ওষুধ
শিল্প
সমিতির
সভাপতি
আবদুল
মুক্তাদির
বলেন,
সরকার
হচ্ছে
ওষুধ
শিল্প
সমিতির
সবচেয়ে
বড়
বন্ধু।
বাংলাদেশ
ওষুধ
বা
তৈরি
পোশাকশিল্পে
যে
সাফল্য
দেখিয়েছে,
ওষুধের
কাঁচামালের
ক্ষেত্রেও
সেই
সাফল্য
দেখানোর
সামর্থ্য
রাখে।
বাংলাদেশ
এখন
যেকোনো
মলিকিউল
তৈরি
করতে
পারে।
তিনি
আরও
বলেন,
তৈরি
পোশাকশিল্পে
বাংলাদেশের
প্রতিযোগী
৩০
থেকে
৩৫টি
দেশ।
ওষুধ
বা
ওষুধের
কাঁচামালের
ক্ষেত্রে
বাংলাদেশের
প্রতিযোগী
শুধু
চীন–ভারতের
মতো
দু–তিনটি
দেশ।
সমিতির
মহাসচিব
ও
ডেল্টা
ফার্মাসিউটিক্যালসের
ব্যবস্থাপনা
পরিচালক
জাকির
হোসেন
বলেন,
সরকারের
নীতি
সহায়তা
ছাড়া
এপিআই
শিল্প
উঠে
দাঁড়াতে
পারবে
না।
এডমিন 









