রাতের
ইবাদত
সম্পর্কে
আল্লাহ–তাআলা
বলেন,
“নিশ্চয়ই
রাতে
ওঠা
প্রবৃত্তি
দমনে
অধিক
সহায়ক
এবং
উচ্চারণে
অধিক
স্থির।”
(সুরা
মুজ্জাম্মিল,
আয়াত:
৬)।
রাতের
নির্জনতা,
কর্মব্যস্ততার
অবসান
এবং
হৃদয়ের
স্থিরতা—এসব
কারণে
কোরআন
গভীর
অনুধাবনের
জন্য
রাত
বিশেষ
উপযোগী।
এ
সময়
দিল
ও
জবান
একসঙ্গে
কোরআনের
আয়াতের
সঙ্গে
যুক্ত
হতে
পারে;
ফলে
তেলাওয়াত
শুধু
শব্দোচ্চারণে
সীমাবদ্ধ
না
থেকে
অন্তরে
প্রভাব
বিস্তার
করে।
রমজানের
সঙ্গে
কোরআনের
সম্পর্কের
সবচেয়ে
বড়
দলিল
হলো
আল্লাহ–তাআলার
ঘোষণা,
“রমজান
মাস,
যাতে
কোরআন
অবতীর্ণ
হয়েছে।”
(সুরা
বাকারা,
আয়াত:
১৮৫)
এ
আয়াত
রমজানকে
কোরআনের
মাস
হিসেবে
প্রতিষ্ঠিত
করেছে।
হজরত
ইবনে
আব্বাস
(রা.)-এর
ব্যাখ্যা
অনুযায়ী,
লায়লাতুল
কদরের
রাতে
লওহে
মাহফুজ
থেকে
দুনিয়ার
আকাশে
অবস্থিত
‘বাইতুল
ইজ্জত’-এ
পূর্ণ
কোরআন
একবারে
অবতীর্ণ
করা
হয়।
এ
বিষয়ে
আল্লাহ–তাআলা
বলেন,
“নিশ্চয়
আমি
তা
লায়লাতুল
কদরের
রাতে
অবতীর্ণ
করেছি।”
(সুরা
কদর,
আয়াত:
১)
অন্যত্র
বলেন,
“নিশ্চয়
আমি
তা
এক
বরকতময়
রাতে
অবতীর্ণ
করেছি।”
(সুরা
দুখান,
আয়াত:
৩)
এসব
আয়াত
ও
বর্ণনা
থেকে
প্রতীয়মান
হয়,
রমজান
শুধু
রোজার
মাস
নয়;
এটি
ওহির
সূচনা
ও
কোরআনের
অবতরণের
মাস।
এডমিন 

















