০৫:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিঃসঙ্গ কারাকক্ষে ইমরান খান

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • 18

পাকিস্তানের
সাবেক
প্রধানমন্ত্রী
ইমরান
খানকে
বাইরের
বিশ্বের
সঙ্গে
যোগাযোগ
করতে
দেওয়া
হচ্ছে
না।
তাঁকে
ফাঁসির
আসামি
রাখার
কক্ষে
একাকী
রাখা
হয়েছে।
ইমরান
খানের
ছেলে
কাসিম
খান
২৭
নভেম্বর
এক্সে
করা
এক
পোস্টে

দাবি
করেন।
এদিকে
গতকাল
শনিবারও
ইমরান
খানের
দল
পাকিস্তান
তেহরিক–ই–ইনসাফের
(পিটিআই)
নেতা–কর্মীরা
তাঁর
জীবিত
থাকার
প্রমাণের
দাবিতে
প্রতিবাদ
করেছেন।

কাসিম
খান
বলেছেন,
আদালত
থেকে
তাঁর
বাবার
সঙ্গে
সাক্ষাতের
অনুমতি
থাকলেও
পরিবারের
সদস্যদের
সঙ্গে
তাঁকে
দেখা
করতে
দেওয়া
হয়নি।
তাঁর
বাবাকে
সম্পূর্ণ
অস্বচ্ছতার
মধ্যে
একটি
ফাঁসির
কক্ষে
একাকী
বন্দী
করে
রাখা
হয়েছে।
তিনি
আরও
বলেন,
বাবার
সঙ্গে
তাঁদের
কোনো
ফোনে
কথা
হয়নি,
কোনো
সাক্ষাতের
সুযোগও
দেওয়া
হয়নি।
এমনকি
তাঁর
জীবিত
থাকার
কোনো
প্রমাণও
দেওয়া
হয়নি।
তিনি
আরও
বলেন,
সাবেক
প্রধানমন্ত্রীকে
এমন
এক
অন্ধকার
কক্ষে
রাখা
হয়েছে,
যা
সাধারণত
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত
বন্দীদের
জন্য
ব্যবহার
করা
হয়।

কাসিম
খান
আরও
বলেন,
‘দিনে
২২
ঘণ্টা
একাকী
ফাঁসিকক্ষে
রাখা,
তাঁর
চিকিৎসককে
দূরে
রাখা,
ছয়
মাস
ধরে
পরিবারের
ফোনকল
বন্ধ
রাখা,
সম্পূর্ণ
যোগাযোগ
বিচ্ছিন্ন
করে
দেওয়া—এসবই
মানসিক
নিপীড়ন।
এটি
তাঁর
মনোবল
ভেঙে
ফেলার
জন্য
পরিকল্পিত
নিষ্ঠুরতা।’

ট্যাগঃ

নিঃসঙ্গ কারাকক্ষে ইমরান খান

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

পাকিস্তানের
সাবেক
প্রধানমন্ত্রী
ইমরান
খানকে
বাইরের
বিশ্বের
সঙ্গে
যোগাযোগ
করতে
দেওয়া
হচ্ছে
না।
তাঁকে
ফাঁসির
আসামি
রাখার
কক্ষে
একাকী
রাখা
হয়েছে।
ইমরান
খানের
ছেলে
কাসিম
খান
২৭
নভেম্বর
এক্সে
করা
এক
পোস্টে

দাবি
করেন।
এদিকে
গতকাল
শনিবারও
ইমরান
খানের
দল
পাকিস্তান
তেহরিক–ই–ইনসাফের
(পিটিআই)
নেতা–কর্মীরা
তাঁর
জীবিত
থাকার
প্রমাণের
দাবিতে
প্রতিবাদ
করেছেন।

কাসিম
খান
বলেছেন,
আদালত
থেকে
তাঁর
বাবার
সঙ্গে
সাক্ষাতের
অনুমতি
থাকলেও
পরিবারের
সদস্যদের
সঙ্গে
তাঁকে
দেখা
করতে
দেওয়া
হয়নি।
তাঁর
বাবাকে
সম্পূর্ণ
অস্বচ্ছতার
মধ্যে
একটি
ফাঁসির
কক্ষে
একাকী
বন্দী
করে
রাখা
হয়েছে।
তিনি
আরও
বলেন,
বাবার
সঙ্গে
তাঁদের
কোনো
ফোনে
কথা
হয়নি,
কোনো
সাক্ষাতের
সুযোগও
দেওয়া
হয়নি।
এমনকি
তাঁর
জীবিত
থাকার
কোনো
প্রমাণও
দেওয়া
হয়নি।
তিনি
আরও
বলেন,
সাবেক
প্রধানমন্ত্রীকে
এমন
এক
অন্ধকার
কক্ষে
রাখা
হয়েছে,
যা
সাধারণত
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত
বন্দীদের
জন্য
ব্যবহার
করা
হয়।

কাসিম
খান
আরও
বলেন,
‘দিনে
২২
ঘণ্টা
একাকী
ফাঁসিকক্ষে
রাখা,
তাঁর
চিকিৎসককে
দূরে
রাখা,
ছয়
মাস
ধরে
পরিবারের
ফোনকল
বন্ধ
রাখা,
সম্পূর্ণ
যোগাযোগ
বিচ্ছিন্ন
করে
দেওয়া—এসবই
মানসিক
নিপীড়ন।
এটি
তাঁর
মনোবল
ভেঙে
ফেলার
জন্য
পরিকল্পিত
নিষ্ঠুরতা।’