গবেষণাপত্রের
লেখকদের
একজন
ড্যানিয়েল
ওয়াং
যুক্তরাষ্ট্রের
বোস্টনে
হার্ভার্ড
টিএইচ
চ্যান
স্কুল
অব
পাবলিক
হেলথ
মেডিক্যাল
স্কুলের
পুষ্টিবিদ্যা
বিভাগের
সহকারী
অধ্যাপক।
তিনি
বলেন,
যাঁরা
মধ্যবয়সে
কফি
পান
করেন,
তাঁদের
পরে
ডিমেনশিয়ায়
আক্রান্ত
হওয়ার
ঝুঁকি
১৮
শতাংশ
কমে।
আর
চা–পানকারীদের
এই
ঝুঁকি
কমে
১৪
শতাংশ।
তবে
এই
চা–কফি
হতে
হবে
ক্যাফেইনযুক্ত।
ক্যাফেইনযুক্ত
চা–কফি
খেলে
সুস্থতার
সঙ্গে
বয়স
বাড়ে
বলে
আগের
বিভিন্ন
গবেষণায়ও
উঠে
এসেছে।
হৃদ্রোগের
ঝুঁকিও
কমে।
ফলে
নতুন
গবেষণার
ফলে
শরীরের
ওপর
চা–কফির
উপকারিতা
আরও
পোক্ত
হলো।
কলোরাডো
বিশ্ববিদ্যালয়ের
সহযোগী
অধ্যাপক
ডেভিড
কাও
বলেন,
অনেকে
সুস্থ
থাকতে
সকালে
চা–কফি
বাদ
দিতে
বলেন।
তবে
গবেষণায়
দেখা
গেছে,
এর
কোনো
দরকার
নেই।
এর
মানে
এই
নয়
যে
ডিমেনশিয়ার
ঝুঁকি
কমাতে
বেশি
কফি
খাবেন।
এ
নিয়ে
সতর্ক
করেছেন
কানাডার
টরন্টো
বিশ্ববিদ্যালয়ের
পুষ্টিবিজ্ঞান
বিভাগের
অধ্যাপক
সারা
মাহদাভি।
তিনি
বলেন,
‘বেশি
মানেই
সব
সময়
ভালো
নয়।
শুধু
মস্তিষ্ককে
রক্ষার
জন্য
কফি
খাওয়া
বাড়ানো
যাবে
না।
যাঁদের
উদ্বেগ,
অনিদ্রা,
হৃদ্যন্ত্রের
সমস্যা
আছে,
তাঁদের
বেশি
কফি
খাওয়া
নিয়ে
সতর্ক
থাকতে
হবে।
এডমিন 














