০১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুর্দি কারা? ট্রাম্প কেন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তাদের চায়?

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
  • 13

যুক্তরাষ্ট্রের
আকাশ
সমর্থন
এবং
মাটিতে
সামরিক
উপদেষ্টাদের
সহায়তা
থাকলে
পেশমার্গারা
ইরানের
কুর্দি
অধ্যুষিত
অঞ্চলে
কিছু
এলাকা
দখল

নিয়ন্ত্রণে
রাখতে
সক্ষম
হতে
পারে।
তবে
বিশ্লেষকদের
মতে,
সীমান্ত
অতিক্রম
করে
অনেক
দূর
এগিয়ে
যাওয়ার
মতো
সামর্থ্য
তাদের
নেই।

বরং
লক্ষ্য
হতে
পারে
ইরানের
সামরিক
বাহিনীকে
সীমান্তবর্তী
অঞ্চলে
ব্যস্ত
রাখতে
বাধ্য
করা,
যাতে
তাদের
গুরুত্বপূর্ণ
সেনা

সম্পদ
সেখানেই
আটকে
পড়ে।
একই
সঙ্গে
ইরানের
অন্য
জাতিগত
গোষ্ঠীগুলোকেও
নিজেদের
আন্দোলন
শুরু
করতে
উৎসাহিত
করা
হতে
পারে,
যা
সম্ভবত
যুক্তরাষ্ট্রের
সহায়তাও
পেতে
পারে।

তবে
এই
পরিকল্পনার
ঝুঁকিও
কম
নয়,
এবং
কুর্দি
নেতারা
তা
খুব
ভালোভাবেই
জানেন।
আপাতত
ইরাকের
উত্তরাঞ্চলের
মূলধারার
কুর্দি
নেতৃত্ব
বলছে,
তারা
নিরপেক্ষ
অবস্থানে
থাকবে।
তাদের
এই
অবস্থান
অস্বাভাবিক
নয়।
ইতিহাস
বলছে,
বড়
কোনো
যুদ্ধ
শুরু
হলেই
কুর্দিরা
প্রায়ই
দুই
পক্ষের
সংঘর্ষের
মাঝখানে
পড়ে
যায়।
তখন
আবারও
প্রমাণিত
হয়,
শেষ
পর্যন্ত
তাদের
প্রকৃত
আশ্রয়
একটাই—পাহাড়ের
উঁচু
চূড়াগুলো।


  • জেসন
    বার্ক

    দ্য
    গার্ডিয়ানের
    আন্তর্জাতিক
    নিরাপত্তাবিষয়ক
    সংবাদদাতা।

    দ্য
    গার্ডিয়ান
    থেকে
    নেওয়া,
    ইংরেজি
    থেকে
    অনূদিত

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

কুর্দি কারা? ট্রাম্প কেন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তাদের চায়?

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের
আকাশ
সমর্থন
এবং
মাটিতে
সামরিক
উপদেষ্টাদের
সহায়তা
থাকলে
পেশমার্গারা
ইরানের
কুর্দি
অধ্যুষিত
অঞ্চলে
কিছু
এলাকা
দখল

নিয়ন্ত্রণে
রাখতে
সক্ষম
হতে
পারে।
তবে
বিশ্লেষকদের
মতে,
সীমান্ত
অতিক্রম
করে
অনেক
দূর
এগিয়ে
যাওয়ার
মতো
সামর্থ্য
তাদের
নেই।

বরং
লক্ষ্য
হতে
পারে
ইরানের
সামরিক
বাহিনীকে
সীমান্তবর্তী
অঞ্চলে
ব্যস্ত
রাখতে
বাধ্য
করা,
যাতে
তাদের
গুরুত্বপূর্ণ
সেনা

সম্পদ
সেখানেই
আটকে
পড়ে।
একই
সঙ্গে
ইরানের
অন্য
জাতিগত
গোষ্ঠীগুলোকেও
নিজেদের
আন্দোলন
শুরু
করতে
উৎসাহিত
করা
হতে
পারে,
যা
সম্ভবত
যুক্তরাষ্ট্রের
সহায়তাও
পেতে
পারে।

তবে
এই
পরিকল্পনার
ঝুঁকিও
কম
নয়,
এবং
কুর্দি
নেতারা
তা
খুব
ভালোভাবেই
জানেন।
আপাতত
ইরাকের
উত্তরাঞ্চলের
মূলধারার
কুর্দি
নেতৃত্ব
বলছে,
তারা
নিরপেক্ষ
অবস্থানে
থাকবে।
তাদের
এই
অবস্থান
অস্বাভাবিক
নয়।
ইতিহাস
বলছে,
বড়
কোনো
যুদ্ধ
শুরু
হলেই
কুর্দিরা
প্রায়ই
দুই
পক্ষের
সংঘর্ষের
মাঝখানে
পড়ে
যায়।
তখন
আবারও
প্রমাণিত
হয়,
শেষ
পর্যন্ত
তাদের
প্রকৃত
আশ্রয়
একটাই—পাহাড়ের
উঁচু
চূড়াগুলো।


  • জেসন
    বার্ক

    দ্য
    গার্ডিয়ানের
    আন্তর্জাতিক
    নিরাপত্তাবিষয়ক
    সংবাদদাতা।

    দ্য
    গার্ডিয়ান
    থেকে
    নেওয়া,
    ইংরেজি
    থেকে
    অনূদিত