১২:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘ঈদের দিনে দায়িত্ব পালনে একধরনের ভালো লাগা কাজ করে’

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
  • 8

ঈদের
দিনে
দায়িত্ব
পালনকে
পেশাগত
কর্তব্যের
পাশাপাশি
সহকর্মীদের
প্রতি
দায়বদ্ধতাসহ
মানুষের
পাশে
থাকার
একটি
মানবিক
সুযোগ
হিসেবে
দেখেন
এই
চিকিৎসক।
ঈদের
সময়
দায়িত্বটা
আরও
বেশি
অনুভব
করেন
বলেও
জানান
তিনি।
ঈদের
ছুটিতে
শহরের
অনেকেই
গ্রামে
চলে
গেছেন।
তাই
সড়কে
যানবাহন
কম।
যানজটও
তেমন
নেই।
কিন্তু
যাঁরা
আছেন,
তাঁদের
নিরাপদ
চলাচল
নিশ্চিত
করতে
সড়কে
দায়িত্ব
পালন
করছেন
ট্রাফিক
পুলিশের
সদস্যরা।
ঈদের
দিন
হলেও
দায়িত্বে
কোনো
ছাড়
নেই।
তা
ছাড়া
ঢাকার
কিছু
গুরুত্বপূর্ণ
মোড়ে
এই
দিনেও
যানবাহনের
চাপ
থাকে।
বিশেষ
করে
ব্যক্তিগত
গাড়ি,
ব্যাটারিচালিত
রিকশা,
সিএনজিচালিত
অটোরিকশা,
মোটরসাইকেলের
চলাচল
নিয়ন্ত্রণে
রাখতে
ট্রাফিক
পুলিশের
সদস্যদের
সতর্ক
থাকতে
হয়।

আজ
দুপুর
পৌনে
১২টার
দিকে
বিজয়
সরণি
মোড়ে
(চন্দ্রিমা
উদ্যানসংলগ্ন)
কথা
হয়
ট্রাফিক
সার্জেন্ট
মামুনুর
রশিদের
সঙ্গে।
ঈদের
নামাজের
পর
থেকে
অনেকেই
চন্দ্রিমা
উদ্যানে
পরিবার
নিয়ে
বেড়াতে
আসছেন
বলে
জানালেন
তিনি।
মামুনুর
রশিদ
প্রথম
আলোকে
বলেন,
‘আমাদের
পেশা
এমনই
যে
ঈদসহ
যেকোনো
বড়
উৎসবের
সময়ই
দায়িত্ব
আরও
বেড়ে
যায়।
অন্যদের
ছুটির
দিনে
আমাদের
দায়িত্ব
বেশি
থাকে।’


সময়
দায়িত্ব
পালন
করতে
গিয়ে
পরিবারকে
সময়
দিতে
না
পারার
কষ্টও
রয়েছে
বলে
জানালেন
ট্রাফিক
সার্জেন্ট
মামুনুর
রশিদ।
তিনি
জানান,
তাঁর
গ্রামের
বাড়ি
চাঁপাইনবাবগঞ্জে।
সেখানে
তাঁর
মা
থাকেন।
কিন্তু
সেখানে
তাঁর
এই
ঈদে
যাওয়ার
সুযোগ
হয়নি।
ঢাকায়
স্ত্রী-সন্তান
আছে।
ঈদের
দিনে
ডিউটির
কারণে
তাঁদের
সঙ্গেও
সময়
কাটানো
সম্ভব
হচ্ছে
না
তাঁর।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

‘ঈদের দিনে দায়িত্ব পালনে একধরনের ভালো লাগা কাজ করে’

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

ঈদের
দিনে
দায়িত্ব
পালনকে
পেশাগত
কর্তব্যের
পাশাপাশি
সহকর্মীদের
প্রতি
দায়বদ্ধতাসহ
মানুষের
পাশে
থাকার
একটি
মানবিক
সুযোগ
হিসেবে
দেখেন
এই
চিকিৎসক।
ঈদের
সময়
দায়িত্বটা
আরও
বেশি
অনুভব
করেন
বলেও
জানান
তিনি।
ঈদের
ছুটিতে
শহরের
অনেকেই
গ্রামে
চলে
গেছেন।
তাই
সড়কে
যানবাহন
কম।
যানজটও
তেমন
নেই।
কিন্তু
যাঁরা
আছেন,
তাঁদের
নিরাপদ
চলাচল
নিশ্চিত
করতে
সড়কে
দায়িত্ব
পালন
করছেন
ট্রাফিক
পুলিশের
সদস্যরা।
ঈদের
দিন
হলেও
দায়িত্বে
কোনো
ছাড়
নেই।
তা
ছাড়া
ঢাকার
কিছু
গুরুত্বপূর্ণ
মোড়ে
এই
দিনেও
যানবাহনের
চাপ
থাকে।
বিশেষ
করে
ব্যক্তিগত
গাড়ি,
ব্যাটারিচালিত
রিকশা,
সিএনজিচালিত
অটোরিকশা,
মোটরসাইকেলের
চলাচল
নিয়ন্ত্রণে
রাখতে
ট্রাফিক
পুলিশের
সদস্যদের
সতর্ক
থাকতে
হয়।

আজ
দুপুর
পৌনে
১২টার
দিকে
বিজয়
সরণি
মোড়ে
(চন্দ্রিমা
উদ্যানসংলগ্ন)
কথা
হয়
ট্রাফিক
সার্জেন্ট
মামুনুর
রশিদের
সঙ্গে।
ঈদের
নামাজের
পর
থেকে
অনেকেই
চন্দ্রিমা
উদ্যানে
পরিবার
নিয়ে
বেড়াতে
আসছেন
বলে
জানালেন
তিনি।
মামুনুর
রশিদ
প্রথম
আলোকে
বলেন,
‘আমাদের
পেশা
এমনই
যে
ঈদসহ
যেকোনো
বড়
উৎসবের
সময়ই
দায়িত্ব
আরও
বেড়ে
যায়।
অন্যদের
ছুটির
দিনে
আমাদের
দায়িত্ব
বেশি
থাকে।’


সময়
দায়িত্ব
পালন
করতে
গিয়ে
পরিবারকে
সময়
দিতে
না
পারার
কষ্টও
রয়েছে
বলে
জানালেন
ট্রাফিক
সার্জেন্ট
মামুনুর
রশিদ।
তিনি
জানান,
তাঁর
গ্রামের
বাড়ি
চাঁপাইনবাবগঞ্জে।
সেখানে
তাঁর
মা
থাকেন।
কিন্তু
সেখানে
তাঁর
এই
ঈদে
যাওয়ার
সুযোগ
হয়নি।
ঢাকায়
স্ত্রী-সন্তান
আছে।
ঈদের
দিনে
ডিউটির
কারণে
তাঁদের
সঙ্গেও
সময়
কাটানো
সম্ভব
হচ্ছে
না
তাঁর।