১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাতীয় নির্বাচন ঘিরে শঙ্কা ও সতর্কতাগুলো কী

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 14

বর্তমানে
রাজনৈতিক
দলগুলোর
মধ্যে
অনৈক্য
খুবই
ভয়াবহ
আকার
ধারণ
করেছে।
যদি
খেয়াল
করি,
দেখা
যাবে
যে
বর্তমানে
ক্রিয়াশীল
রাজনৈতিক
দলগুলো
কোনো
না
কোনোভাবে
একে
অপরের
বিপরীত
মেরুতে
অবস্থান
করছে।
একদিকে
বিএনপি
বলছে
যে
তারা
কোনোভাবেই
পিআর
সিস্টেম
গ্রহণ
করবে
না,
অন্যদিকে
জামায়াত
পিআরের
জন্য
এখনো
আন্দোলনরত।
আবার
প্রধান
উপদেষ্টা
উচ্চকক্ষে
পিআরের
ঘোষণা
দেওয়ায় 
বিএনপি
মনঃক্ষুণ্ন। 

শুধু
তা-ই
নয়,
জুলাই
সনদের
মতো
গুরুত্বপূর্ণ
বিষয়
নিয়েও
রাজনৈতিক
দলগুলোর
মধ্যে
বিরোধ
দেখা
দিয়েছে।
একদিকে
জামায়াত
বলছে
নির্বাচনের
আগেই
গণভোট
হতে
হবে,
অন্যদিকে
বিএনপি
নির্বাচনের
দিন
ছাড়া
কোনো
ভোট
মানবে
না।

ক্ষেত্রে
প্রধান
উপদেষ্টার
একই
দিনে
নির্বাচন

গণভোটের
ঘোষণায়
জামায়াত
সরকারের
প্রতি
অসন্তুষ্ট।

তৃণমূলের
অবস্থা
আরও
ভয়াবহ।
সেখানে
বিএনপির
অন্তর্দলীয়
বিভাজন
এবং
সংঘর্ষের
ঘটনা
রীতিমতো
আশঙ্কাজনক।
অপরদিকে
জামায়াত-বিএনপি,
বিএনপি
এবং
অন্যান্য
দলের
মধ্যে
সংঘর্ষ
ক্রমান্বয়ে
বৃদ্ধি
পাচ্ছে।

বর্তমান
সরকার
বা
নির্বাচন
কমিশনের
এই
সংঘর্ষ
মোকাবিলার
যথাযথ
সক্ষমতা
নেই।
সুতরাং
দলগুলোর
মধ্যে
যদি

ধরনের
বিশৃঙ্খলা
দিন
দিন
বৃদ্ধি
পায়,
তবে
তা
নির্বাচনকে
প্রশ্নবিদ্ধ
করবে
এবং
নির্বাচনের
গ্রহণযোগ্যতাকে
কমিয়ে
দেবে।
সর্বোপরি
নির্বাচন
আয়োজনের
পুরো
প্রক্রিয়াকেই
প্রশ্নের
মুখে
ফেলবে। 

অপরদিকে
আমাদের
দেশে
পরাজিত
প্রার্থী
কিংবা
দলের
নির্বাচন
বর্জনের
প্রথাও
কম
প্রচলিত
নয়।
ফলে
কোনো
রাজনৈতিক
দল
যদি
নির্বাচনের
ফলাফল
প্রত্যাখ্যান
করে
নতুন
করে
নির্বাচনের
দাবিতে
সরব
হয়,
তবে
তা
দেশকে
একটি
অনিশ্চয়তার
দিকে
ধাবিত
করবে। 

ট্যাগঃ

জাতীয় নির্বাচন ঘিরে শঙ্কা ও সতর্কতাগুলো কী

আপডেট সময়ঃ ১২:০২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

বর্তমানে
রাজনৈতিক
দলগুলোর
মধ্যে
অনৈক্য
খুবই
ভয়াবহ
আকার
ধারণ
করেছে।
যদি
খেয়াল
করি,
দেখা
যাবে
যে
বর্তমানে
ক্রিয়াশীল
রাজনৈতিক
দলগুলো
কোনো
না
কোনোভাবে
একে
অপরের
বিপরীত
মেরুতে
অবস্থান
করছে।
একদিকে
বিএনপি
বলছে
যে
তারা
কোনোভাবেই
পিআর
সিস্টেম
গ্রহণ
করবে
না,
অন্যদিকে
জামায়াত
পিআরের
জন্য
এখনো
আন্দোলনরত।
আবার
প্রধান
উপদেষ্টা
উচ্চকক্ষে
পিআরের
ঘোষণা
দেওয়ায় 
বিএনপি
মনঃক্ষুণ্ন। 

শুধু
তা-ই
নয়,
জুলাই
সনদের
মতো
গুরুত্বপূর্ণ
বিষয়
নিয়েও
রাজনৈতিক
দলগুলোর
মধ্যে
বিরোধ
দেখা
দিয়েছে।
একদিকে
জামায়াত
বলছে
নির্বাচনের
আগেই
গণভোট
হতে
হবে,
অন্যদিকে
বিএনপি
নির্বাচনের
দিন
ছাড়া
কোনো
ভোট
মানবে
না।

ক্ষেত্রে
প্রধান
উপদেষ্টার
একই
দিনে
নির্বাচন

গণভোটের
ঘোষণায়
জামায়াত
সরকারের
প্রতি
অসন্তুষ্ট।

তৃণমূলের
অবস্থা
আরও
ভয়াবহ।
সেখানে
বিএনপির
অন্তর্দলীয়
বিভাজন
এবং
সংঘর্ষের
ঘটনা
রীতিমতো
আশঙ্কাজনক।
অপরদিকে
জামায়াত-বিএনপি,
বিএনপি
এবং
অন্যান্য
দলের
মধ্যে
সংঘর্ষ
ক্রমান্বয়ে
বৃদ্ধি
পাচ্ছে।

বর্তমান
সরকার
বা
নির্বাচন
কমিশনের
এই
সংঘর্ষ
মোকাবিলার
যথাযথ
সক্ষমতা
নেই।
সুতরাং
দলগুলোর
মধ্যে
যদি

ধরনের
বিশৃঙ্খলা
দিন
দিন
বৃদ্ধি
পায়,
তবে
তা
নির্বাচনকে
প্রশ্নবিদ্ধ
করবে
এবং
নির্বাচনের
গ্রহণযোগ্যতাকে
কমিয়ে
দেবে।
সর্বোপরি
নির্বাচন
আয়োজনের
পুরো
প্রক্রিয়াকেই
প্রশ্নের
মুখে
ফেলবে। 

অপরদিকে
আমাদের
দেশে
পরাজিত
প্রার্থী
কিংবা
দলের
নির্বাচন
বর্জনের
প্রথাও
কম
প্রচলিত
নয়।
ফলে
কোনো
রাজনৈতিক
দল
যদি
নির্বাচনের
ফলাফল
প্রত্যাখ্যান
করে
নতুন
করে
নির্বাচনের
দাবিতে
সরব
হয়,
তবে
তা
দেশকে
একটি
অনিশ্চয়তার
দিকে
ধাবিত
করবে।