বাংলাদেশের
কেন্দ্রীয়
ব্যাংকের
নতুন
গভর্নরের
সুদের
হার
সংক্রান্ত
নীতি
বাজারে
আরো
বহুমাত্রিক
প্রভাব
ফেলতে
পারে
যার
মধ্যে
রয়েছে
টাকার
বিনিময়
হারের
ব্যাপক
পতন,
শেয়ার
ও
বন্ড
মার্কেটে
প্রভাব
ও
আবাসন
খাতে
প্রভাব।
সুদের
হার
কমালে
বা
কমতে
পারে
এমন
সম্ভাবনা
থাকলে
আন্তর্জাতিক
বাজারে
দেশীয়
মুদ্রার
মান
কমে
যায়
যার
ফলে
আমদানি
ব্যয়
বৃদ্ধি
পায়।
বাংলাদেশের
মতো
একটি
দেশে
যেখানে
নিত্য
প্রয়োজনীয়
পণ্য
সামগ্রী
থেকে
শুরু
করে
মূলধনী
যন্ত্রপাতি
ও
জ্বালানি
আমদানি
করতে
হয়
সেখানে
টাকার
মূল্যের
অবমূল্যায়ন
দৈনন্দিন
জীবনযাত্রা
ও
শিল্পায়নকে
বাধাগ্রস্ত
করবে
সেটাই
স্বাভাবিক।
নিম্ন
সুদের
হার
আবাসন
খাতকে
চাঙা
করে
ফলে
বিশাল
অঙ্কের
টাকা
এই
অনুৎপাদনশীল
খাতে
বিনিয়োগ
হতে
পারে
যা
দীর্ঘ
মেয়াদে
মোটেই
সুখকর
নয়।
তা
ছাড়া
সুদের
হার
কমতে
থাকলে
মানুষ
অতি
মাত্রায়
শেয়ার
বাজারের
দিকে
ঝুঁকতে
পারে।
যদিও
অর্থনীতির
স্বাভাবিক
নিয়মে
এই
প্রবণতা
আর্থিক
খাতের
জন্য
ভালো
কিন্তু
বাংলাদেশের
শেয়ার
বাজারের
প্রাতিষ্ঠানিক
দুর্বলতার
কারণে
বিনিয়োগকারীদের
জন্য
তা
বিশেষ
ঝুঁকিপূর্ণ
হতে
পারে।
বাংলাদেশের
শেয়ার
বাজারের
অতীত
ইতিহাসের
আলোকে
এ
কথা
বলা
যায়
যে
নিম্ন
সুদের
কারণে
অধিক
সংখ্যক
মানুষের
শেয়ারবাজারমুখিতা
মুষ্টিমেয়
কিছু
মানুষের
জন্য
অনৈতিক
অর্থ
প্রাপ্তির
সুযোগ
সৃষ্টি
করে
দিতে
পারে।
যদিও
অর্থনীতিতে
সরল
সমীকরণ
বলে
কিছু
নেই,
অর্থাৎ
প্রতিটি
নীতির
ভালো
বা
মন্দ
দিক
থাকতে
পারে
তথাপি
সময়
ও
পরিস্থিতির
পরিপ্রেক্ষিতে
কখনো
কখনো
কোনো
কোনো
নীতি
অপর
নীতির
থেকে
প্রাসঙ্গিক
ও
কার্যকর
হয়ে
ওঠে।
সেই
ধারাবাহিকতায়
বর্তমান
প্রেক্ষাপটে
শিথিল
মুদ্রানীতি
বাংলাদেশের
জন্য
মোটেই
উপযোগী
নয়
আর
এই
বাস্তবতা
কেন্দ্রীয়
ব্যাংকের
কর্তাব্যক্তিদের
অবশ্যই
অনুধাবন
করতে
হবে।
আর
যদি
তা
তারা
অনুধাবন
করতে
না
চান
তবে
তাদের
কার্যক্রমে
রাজনৈতিক
প্রভাবের
প্রশ্ন
আসতেই
পারে
যা
এই
মুহূর্তে
আমাদের
কারো
কাম্য
নয়।
-
অধ্যাপক
মসফিক
উদ্দিন
লিডস
বিশ্ববিদ্যালয়,
যুক্তরাজ্য
*মতামত
লেখকের
নিজস্ব
এডমিন 





