অভিনাশ
পালিওয়াল
মনে
করেন,
আগামী
১২
থেকে
১৮
মাস
সম্পর্কে
অস্থিরতা
চলতে
পারে।
এর
তীব্রতা
কতটুকু
হবে,
তা
আগামী
বছর
বাংলাদেশে
অনুষ্ঠেয়
নির্বাচনের
ওপর
নির্ভর
করবে।
অভিনাশ
পালিওয়াল
বলেন,
‘যদি
অন্তর্বর্তী
সরকার
গ্রহণযোগ্যতার
সঙ্গে
নির্বাচন
আয়োজন
করতে
পারে
এবং
একটি
নির্বাচিত
সরকার
ক্ষমতা
গ্রহণ
করে।
তাহলে
তা
দুই
পক্ষের
জন্য
সম্পর্ক
পুনর্নির্মাণ
এবং
ক্ষতির
পরিমাণ
কমিয়ে
আনার
সুযোগ
তৈরি
করতে
পারে।’
এ
অনিশ্চয়তায়
দিল্লিকে
শুধু
তাৎক্ষণিক
কৌশলগত
পদক্ষেপ
নিতে
হচ্ছে
তা
নয়,
বরং
আরেকটি
বড়
বিষয়ও
সামনে
আসছে।
সেটা
হলো,
মানবাধিকার
লঙ্ঘনের
অভিযোগে
বিতর্কিত
নেতাদের
আড়াল
করছে
ভারত—এমন
সমালোচনার
মুখে
না
পড়ে
তারা
কীভাবে
তাদের
সঙ্গে
বন্ধুত্বপূর্ণ
সম্পর্কে
থাকা
সরকারগুলোকে
‘সুখেদুখে
সব
সময়ই
পাশে
থাকার’
আশ্বাস
দিতে
পারে?
এ
সংকটের
কোনো
জাদুকরি
সমাধান
নেই।
পালিওয়াল
বলেন,
এর
চেয়ে
গুরুত্বপূর্ণ
প্রশ্নটি
হলো,
ভারত
কেন
এই
সমস্যায়
পড়েছে?
অন্যভাবে
বললে,
দীর্ঘদিন
ধরে
হাসিনাকে
এককভাবে
সমর্থন
দিয়ে
দিল্লি
কি
‘সবকিছু
এক
ঝুড়িতে
ঢেলেছে’?
বাংলাদেশে
ভারতের
সাবেক
হাইকমিশনার
পিনাক
রঞ্জন
চক্রবর্তী
বলেন,
‘ক্ষমতায়
যে
থাকে,
যে
বন্ধুত্বপূর্ণ
এবং
আপনার
কাজ
সমাধানে
সহযোগিতা
করে,
তার
সঙ্গেই
আপনি
কাজ
করেন।
আপনি
কেন
এটা
পরিবর্তন
করবেন?
পররাষ্ট্রনীতি
সাধারণত
জনগণের
মনোভাব
বা
নৈতিকতা
দিয়ে
পরিচালিত
হয়
না,
রাষ্ট্রীয়
সম্পর্কগুলো
খুব
কমই
এমন
হয়।’
পিনাক
রঞ্জন
চক্রবর্তী
বলেন,
‘আমরা
অভ্যন্তরীণভাবে
বাংলাদেশের
রাজনীতি
নিয়ন্ত্রণ
করতে
পারি
না।
এটা
কলহপ্রিয়,
গভীরভাবে
বিভাজনমূলক
এবং
ভঙ্গুর
প্রতিষ্ঠানগুলোর
ওপর
ভিত্তি
করে
গড়ে
উঠেছে।’
কুগেলম্যান
বলেন,
ভারত
এই
গভীর
রাজনৈতিক
বিভাজনকে
পাশ
কাটিয়ে
পক্ষগুলোকে
একটি
জায়গায়
আনতে
পারবে
কি
না,
তা
অনিশ্চিত।
একই
সঙ্গে
অনেক
কিছু
নির্ভর
করছে
বাংলাদেশের
পরবর্তী
সরকারের
ওপর।
তিনি
আরও
বলেন,
‘মুখ্য
বিষয়
হলো,
বাংলাদেশের
পরবর্তী
সরকার
হাসিনার
বিষয়টিকে
দ্বিপক্ষীয়
সম্পর্কের
ওপর
কতটা
প্রভাব
ফেলতে
দেবে।
যদি
তারা
এ
সম্পর্ককে
জিম্মি
করে
রাখে,
তাহলে
সামনে
এগোনো
কঠিন
হবে।’
শেষ
পর্যন্ত
বাংলাদেশের
পরবর্তী
নির্বাচিত
সরকারকে
অভ্যন্তরীণ
রাজনীতি
এবং
মানুষের
ভারতবিরোধী
মনোভাবের
বিপরীতে
দেশের
মৌলিক
স্বার্থ,
সীমান্ত
নিরাপত্তা,
বাণিজ্য
ও
যোগাযোগ—এগুলোকে
গুরুত্ব
দিতে
হবে
বলে
মনে
করেন
কুগেলম্যান।
‘আমি
দ্বিপক্ষীয়
সম্পর্কে
গুরুতর
সংকটের
আশঙ্কা
করছি
না।
তবে
আমার
ধারণা,
সবচেয়ে
ভালো
পরিস্থিতিতেও
সম্পর্কটা
দুর্বলই
থাকবে,’
বলেন
তিনি।
এডমিন 








