উৎসবের
দ্বিতীয়
দিনটি
দেবীর
আগমন
দিবস।
তাই
ভোর
থেকে
রাত
পর্যন্ত
ঘরে
ঘরে
চলে
প্রবীণ
পূজা।
তৃতীয়
দিনটি
দেবীর
নির্গমন
দিবস।
এদিন
ভোরে
এরা
মঙ্গলাচরণ,
অষ্টশীল
গ্রহণ
ও
পিণ্ডদান,
বিকেলে
গোলাপ
ও
চন্দনমিশ্রিত
জলে
বুদ্ধস্নান,
সন্ধ্যায়
প্রদীপপূজা
এবং
রাতের
আরতিদানের
মধ্য
দিয়ে
উৎসবের
সমাপ্তি
ঘটায়।
এ
ছাড়া
মারমা
সমাজে
রিলংবোয়ে
বা
জলকেলি
অনুষ্ঠানেরও
প্রচলন
রয়েছে।
চাকমাদের
‘বিজু
উৎসব’
উদ্যাপিত
হয়
তিন
দিন।
বাংলা
বর্ষের
শেষ
দিনটিকে
এরা
মূল
বিজু,
তার
আগের
দিনটিকে
ফুল
বিজু
এবং
নববর্ষের
প্রথম
দিনটিকে
‘গুজ্জেই
পজ্জা’
দিন
বলে।
ফুল
বিজুর
দিনে
ছেলেমেয়েরা
খুব
ভোরে
উঠেই
বিভিন্ন
ধরনের
ফুল
তুলে
নিজ
নিজ
বাড়িতে
আনে।
এ
সময়
ঘরবাড়ি
ও
আঙিনা
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন
করে
ফুলে
ফুলে
সাজানো
হয়।
এদিনে
যুবকেরা
একত্রে
শিকারে
এবং
মেয়েরা
তরিতরকারি
সংগ্রহের
জন্য
বেরিয়ে
পড়েন।
রাতে
বাড়িঘরে
মোম
জ্বালিয়ে
আলোকসজ্জা
করা
হয়।
এডমিন 














