এর
আগে
সপ্তাহের
শুরুতে
ফিফার
বিশ্বকাপের
প্রধান
পরিচালন
কর্মকর্তা
হেইমো
শিরগি
বলেছেন,
যুক্তরাষ্ট্র
ও
ইসরায়েলের
সঙ্গে
ইরানের
যুদ্ধ
থেকে
সৃষ্ট
বৈশ্বিক
অস্থিরতার
কারণেও
টুর্নামেন্ট
পেছানোর
সুযোগ
নেই;
কারণ,
এ
আয়োজনের
পরিধি
অনেক
বড়।
তবে
সংস্থাটি
ইরান
যুদ্ধ
পরিস্থিতি
নিবিড়ভাবে
পর্যবেক্ষণ
করছে
বলে
জানিয়েছেন
তিনি।
শিরগি
বলেন,
‘আমরা
মূলত
প্রতিদিনকার
পরিস্থিতি
বিবেচনা
করছি।
কোনো
এক
পর্যায়ে
এর
সমাধান
হবে।
আর
বিশ্বকাপ
অবশ্যই
অনুষ্ঠিত
হবে।
বিশ্বকাপ
এত
বড়
একটি
আয়োজন
যে
আমরা
আশা
করি,
যোগ্যতা
অর্জন
করা
সব
দলই
এতে
অংশ
নিতে
পারবে।’
যদি
যুক্তরাষ্ট্র
ইরানকে
আয়োজক
দেশ
হিসেবে
স্বাগত
জানাতে
অস্বীকৃতি
জানায়,
তবে
ফিফা
তাদের
কাছ
থেকে
বিশ্বকাপ
আয়োজনের
স্বত্ব
কেড়ে
নিতে
পারে।
এমন
ঘটনা
আগেও
ঘটেছে।
তিন
বছর
আগে
ইন্দোনেশিয়া
পুরুষদের
অনূর্ধ্ব-২০
বিশ্বকাপে
ইসরায়েল
ফুটবল
দলকে
স্বাগত
জানাতে
অস্বীকৃতি
জানায়।
যে
কারণে
টুর্নামেন্ট
শুরুর
মাত্র
কয়েক
সপ্তাহ
আগে
ফিফা
ইন্দোনেশিয়ার
কাছ
থেকে
আয়োজক
স্বত্ব
বাতিল
করে
এবং
টুর্নামেন্টটি
আর্জেন্টিনাতে
সরিয়ে
নেওয়া
হয়।
এডমিন 














