০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাজ্যে দ্বিতীয় রাষ্ট্রীয় সফরে ট্রাম্প

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 21

এই
সফর
প্রেসিডেন্ট
ট্রাম্পের
জন্য
এক
ধরনের
মানসিক
স্বস্তির
মতো।
কারণ
সফরের
এক
সপ্তাহেরও
কম
সময়
আগে
তাঁর
ঘনিষ্ঠ
মিত্র

রক্ষণশীল
সংগঠন
চার্লি
কার্ককে
গুলি
করে
হত্যা
করা
হয়েছে।
এই
হত্যাকাণ্ড
ট্রাম্পকে
গভীরভাবে
নাড়া
দিয়েছে।

অন্যদিকে
ব্রিটিশ
প্রধানমন্ত্রী
স্টারমারও
চাইছেন
আলোচনার
কেন্দ্রবিন্দু
যেন
ভূরাজনীতি

বিনিয়োগের
দিকেই
ঘুরে
যায়।
কারণ
গত
কয়েক
সপ্তাহ
অভ্যন্তরীণ
রাজনীতি
নিয়ে
তাঁকে
বেশ
কঠিন
সময়
পার
করতে
হয়েছে।

সম্প্রতি
নিজের
ডেপুটিকে
বরখাস্ত
করতে
বাধ্য
হয়েছেন
স্টারমার।
এর
মাত্র
ছয়
দিন
পর
যুক্তরাষ্ট্রে
নিযুক্ত
রাষ্ট্রদূত
পিটার
ম্যান্ডেলসনকেও
পদত্যাগ
করতে
বাধ্য
করেছেন
তিনি।
ম্যান্ডেলসনের
বিরুদ্ধে
অভিযোগ
ছিল,
যৌন
নিপীড়ক

নারী
পাচারকারী
জেফরি
এপস্টেইনের
সঙ্গে
তিনি
সম্পর্ক
গড়ে
তুলেছিলেন।

স্টারমার
এখন
যুক্তরাষ্ট্রের
সঙ্গে
আর্থিক
সেবা,
প্রযুক্তি
এবং
জ্বালানি
খাতে
ঘনিষ্ঠ
সমন্বয়
গড়ে
তুলে
যুক্তরাজ্যকে
আমেরিকান
বিনিয়োগের
প্রধান
গন্তব্য
হিসেবে
উপস্থাপন
করতে
চেষ্টা
করছেন।
এর
মাধ্যমে
তিনি
নিজ
দেশের
অর্থনৈতিক
প্রবৃদ্ধি
বৃদ্ধি
করতে
চাইছেন।

ট্যাগঃ

যুক্তরাজ্যে দ্বিতীয় রাষ্ট্রীয় সফরে ট্রাম্প

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এই
সফর
প্রেসিডেন্ট
ট্রাম্পের
জন্য
এক
ধরনের
মানসিক
স্বস্তির
মতো।
কারণ
সফরের
এক
সপ্তাহেরও
কম
সময়
আগে
তাঁর
ঘনিষ্ঠ
মিত্র

রক্ষণশীল
সংগঠন
চার্লি
কার্ককে
গুলি
করে
হত্যা
করা
হয়েছে।
এই
হত্যাকাণ্ড
ট্রাম্পকে
গভীরভাবে
নাড়া
দিয়েছে।

অন্যদিকে
ব্রিটিশ
প্রধানমন্ত্রী
স্টারমারও
চাইছেন
আলোচনার
কেন্দ্রবিন্দু
যেন
ভূরাজনীতি

বিনিয়োগের
দিকেই
ঘুরে
যায়।
কারণ
গত
কয়েক
সপ্তাহ
অভ্যন্তরীণ
রাজনীতি
নিয়ে
তাঁকে
বেশ
কঠিন
সময়
পার
করতে
হয়েছে।

সম্প্রতি
নিজের
ডেপুটিকে
বরখাস্ত
করতে
বাধ্য
হয়েছেন
স্টারমার।
এর
মাত্র
ছয়
দিন
পর
যুক্তরাষ্ট্রে
নিযুক্ত
রাষ্ট্রদূত
পিটার
ম্যান্ডেলসনকেও
পদত্যাগ
করতে
বাধ্য
করেছেন
তিনি।
ম্যান্ডেলসনের
বিরুদ্ধে
অভিযোগ
ছিল,
যৌন
নিপীড়ক

নারী
পাচারকারী
জেফরি
এপস্টেইনের
সঙ্গে
তিনি
সম্পর্ক
গড়ে
তুলেছিলেন।

স্টারমার
এখন
যুক্তরাষ্ট্রের
সঙ্গে
আর্থিক
সেবা,
প্রযুক্তি
এবং
জ্বালানি
খাতে
ঘনিষ্ঠ
সমন্বয়
গড়ে
তুলে
যুক্তরাজ্যকে
আমেরিকান
বিনিয়োগের
প্রধান
গন্তব্য
হিসেবে
উপস্থাপন
করতে
চেষ্টা
করছেন।
এর
মাধ্যমে
তিনি
নিজ
দেশের
অর্থনৈতিক
প্রবৃদ্ধি
বৃদ্ধি
করতে
চাইছেন।