প্রেস
সচিব
বলেন,
মাঠ
প্রশাসনে,
বিশেষ
করে
ডিসি,
এডিসি,
ইউএনওসহ
বিচারিক
দায়িত্বে
এমন
কাউকে
পদায়ন
করা
হবে
না;
যিনি
গত
তিনটি
নির্বাচনী
কাজে
যুক্ত
ছিলেন।
ন্যূনতম
ভূমিকা
থাকলেও
তাঁকে
এই
নির্বাচনে
দায়িত্বে
রাখা
হবে
না।
পদায়নের
ক্ষেত্রে
কর্মকর্তার
রাজনৈতিক
সংশ্লিষ্টতা,
শারীরিক
যোগ্যতা,
কর্মদক্ষতা,
গণমাধ্যমে
অনিয়মের
প্রতিবেদন
হয়েছে
কি
না,
তা
দেখা
হবে
বলে
জানান
শফিকুল
আলম।
তিনি
বলেন,
সবচেয়ে
ফিট
কর্মকর্তাকে
সবচেয়ে
ঝুঁকিপূর্ণ
এলাকায়
পদায়ন
করা
হবে।
তবে
নিজ
জেলা
বা
শ্বশুরবাড়ির
এলাকায়
কাউকে
পদায়ন
করা
হবে
না।
তাঁদের
কোনো
আত্মীয়স্বজন
নির্বাচনে
প্রতিদ্বন্দ্বিতা
করছেন
কি
না,
পদায়নের
ক্ষেত্রে
সে
বিষয়েও
লক্ষ
রাখা
হবে।
আগামী
১
নভেম্বর
এগুলো
শুরু
হবে।
শফিকুল
আলম
আরও
বলেন,
স্বরাষ্ট্র
উপদেষ্টাও
সভায়
জানিয়েছেন
যে
পুলিশের
পদায়নের
বিষয়েও
একইভাবে
উদ্যোগ
নেওয়া
হয়েছে।
৬৪
জেলার
এসপিদের
তালিকা
করা
হয়েছে।
এডমিন 









