০১:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগ দলগতভাবে জড়িত

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 14

কমিশনের
প্রধান
ফজলুর
রহমান
বলেন,
তদন্তকাজ
সুষ্ঠু,
নিরপেক্ষ

ত্রুটিমুক্ত
করার
স্বার্থে
সর্বোচ্চ
পেশাদারত্ব
বজায়
রাখা
হয়েছে।
তিনি
বলেন,
‘আমরা
যখন
কাজ
শুরু
করি,
তখন
১৬
বছর
আগের
এই
ঘটনার
বহু
আলামত
ধ্বংস
হয়ে
গেছে।
এই
ঘটনার
সঙ্গে
সম্পৃক্ত
অনেকে
বিদেশে
চলে
গেছেন।
আমরা
দুটি
প্রক্রিয়ার
মধ্য
দিয়ে
গেছি।
সাক্ষীদের
ডাকলাম,
কারও
কারও
আট
ঘণ্টা
পর্যন্ত
বক্তব্য
শুনেছি।
যতক্ষণ
তিনি
বলতে
চেয়েছেন।
যাঁরা
তদন্তে
জড়িত
ছিলেন,
তাঁদের
সঙ্গে
কথা
বলেছি।
তাঁদের
তদন্তের
রিপোর্ট
সংগ্রহ
করেছি,
অন্যান্য
উপাদান
সংগ্রহ
করেছি।’

ফজলুর
রহমান
বলেন,
তদন্তে
বিডিআর
হত্যাকাণ্ডে
বহিঃশক্তির
সরাসরি
সম্পৃক্ততা

তৎকালীন
ক্ষমতাসীন
দল
আওয়ামী
লীগের
সরাসরি
জড়িত
থাকার
শক্তিশালী
প্রমাণ
পাওয়া
গেছে।

প্রধান
উপদেষ্টার
প্রেস
উইং
থেকে
প্রাপ্ত
তথ্য
অনুযায়ী,
রোববার
বিকেলে
প্রধান
উপদেষ্টার
কাছে
তদন্ত
প্রতিবেদন
জমা
দেওয়ার
পর
সেখানে
কমিশনের
সদস্য
মেজর
জেনারেল
(অব.)
মো.
জাহাঙ্গীর
কবির
তালুকদার
বলেছেন,
এই
ঘটনার
কিছু
বাহ্যিক

প্রকৃত
কারণ
বের
করেছে
কমিশন।
এই
হত্যাকাণ্ড
পরিকল্পিত
এবং
এর
পেছনে
প্রধান
সমন্বয়কের
ভূমিকা
পালন
করেছিলেন
তৎকালীন
সংসদ
সদস্য
শেখ
ফজলে
নূর
তাপস।
তিনি
আরও
বলেন,
হত্যাকাণ্ডের
ঘটনায়
জড়িত
ব্যক্তিদের
রক্ষা
করতে
স্থানীয়
আওয়ামী
লীগ
সরাসরি
ভূমিকা
রেখেছে।
তারা
২০-২৫
জনের
একটি
মিছিল
নিয়ে
পিলখানায়
ঢুকেছে
এবং
বের
হওয়ার
সময়
সেই
মিছিলে
দুই
শতাধিক
মানুষ
ছিল।

পরে
তদন্ত
কমিশনের
সংবাদ
সম্মেলনে
প্রশ্ন
করা
হয়—মিছিলকারী
এই
ব্যক্তিরা
কারা
ছিলেন?
জবাবে
কমিশনপ্রধান
ফজলুর
রহমান
বলেন,
‘এরা
ছিল
আওয়ামী
লীগ,
যুবলীগ

ছাত্রলীগ।
এরা
যে
সংখ্যক
ঢুকেছিল,
তার
চেয়ে
অনেক
বেশি
সংখ্যক
বের
হয়েছিল।
আমাদের
ধারণা,
এদের
সঙ্গে
অনেক
কিলারও
(হত্যাকারী)
বের
হয়ে
গেছে।’
হত্যাকাণ্ডে
আওয়ামী
লীগের
নেতারা
কীভাবে
সমন্বয়
করেছেন—এমন
প্রশ্নের
জবাবে
কমিশনপ্রধান
বলেন,
‘এটা
এক
দিনে
হয়নি,
দীর্ঘ
সময়
ধরে
হয়েছে।
যেমন
তাপস
মসজিদে
বসে
মিটিং
করেছে।
বিভিন্ন
ট্রেনিং
গ্রাউন্ডে
বসে
মিটিং
হয়েছে।
একটা
দীর্ঘ
সময়
ধরে
ষড়যন্ত্রগুলো
হয়েছে।
সর্বশেষে
গিয়ে
এই
হত্যাকাণ্ডটা
হয়েছে।’

ট্যাগঃ

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগ দলগতভাবে জড়িত

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

কমিশনের
প্রধান
ফজলুর
রহমান
বলেন,
তদন্তকাজ
সুষ্ঠু,
নিরপেক্ষ

ত্রুটিমুক্ত
করার
স্বার্থে
সর্বোচ্চ
পেশাদারত্ব
বজায়
রাখা
হয়েছে।
তিনি
বলেন,
‘আমরা
যখন
কাজ
শুরু
করি,
তখন
১৬
বছর
আগের
এই
ঘটনার
বহু
আলামত
ধ্বংস
হয়ে
গেছে।
এই
ঘটনার
সঙ্গে
সম্পৃক্ত
অনেকে
বিদেশে
চলে
গেছেন।
আমরা
দুটি
প্রক্রিয়ার
মধ্য
দিয়ে
গেছি।
সাক্ষীদের
ডাকলাম,
কারও
কারও
আট
ঘণ্টা
পর্যন্ত
বক্তব্য
শুনেছি।
যতক্ষণ
তিনি
বলতে
চেয়েছেন।
যাঁরা
তদন্তে
জড়িত
ছিলেন,
তাঁদের
সঙ্গে
কথা
বলেছি।
তাঁদের
তদন্তের
রিপোর্ট
সংগ্রহ
করেছি,
অন্যান্য
উপাদান
সংগ্রহ
করেছি।’

ফজলুর
রহমান
বলেন,
তদন্তে
বিডিআর
হত্যাকাণ্ডে
বহিঃশক্তির
সরাসরি
সম্পৃক্ততা

তৎকালীন
ক্ষমতাসীন
দল
আওয়ামী
লীগের
সরাসরি
জড়িত
থাকার
শক্তিশালী
প্রমাণ
পাওয়া
গেছে।

প্রধান
উপদেষ্টার
প্রেস
উইং
থেকে
প্রাপ্ত
তথ্য
অনুযায়ী,
রোববার
বিকেলে
প্রধান
উপদেষ্টার
কাছে
তদন্ত
প্রতিবেদন
জমা
দেওয়ার
পর
সেখানে
কমিশনের
সদস্য
মেজর
জেনারেল
(অব.)
মো.
জাহাঙ্গীর
কবির
তালুকদার
বলেছেন,
এই
ঘটনার
কিছু
বাহ্যিক

প্রকৃত
কারণ
বের
করেছে
কমিশন।
এই
হত্যাকাণ্ড
পরিকল্পিত
এবং
এর
পেছনে
প্রধান
সমন্বয়কের
ভূমিকা
পালন
করেছিলেন
তৎকালীন
সংসদ
সদস্য
শেখ
ফজলে
নূর
তাপস।
তিনি
আরও
বলেন,
হত্যাকাণ্ডের
ঘটনায়
জড়িত
ব্যক্তিদের
রক্ষা
করতে
স্থানীয়
আওয়ামী
লীগ
সরাসরি
ভূমিকা
রেখেছে।
তারা
২০-২৫
জনের
একটি
মিছিল
নিয়ে
পিলখানায়
ঢুকেছে
এবং
বের
হওয়ার
সময়
সেই
মিছিলে
দুই
শতাধিক
মানুষ
ছিল।

পরে
তদন্ত
কমিশনের
সংবাদ
সম্মেলনে
প্রশ্ন
করা
হয়—মিছিলকারী
এই
ব্যক্তিরা
কারা
ছিলেন?
জবাবে
কমিশনপ্রধান
ফজলুর
রহমান
বলেন,
‘এরা
ছিল
আওয়ামী
লীগ,
যুবলীগ

ছাত্রলীগ।
এরা
যে
সংখ্যক
ঢুকেছিল,
তার
চেয়ে
অনেক
বেশি
সংখ্যক
বের
হয়েছিল।
আমাদের
ধারণা,
এদের
সঙ্গে
অনেক
কিলারও
(হত্যাকারী)
বের
হয়ে
গেছে।’
হত্যাকাণ্ডে
আওয়ামী
লীগের
নেতারা
কীভাবে
সমন্বয়
করেছেন—এমন
প্রশ্নের
জবাবে
কমিশনপ্রধান
বলেন,
‘এটা
এক
দিনে
হয়নি,
দীর্ঘ
সময়
ধরে
হয়েছে।
যেমন
তাপস
মসজিদে
বসে
মিটিং
করেছে।
বিভিন্ন
ট্রেনিং
গ্রাউন্ডে
বসে
মিটিং
হয়েছে।
একটা
দীর্ঘ
সময়
ধরে
ষড়যন্ত্রগুলো
হয়েছে।
সর্বশেষে
গিয়ে
এই
হত্যাকাণ্ডটা
হয়েছে।’