জানতে
চাইলে
হলের
আবাসিক
শিক্ষার্থী
আবদুল
হাই
প্রথম
আলোকে
বলেন,
ভূমিকম্পের
সময়
তিনি
পড়ার
টেবিলে
ছিলেন।
হঠাৎ
দেখেন,
সবকিছু
দুলছে।
তখন
সহপাঠীকে
বলছিলেন
রুম
থেকে
বেরিয়ে
যাওয়ার
জন্য।
এরই
মধ্যে
কম্পন
থেমে
যায়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের
প্রধান
প্রকৌশলী
মো.
জামাল
উদ্দিন
প্রথম
আলোকে
বলেন,
তিনি
ঢাকায়
রয়েছেন।
প্রাধ্যক্ষ
তাঁকে
খসে
পড়া
অংশের
ছবি
পাঠিয়েছেন।
এটি
বড়
কোনো
সমস্যা
নয়।
এরপরও
এক
প্রকৌশলীকে
দায়িত্ব
দেওয়া
হয়েছে,
তিনি
সরেজমিনে
দেখে
প্রতিবেদন
দেবেন।
এডমিন 
















