০১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কৃষ্ণসাগরের তলদেশে লুকানো আছে পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহত্তম নদী

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
  • 4

বিজ্ঞানীদের
মতে,
যদি
নদীটি
স্থলভাগে
থাকত,
তবে
পানির
প্রবাহের
দিক
থেকে
এটি
পৃথিবীর
ষষ্ঠ
বৃহত্তম
নদী
হতো।
এর
মধ্য
দিয়ে
প্রতি
সেকেন্ডে
২২
হাজার
কিউবিক
মিটার
পানি
প্রবাহিত
হয়।
এই
প্রবাহ
লন্ডনের
টেমস
নদীর
চেয়ে
৩৫০
গুণ
এবং
রাইন
নদীর
চেয়ে
১০
গুণ
বেশি।
সমুদ্রের
তলদেশের
এই
নদী
কাজ
করে
ঠিক
স্থলভাগের
নদীর
মতোই।
এর
রয়েছে
সুনির্দিষ্ট
পাড়
এবং
তলদেশীয়
জলপ্রপাত।
এর
প্রবাহের
মূল
কারণ
হলো
পানির
ঘনত্বের
পার্থক্য।
ভূমধ্যসাগরের
অতি
লবণাক্ত
পানি
যখন
তুলনামূলক
কম
লবণাক্ত
কৃষ্ণসাগরে
প্রবেশ
করে,
তখন
তা
মিশে
না
গিয়ে
ভারী
হওয়ার
কারণে
তলদেশে
তলিয়ে
যায়।
এভাবেই
সমুদ্রের
তলদেশে
প্রায়

কিলোমিটার
প্রশস্ত
এবং
৩৫
মিটার
গভীর
একটি
চ্যানেল
তৈরি
হয়েছে,
যা
মহাদেশীয়
তাক
বা
কন্টিনেন্টাল
শেল্ফ
বরাবর
প্রায়
৬০
কিলোমিটার
পর্যন্ত
বিস্তৃত।

এই
নদী
কেবল
একটি
ভৌগোলিক
বিস্ময়ই
নয়,
বরং
গভীর
সমুদ্রের
বাস্তুসংস্থানের
জন্য
এক
অত্যাবশ্যকীয়
ধমনি।
সমুদ্রের
গভীর
তলদেশকে
অনেক
সময়
মরুভূমি
বলা
হয়
কারণ
সেখানে
সূর্যের
আলো
পৌঁছায়
না
এবং
পুষ্টির
অভাব
থাকে।
এই
নদী
উপরিভাগের
পুষ্টি

অক্সিজেন
বহন
করে
গভীরতম
অববাহিকায়
নিয়ে
যায়।
এটি
কৃষ্ণসাগরের
গভীর
স্তরে
জীবনধারণের
জন্য
প্রয়োজনীয়
অক্সিজেন
সরবরাহ
করে
সামুদ্রিক
পরিবেশের
ভারসাম্য
রক্ষা
করে।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

কৃষ্ণসাগরের তলদেশে লুকানো আছে পৃথিবীর ষষ্ঠ বৃহত্তম নদী

আপডেট সময়ঃ ১২:০৪:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

বিজ্ঞানীদের
মতে,
যদি
নদীটি
স্থলভাগে
থাকত,
তবে
পানির
প্রবাহের
দিক
থেকে
এটি
পৃথিবীর
ষষ্ঠ
বৃহত্তম
নদী
হতো।
এর
মধ্য
দিয়ে
প্রতি
সেকেন্ডে
২২
হাজার
কিউবিক
মিটার
পানি
প্রবাহিত
হয়।
এই
প্রবাহ
লন্ডনের
টেমস
নদীর
চেয়ে
৩৫০
গুণ
এবং
রাইন
নদীর
চেয়ে
১০
গুণ
বেশি।
সমুদ্রের
তলদেশের
এই
নদী
কাজ
করে
ঠিক
স্থলভাগের
নদীর
মতোই।
এর
রয়েছে
সুনির্দিষ্ট
পাড়
এবং
তলদেশীয়
জলপ্রপাত।
এর
প্রবাহের
মূল
কারণ
হলো
পানির
ঘনত্বের
পার্থক্য।
ভূমধ্যসাগরের
অতি
লবণাক্ত
পানি
যখন
তুলনামূলক
কম
লবণাক্ত
কৃষ্ণসাগরে
প্রবেশ
করে,
তখন
তা
মিশে
না
গিয়ে
ভারী
হওয়ার
কারণে
তলদেশে
তলিয়ে
যায়।
এভাবেই
সমুদ্রের
তলদেশে
প্রায়

কিলোমিটার
প্রশস্ত
এবং
৩৫
মিটার
গভীর
একটি
চ্যানেল
তৈরি
হয়েছে,
যা
মহাদেশীয়
তাক
বা
কন্টিনেন্টাল
শেল্ফ
বরাবর
প্রায়
৬০
কিলোমিটার
পর্যন্ত
বিস্তৃত।

এই
নদী
কেবল
একটি
ভৌগোলিক
বিস্ময়ই
নয়,
বরং
গভীর
সমুদ্রের
বাস্তুসংস্থানের
জন্য
এক
অত্যাবশ্যকীয়
ধমনি।
সমুদ্রের
গভীর
তলদেশকে
অনেক
সময়
মরুভূমি
বলা
হয়
কারণ
সেখানে
সূর্যের
আলো
পৌঁছায়
না
এবং
পুষ্টির
অভাব
থাকে।
এই
নদী
উপরিভাগের
পুষ্টি

অক্সিজেন
বহন
করে
গভীরতম
অববাহিকায়
নিয়ে
যায়।
এটি
কৃষ্ণসাগরের
গভীর
স্তরে
জীবনধারণের
জন্য
প্রয়োজনীয়
অক্সিজেন
সরবরাহ
করে
সামুদ্রিক
পরিবেশের
ভারসাম্য
রক্ষা
করে।