স্থানীয়
পরিবেশকর্মী
ও
সরকারি
কর্মকর্তা
ড্যাভন
বেকার
জানিয়েছেন,
ইয়াঘির
প্রযুক্তির
সবচেয়ে
বড়
শক্তি
হলো
এটি
স্বয়ংসম্পূর্ণ।
অর্থাৎ
এটি
প্রচলিত
বিদ্যুৎ
বা
অবকাঠামোর
ওপর
নির্ভরশীল
নয়।
ফলে
ঝড়ের
পর
যখন
পাইপলাইন,
বিদ্যুতের
লাইন
বা
পানি
শোধনাগার
নষ্ট
হয়ে
যায়,
তখনো
এই
যন্ত্র
চালু
রাখা
সম্ভব।
একই
সঙ্গে
পানি
আমদানির
উচ্চ
খরচ,
কার্বন
নিঃসরণ
এবং
দূষণের
ঝুঁকিও
কমে
যায়।
ইয়াঘি
মনে
করেন,
এটি
লবণাক্ত
সমুদ্রের
পানি
শোধনের
তুলনায়
পরিবেশবান্ধব
বিকল্প।
কারণ,
সমুদ্রের
পানি
শোধনের
পর
অতিরিক্ত
লবণাক্ত
ব্রাইন
আবার
সাগরে
ফেলা
হলে
তা
সামুদ্রিক
বাস্তুতন্ত্রের
ক্ষতি
করতে
পারে।
এডমিন 


















