জ্বালানি
ও
খনিজ
সম্পদ
উপদেষ্টা
বলেন,
অস্বাভাবিকভাবে
এলপিজির
দাম
বাড়ানো
ব্যবসায়ীদের
বিরুদ্ধে
মোবাইল
কোর্ট
করা
হচ্ছে।
যাঁরা
দোকান
বন্ধ
রেখেছেন,
সেগুলোও
খোলার
ব্যবস্থা
নেওয়া
হচ্ছে।
কারসাজির
সঙ্গে
জড়িত
ব্যক্তিদের
শাস্তি
দেওয়া
হয়েছে
কি
না
জানতে
চাইলে
জ্বালানি
উপদেষ্টা
বলেন,
হ্যাঁ,
অনেক
ক্ষেত্রেই
সাজা
দেওয়া
হয়েছে।
কাজ
হচ্ছে
জেলা
প্রশাসন,
পুলিশ
ও
ভোক্তা
অধিকার
সংরক্ষণ
অধিদপ্তর—এ
তিন
ভাগে।
বাংলাদেশ
এনার্জি
রেগুলেটরি
কমিশন
(বিইআরসি)
থেকে
এলপিজির
দাম
বাড়ানোর
তথ্য
দেওয়া
হচ্ছে—এ
বিষয়ে
জ্বালানি
উপদেষ্টা
বলেন,
‘আমরা
দেখব
বিইআরসির
কেউ
এতে
জড়িত
কি
না।’
জ্বালানি
ও
খনিজ
সম্পদ
সচিব,
বিইআরসি
এবং
এলপিজি
অপারেটরস
অ্যাসোসিয়েশন
অব
বাংলাদেশের
সঙ্গে
বৈঠক
করেছেন
জানিয়ে
উপদেষ্টা
বলেন,
এলপিজি
আমদানি
করে
বোতলজাত
করা
হয়।
সে
আমদানি
গত
মাসের
তুলনায়
এ
মাসে
বেশি।
ফলে
কোনো
ঘাটতি
হওয়ার
কথা
নয়।
এডমিন 
















