০৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের করা ক্ষতি সামলাতে পথ খুঁজছে ইউরোপ ও ডেমোক্র্যাটরা

  • এডমিন
  • আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 21

জার্মানির
মিউনিখ
নিরাপত্তা
সম্মেলনে
যোগ
দিয়েছিলেন
যুক্তরাষ্ট্রের
বেশ
কয়েকজন
ডেমোক্র্যাট
নেতা।
তাঁদের
অনেকেই
ভবিষ্যতে
দেশের
প্রেসিডেন্ট
হতে
চান।
শেষ
পর্যন্ত
তাঁদের
কারও
গন্তব্য
যদি
হোয়াইট
হাউস
হয়ও,
তারপরও
একটি
উপাধি
দাবি
করতে
পারবেন
না—‘মুক্ত
বিশ্বের
নেতা’।
বিগত
এক
বছরে
তাঁদের
জন্য
মুক্তি
বিশ্বের
নেতা
হওয়ার
হিসাব–নিকাশ
অনেক
বদলে
গেছে।

সম্মেলনে
যোগ
দেওয়া
ক্যালিফোর্নিয়ার
গভর্নর
গ্যাভিন
নিউসম
সিএনএনকে
বলেন,
সম্মেলনে
যেসব
নেতার
সঙ্গে
তিনি
দেখা
করেছেন,
তাঁরা
মনে
করেন
আটলান্টিক
পারের
দেশগুলোর
জোটের
যে
ক্ষতি
হয়েছে,
তা
পূরণ
করা
সম্ভব
নয়।
এসব
ক্ষতির
পেছনে
দায়
কার?
বলাই
বাহুল্য
যে
যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপ
সম্পর্কে
অবনতির
জন্য
অনেকাংশে
দায়ী
করা
হচ্ছে
মার্কিন
প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড
ট্রাম্পকে।

সম্মেলনে
বক্তব্য
দেন
জার্মান
চ্যান্সেলর
ফ্রিডরিখ
মের্ৎস।
তাঁর
বক্তব্য
ইউরোপের
নতুন
বাস্তবতা
স্পষ্ট
করেছে।
তা
হলো,
এখন
‘যুক্তরাষ্ট্র
পরবর্তী’
শতাব্দী
চলছে।
তিনি
বলেন,
ইউরোপ

যুক্তরাষ্ট্রের
মধ্যে
বিভাজন
তৈরি
হয়েছে।
ইউরোপের
পরমাণু
নিরাপত্তা
নিয়ে
তিনি
ফ্রান্সের
সঙ্গে
বৈঠক
করেছেন।
তাঁর
ইঙ্গিত
হলো—যুক্তরাষ্ট্র
সব
সময়
মিত্রদের
পাশে
দাঁড়াবে,
এমন
বিশ্বাস
আর
ইউরোপের
নেই।

ট্যাগঃ
জনপ্রিয় খবর

জবির বেদখলকৃত দুই হল উদ্ধারে ১০ দিনের আল্টিমেটাম ছাত্রদলের

ট্রাম্পের করা ক্ষতি সামলাতে পথ খুঁজছে ইউরোপ ও ডেমোক্র্যাটরা

আপডেট সময়ঃ ১২:০৩:২৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জার্মানির
মিউনিখ
নিরাপত্তা
সম্মেলনে
যোগ
দিয়েছিলেন
যুক্তরাষ্ট্রের
বেশ
কয়েকজন
ডেমোক্র্যাট
নেতা।
তাঁদের
অনেকেই
ভবিষ্যতে
দেশের
প্রেসিডেন্ট
হতে
চান।
শেষ
পর্যন্ত
তাঁদের
কারও
গন্তব্য
যদি
হোয়াইট
হাউস
হয়ও,
তারপরও
একটি
উপাধি
দাবি
করতে
পারবেন
না—‘মুক্ত
বিশ্বের
নেতা’।
বিগত
এক
বছরে
তাঁদের
জন্য
মুক্তি
বিশ্বের
নেতা
হওয়ার
হিসাব–নিকাশ
অনেক
বদলে
গেছে।

সম্মেলনে
যোগ
দেওয়া
ক্যালিফোর্নিয়ার
গভর্নর
গ্যাভিন
নিউসম
সিএনএনকে
বলেন,
সম্মেলনে
যেসব
নেতার
সঙ্গে
তিনি
দেখা
করেছেন,
তাঁরা
মনে
করেন
আটলান্টিক
পারের
দেশগুলোর
জোটের
যে
ক্ষতি
হয়েছে,
তা
পূরণ
করা
সম্ভব
নয়।
এসব
ক্ষতির
পেছনে
দায়
কার?
বলাই
বাহুল্য
যে
যুক্তরাষ্ট্র-ইউরোপ
সম্পর্কে
অবনতির
জন্য
অনেকাংশে
দায়ী
করা
হচ্ছে
মার্কিন
প্রেসিডেন্ট
ডোনাল্ড
ট্রাম্পকে।

সম্মেলনে
বক্তব্য
দেন
জার্মান
চ্যান্সেলর
ফ্রিডরিখ
মের্ৎস।
তাঁর
বক্তব্য
ইউরোপের
নতুন
বাস্তবতা
স্পষ্ট
করেছে।
তা
হলো,
এখন
‘যুক্তরাষ্ট্র
পরবর্তী’
শতাব্দী
চলছে।
তিনি
বলেন,
ইউরোপ

যুক্তরাষ্ট্রের
মধ্যে
বিভাজন
তৈরি
হয়েছে।
ইউরোপের
পরমাণু
নিরাপত্তা
নিয়ে
তিনি
ফ্রান্সের
সঙ্গে
বৈঠক
করেছেন।
তাঁর
ইঙ্গিত
হলো—যুক্তরাষ্ট্র
সব
সময়
মিত্রদের
পাশে
দাঁড়াবে,
এমন
বিশ্বাস
আর
ইউরোপের
নেই।